শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬ ।। ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ২৭ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
প্রাথমিকে সংগীত, নাট্যকলার পরিবর্তে ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের দাবি জাতীয় শিক্ষক ফোরামের দিন-রাত দুই শিফটে কাজ করবেন পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা: ডিএনসিসি প্রশাসক বিভ্রাটের প্রায় একঘণ্টা পর সচল ফেসবুক-ম্যাসেঞ্জার আমি ক্ষমতায় থাকতে ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র পেতে দেব না: নেতানিয়াহু  হিল্লা বিয়ে ইসলামের নিকৃষ্ট অপব্যাখ্যা: শায়খ আহমাদুল্লাহ শিক্ষার গুরুত্ব বিবেচনায় বাজেটে বরাদ্দ বাড়ানো হয়েছে: শিক্ষামন্ত্রী ফেসবুক ডাউন, ভোগান্তিতে ব্যবহারকারীরা  কক্সবাজারে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অগ্নিকাণ্ড, পুড়ল প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ঢাকাসহ দেশের ১৩ অঞ্চলে ৪৫-৬০ কিমি বেগে ঝড়ের আভাস প্রাথমিকে ‘সংগীত-নৃত্যের সিদ্ধান্ত’ বাতিলের দাবি ছাত্র জমিয়তের

নারী-পুরুষের জীবনব্যবস্থায় স্রষ্টার নির্ধারিত নীতিমালা অপরিহার্য


নিউজ ডেস্ক

নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহীত

জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের সভাপতি মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুক বলেছেন, মহিলা ও পুরুষ— সকল মানুষের স্রষ্টা হলেন মহান আল্লাহ তায়ালা। তিনি আমাদের জন্য যে জীবনবিধান নির্ধারণ করেছেন, একজন সত্যিকারের মুসলমান হিসেবে আমাদের সে বিধান মেনে চলা অপরিহার্য। যে ব্যক্তি এ বিধানের উপর চলে, সে মুসলমান; আর যে ব্যক্তি তা অমান্য করে, সে ইসলামবিরোধী, কাফের।

শনিবার (৩ মে) রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আয়োজিত হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের ঐতিহাসিক মহাসমাবেশে মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুক এসব কথা বলেছেন। 

তিনি আরো বলেছেন, আমাদের দেশের সরকার ‘নারী উন্নয়ন’ নামে একটি কমিশন গঠন করেছে। কিন্তু প্রশ্ন হলো—এই কমিশনে কাদের জায়গা দেওয়া হলো? দেশ কি এমন পর্যায়ে চলে গেছে যে, এখানে চরিত্রবান, শিক্ষিত, সভ্য এবং প্রজ্ঞাবান কোনো মুসলিম নারী নেই? তাহলে কেন এমন নারীদের বাছাই করা হলো, যাদের চরিত্র নিয়ে জনগণের মধ্যে প্রশ্ন রয়েছে?

তিনি স্পষ্ট ভাষায় হুশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছেন- এ দেশ কোনো হিন্দু কিংবা খ্রিস্টান রাষ্ট্র নয়। নারীদের জন্য এমন কোনো আইন বা নীতি তৈরি করার অধিকার কারও নেই, যা আল্লাহ তায়ালার নির্ধারিত বিধানের পরিপন্থী। স্রষ্টার আইন অস্বীকার করলে কেউ মুসলমান থাকতে পারে না। যারা ইসলামী বিধানের বিরোধিতা করে, তারা সরাসরি কাফের ও মুরতাদ হিসেবে গণ্য হবে।

মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুক বলেছেন, আমরা এমন কোনো ব্যক্তিকে দেশের শাসনব্যবস্থায় দেখতে চাই না, যারা কুফরি ও নাস্তিক্যবাদকে আশ্রয়-প্রশ্রয় দেয়। দেশের স্বাধীনতা, ইসলাম ও সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে যেকোনো ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে আমরা সদা প্রস্তুত এবং সোচ্চার।

আমরা আবারো বলছি, এ দেশ মুসলমানদের। এই দেশের জনগণ ধর্ম ও দেশের স্বার্থবিরোধী কর্মকাণ্ড কোনোভাবেই মেনে নেবে না। প্রয়োজনে সবাই একসাথে দেশ ও ইসলামের শত্রুদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াবো, ইনশাআল্লাহ। দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও ইসলাম রক্ষায় আমরা শেষ পর্যন্ত অটল থাকব। যারাই দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব এবং ইসলামের বিরুদ্ধে অবস্থান নিবে আমরা জনগণকে সাথে নিয়ে তাদের রুখে দিবো, ইনশাআল্লাহ।

এসএকে/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ