বুধবার, ১০ জুন ২০২৬ ।। ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ২৪ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
‘বাজেটের পরিধির চেয়ে নিত্য পণ্যের দাম কমার সংবাদ চায় জনগণ’  সরকারের ৫ বছরের মেগা কর্মপরিকল্পনা ‘ভারতে ধর্ম গ্রহণের স্বাধীনতা সবার জন্য সমান হওয়া উচিত’ ‘যোগ্য দায়িত্বশীল হতে প্রয়োজন আদর্শিক ও দক্ষতার উন্নয়ন’ আল আকসার ঐতিহাসিক নিদর্শন সরানোর অপচেষ্টা ইসরাইলের, হামাসের সতর্কবার্তা আর্থিক খাতে রাজনীতি নয়, সুশাসন নিশ্চিত করতে হবে: গাজী আতাউর রহমান ইলমি সংকট নিরসনে মাদরাসা দায়িত্বশীলদের জন্য কিছু কথা ১৮২ কোটি টাকা ব্যয়ে পুলিশের জন্য গাড়ি কিনছে সরকার দেশে বর্তমানে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ দ্রুত কর্মসংস্থান সৃষ্টি: বাণিজ্যমন্ত্রী বিস্ফোরণের শব্দে কেঁপে উঠলো ইরানের কেশম দ্বীপ

বাস-লঞ্চ ভাড়া নির্ধারণ কমিটি পুনর্গঠনের দাবি যাত্রী কল্যাণ সমিতির

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহিত

বাস ও লঞ্চ ভাড়া নির্ধারণ কমিটিতে মালিক ও শ্রমিক সংগঠনের একচ্ছত্র আধিপত্য কমিয়ে যাত্রী ও ভোক্তা অধিকার প্রতিনিধিদের সংখ্যানুপাতিক প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি।

জ্বালানি তেলের দাম এক লাফে ১৫ শতাংশ বাড়ানোর প্রেক্ষাপটে এই দাবি জানিয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতু এবং নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলমের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছে সংগঠনটি।

রোববার (১৯ এপ্রিল) সংবাদমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

সমিতির অর্থ সম্পাদক মাহমুদুল হাসান রাসেল স্বাক্ষরিত ওই বিজ্ঞপ্তিতে ভাড়া নির্ধারণে মালিকপক্ষ ও সরকারের বর্তমান নীতির কঠোর সমালোচনা করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বিগত ফ্যাসিস্ট সরকার এক যুগেরও বেশি সময় ধরে সড়ক ও নৌযোগাযোগ খাতে বেসরকারি বাস ও লঞ্চ মালিক এবং শ্রমিক সংগঠনের ‘মাফিয়া’ নেতাদের নিয়ে ভাড়া, সুযোগ-সুবিধা ও নীতি নির্ধারণের যাবতীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর ফলে এই খাতে যাত্রী দুর্ভোগ এখন চরমে পৌঁছেছে।

বিজ্ঞপ্তিতে অভিযোগ করে বলা হয়, গণমানুষের দল বিএনপি সরকার গঠনের পরও এখনো বিগত সরকারের পদাঙ্ক অনুসরণ করে আসছে। ফলে জনগণের মাঝে চরম হতাশা লক্ষ করা যাচ্ছে। এমন এক অস্থির প্রেক্ষাপটে গতকাল মধ্যরাতে জ্বালানি তেলের দাম লিটারপ্রতি ১৫ টাকা বাড়ানো হয়েছে।

যাত্রী কল্যাণ সমিতির পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, সড়ক ও নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ে ভাড়া নির্ধারণের মতো গুরুত্বপূর্ণ জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে অভিজ্ঞ বা বিশেষজ্ঞ কোনো ব্যক্তি বা প্যানেল অতীতেও ছিল না, এখনো নেই। এই পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে মালিক ও শ্রমিক সংগঠনের প্রভাবশালী নেতারা তাদের মর্জিমতো ভাড়ার তালিকা তৈরি করেন। যা মন্ত্রণালয়ে পেশ করে একচেটিয়া প্রভাব খাটিয়ে সাধারণ মানুষের ওপর অতিরিক্ত ভাড়া চাপিয়ে দেন। এতে যাত্রীস্বার্থ চরমভাবে লঙ্ঘিত হয় এবং সাধারণ মানুষের যাতায়াতের দুর্ভোগ বাড়ে।

স্মারকলিপিতে আরও উল্লেখ করা হয়, বিএনপি সরকার অতীতের ফ্যাসিস্ট সরকারের নীতি ও কৌশল পরিহার করবে। জনস্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে বাস ও লঞ্চ ভাড়া নির্ধারণে আন্তর্জাতিক ক্রেতা-ভোক্তা অধিকার আইন অনুসরণ করতে হবে। এ লক্ষ্যে বাস ও লঞ্চ মালিক সমিতির সংখ্যানুপাতে যাত্রী ও ভোক্তা সংগঠনের প্রতিনিধি অন্তর্ভুক্ত করে ভাড়া নির্ধারণ কমিটি পুনর্গঠন এবং জনস্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জোর দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।

আইও/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ