রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬ ।। ১০ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ১২ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
ভারতের নতুন শিক্ষামন্ত্রীর দায়িত্বে প্রহ্লাদ যোশী ভিসা আবেদনে নতুন নির্দেশনা মার্কিন দূতাবাসের আসামে ভয়াবহ বন্যা, হিন্দু-মুসলিম নির্বিশেষে সবার পাশে মাওলানা বদরুদ্দিন আজমল কুবিতে শায়খে চরমোনাই, জুলাই শহীদদের স্মরণে দোয়া লন্ডনে জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের শিক্ষা সফর জুলাই অভ্যুত্থানে ইসলামী আন্দোলনই ছিল সক্রিয়: পীর সাহেব চরমোনাই মসজিদে নববীর কুরআন শিক্ষক শায়খ কারিম হাসুনার ইন্তেকাল আয়া সোফিয়ায় পুনরায় নামাজ শুরুর ছয় বছর পূর্তিতে এরদোগানের বার্তা ইসলামী আন্দোলন ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি মারুফ, সেক্রেটারি শরীয়াতুল্লাহ সাভারে চাঁদা দাবির জেরে পুলিশ-সন্ত্রাসীদের গোলাগুলি

বাস-লঞ্চ ভাড়া নির্ধারণ কমিটি পুনর্গঠনের দাবি যাত্রী কল্যাণ সমিতির

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহিত

বাস ও লঞ্চ ভাড়া নির্ধারণ কমিটিতে মালিক ও শ্রমিক সংগঠনের একচ্ছত্র আধিপত্য কমিয়ে যাত্রী ও ভোক্তা অধিকার প্রতিনিধিদের সংখ্যানুপাতিক প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি।

জ্বালানি তেলের দাম এক লাফে ১৫ শতাংশ বাড়ানোর প্রেক্ষাপটে এই দাবি জানিয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতু এবং নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলমের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছে সংগঠনটি।

রোববার (১৯ এপ্রিল) সংবাদমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

সমিতির অর্থ সম্পাদক মাহমুদুল হাসান রাসেল স্বাক্ষরিত ওই বিজ্ঞপ্তিতে ভাড়া নির্ধারণে মালিকপক্ষ ও সরকারের বর্তমান নীতির কঠোর সমালোচনা করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বিগত ফ্যাসিস্ট সরকার এক যুগেরও বেশি সময় ধরে সড়ক ও নৌযোগাযোগ খাতে বেসরকারি বাস ও লঞ্চ মালিক এবং শ্রমিক সংগঠনের ‘মাফিয়া’ নেতাদের নিয়ে ভাড়া, সুযোগ-সুবিধা ও নীতি নির্ধারণের যাবতীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর ফলে এই খাতে যাত্রী দুর্ভোগ এখন চরমে পৌঁছেছে।

বিজ্ঞপ্তিতে অভিযোগ করে বলা হয়, গণমানুষের দল বিএনপি সরকার গঠনের পরও এখনো বিগত সরকারের পদাঙ্ক অনুসরণ করে আসছে। ফলে জনগণের মাঝে চরম হতাশা লক্ষ করা যাচ্ছে। এমন এক অস্থির প্রেক্ষাপটে গতকাল মধ্যরাতে জ্বালানি তেলের দাম লিটারপ্রতি ১৫ টাকা বাড়ানো হয়েছে।

যাত্রী কল্যাণ সমিতির পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, সড়ক ও নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ে ভাড়া নির্ধারণের মতো গুরুত্বপূর্ণ জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে অভিজ্ঞ বা বিশেষজ্ঞ কোনো ব্যক্তি বা প্যানেল অতীতেও ছিল না, এখনো নেই। এই পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে মালিক ও শ্রমিক সংগঠনের প্রভাবশালী নেতারা তাদের মর্জিমতো ভাড়ার তালিকা তৈরি করেন। যা মন্ত্রণালয়ে পেশ করে একচেটিয়া প্রভাব খাটিয়ে সাধারণ মানুষের ওপর অতিরিক্ত ভাড়া চাপিয়ে দেন। এতে যাত্রীস্বার্থ চরমভাবে লঙ্ঘিত হয় এবং সাধারণ মানুষের যাতায়াতের দুর্ভোগ বাড়ে।

স্মারকলিপিতে আরও উল্লেখ করা হয়, বিএনপি সরকার অতীতের ফ্যাসিস্ট সরকারের নীতি ও কৌশল পরিহার করবে। জনস্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে বাস ও লঞ্চ ভাড়া নির্ধারণে আন্তর্জাতিক ক্রেতা-ভোক্তা অধিকার আইন অনুসরণ করতে হবে। এ লক্ষ্যে বাস ও লঞ্চ মালিক সমিতির সংখ্যানুপাতে যাত্রী ও ভোক্তা সংগঠনের প্রতিনিধি অন্তর্ভুক্ত করে ভাড়া নির্ধারণ কমিটি পুনর্গঠন এবং জনস্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জোর দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।

আইও/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ