বুধবার, ১০ জুন ২০২৬ ।। ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ২৪ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
দেশে বর্তমানে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ দ্রুত কর্মসংস্থান সৃষ্টি: বাণিজ্যমন্ত্রী বিস্ফোরণের শব্দে কেঁপে উঠলো ইরানের কেশম দ্বীপ আপনি গুলি করলে আমরা কি বসে থাকব: বিএসএফ-কে বিজিবি প্রাথমিকে সংগীত, নাট্যকলা, নৃত্যকলা, চারু ও কারুকলা অন্তর্ভুক্ত করছে সরকার প্রশাসনিক কার্যক্রমে দক্ষতা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী সারাদেশের সীমান্তে প্রতিবাদী সমাবেশ ও শাহবাগে বিক্ষোভ কর্মসূচির ডাক ১১ দলের হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু আদ্-দ্বীনের শোকজের জবাবে সন্তুষ্ট নই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী শুক্রবার ঢাকায় আসবেন ভারতের নতুন হাইকমিশনার ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক জুড়তে লেবাননের প্রতি হিজবুল্লাহর আহ্বান

এনআইডি সংশোধনে স্বচ্ছতা আনতে নতুন পদক্ষেপ ইসির

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহিত

জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সংশোধন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও যাচাই ব্যবস্থা আরও জোরদার করতে নতুন নির্দেশনা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ উদ্যোগের আওতায় শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ, বিশেষ করে এসএসসি বা সমমানের সনদ সার্ভারে সংযুক্ত করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। 

বুধবার (২৯ এপ্রিল) ইসি কর্মকর্তারা বিষয়টি জানিয়েছেন। ইসির এনআইডি শাখার পরিচালক মো. সাইফুল ইসলাম এ সংক্রান্ত নির্দেশনা ইতোমধ্যে সকল মাঠ কর্মকর্তাকে পাঠিয়েছেন। 

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ভোটার/পরিচয় নিবন্ধনের অন্যতম ধাপ হিসেবে কতিপয় ডকুমেন্টস ডাটবেজে সংযুক্ত করতে হয়। যেমন- নিবন্ধন ফরম-২, নিবন্ধন ফরম-৩, বিশেষ তথ্য ফরম (ফরম-২ এর অতিরিক্ত তথ্য) (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে), জন্ম সনদ, এস. এস. সি/সমমান সনদ (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে), পাসপোর্ট, আবেদনকারী স্বাক্ষরিত প্রুফ কপি ইত্যাদি। 

নিবন্ধন পরবর্তীকালে বিশেষ করে সার্টিফিকেটধারী ব্যক্তির জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য-উপাত্ত সংশোধন আবেদন নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে, বিশেষ করে জন্ম তারিখের সঠিকতা নিরুপণের জন্য এসএসসি/সমমান সনদসহ নিবন্ধন ফরম ও জন্ম সনদ যাচাইয়ের প্রয়োজন পড়ে। 

নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে, সাম্প্রতিককালে ডকুমেন্ট সংযুক্তকরণের ক্ষেত্রে লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে, সংশ্লিষ্ট আবেদনকারীর শিক্ষাগত যোগ্যতা মাধ্যমিক বা তদুর্ধ্ব হওয়া সত্ত্বেও কিছু কিছু উপজেলা/থানা নির্বাচন অফিস থেকে এসএসসি/সমমান সনদ ডাটাবেজে সংযুক্ত করা হচ্ছে না। ফলে জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধনের ক্ষেত্রে এসএসসি/সমমান সনদ যাচাই করা সম্ভব হয় না। 

এক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত গ্রহণে অসুবিধা হয়। কতিপয় ক্ষেত্রে প্রুফ কপি থাকলেও শিক্ষাগত যোগ্যতার বিষয়টি আবেদনকারী অস্বীকার করে। ফলে সংশোধনের আবেদন নিস্পত্তির জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট আবেদনকারীর মধ্যে একপ্রকার অনভিপ্রেত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়, যা নির্বাচন কমিশনের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করছে।

এই অবস্থায় নিবন্ধিত ব্যক্তি মাধ্যমিক বা তদুর্ধ্ব পাস হলে সংশ্লিষ্ট রেজিস্ট্রেশন অফিসার ও উপজেলা/থানা নির্বাচন অফিসার কর্তৃক নিবন্ধকালে এসএসসি/সমমান সনদ (জন্ম তারিখ সম্বলিত) আবশ্যিকভাবে ডাটাবেজে সংযুক্ত করতে হবে।

নিবন্ধিত ব্যক্তি যদি উচ্চমাধ্যমিক/স্নাতক/স্নাতকোত্তর/এম.ফিল/পিএইডি/সমমান ডিগ্রিধারী হন, তাহলে তার এসএসসি/সমমান সনদ আবশ্যিকভাবে ডাটাবেজে সংযুক্ত করতে হবে। পাশপাশি এসএসসি/সমমান সনদসহ সর্বোচ্চ শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদটি দাখিলকৃত নিবন্ধন ফরম, জন্ম সনদ ও অন্যান্য দলিলাদির সঙ্গে হার্ড কপি আকারে স্ব স্ব অফিসে সংরক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে।

সংশ্লিষ্ট সিনিয়র জেলা/জেলা নির্বাচন অফিসাররা ও আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তাদের কর্তৃক অফিস পরিদর্শনসহ অন্যান্য সময় দ্বৈবচয়নের ভিত্তিতে এ সংক্রান্ত উক্ত কার্যক্রম মনিটরিং করতে হবে।

আইও/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ