প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে আগামী ছয় মাসের মধ্যে দেশের পাঁচ বিভাগে একটি করে ২০০ শয্যাবিশিষ্ট শিশু হাসপাতাল চালু হচ্ছে। প্রতিটি হাসপাতালে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ও নিবিড় পরিচর্যাকেন্দ্রের (আইসিইউ) ব্যবস্থাও থাকবে বলে জানিয়েছেন, স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেন, এই পাঁচটি হাসপাতালের জন্য প্রয়োজনীয় ফার্নিচার ও যন্ত্রপাতির টেন্ডার ইতোমধ্যে সম্পন্ন করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, খুলনা, বরিশাল, রংপুর ও রাজশাহী বিভাগে এবং কুমিল্লা জেলায় একটি করে বিশেষায়িত শিশু হাসপাতাল চালু হচ্ছে। প্রতিটি হাসপাতাল ২০০ শয্যাবিশিষ্ট করা হবে। বরিশাল ও খুলনা বিভাগের হাসপাতাল দুটি আগস্টের প্রথম দিকে চালুর সব প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিয়েছে সরকার।
এসব হাসপাতালের আসবাবপত্র ও চিকিৎসা সরঞ্জাম ক্রয়ের দরপত্র প্রক্রিয়া ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। প্রতিটি হাসপাতালে পুরোদমে কার্যক্রম চালুর জন্য এক হাজার ৪৭৫ জন জনবলের প্রয়োজন হবে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগ নিশ্চিতে নির্দেশও দিয়েছেন।
সূত্র আরও জানায়, প্রতিটি হাসপাতালে ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিট (আইসিইউ) সুবিধা, কেন্দ্রীয় শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা এবং ভবিষ্যতে সম্প্রসারণের সুযোগ রাখা হবে। পাশাপাশি বড় পরিসরের আইসিইউ ইউনিটও থাকবে হাসপাতালগুলোতে।
গত ১০ মে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে জরুরি বৈঠকে দেশের ছয় বিভাগে অব্যবহৃত পড়ে থাকা ছয়টি শিশু হাসপাতাল দ্রুত চালুর নির্দেশ দেন।
প্রতিটি হাসপাতালে এক হাজার ৪৭৫ জন করে জনবল প্রয়োজন। পূর্ণ জনবল বরাদ্দ করার জন্য ইতোমধ্যেই প্রধানমন্ত্রী জনপ্রশাসন মন্ত্রীকে নির্দেশনা দিয়েছেন বলেও সূত্রে জানা যায়।
জেডএম/