সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬ ।। ১৫ চৈত্র ১৪৩২ ।। ১১ শাওয়াল ১৪৪৭

শিরোনাম :
সংসদে সংস্কার পরিষদের অধিবেশন নিয়ে আলোচনা মঙ্গলবার মাকতাবাতুল ফাতাহর আয়োজনে বৃত্তি প্রদান ও মতবিনিময় সভা কাল জাতীয় সংসদে বিরোধী দলীয় নেতার মুলতবি প্রস্তাব ভালো নেই শহীদ মুগ্ধর বাবা, দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন স্নিগ্ধ বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে সরকারি চাকরিজীবীদের ১১ নির্দেশনা নোয়াখালীতে মাদক নিয়ে দ্বন্দ্বে তরুণকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তার ২ আমরা সংবিধান সংশোধনের জন্য নয়, সংস্কারের জন্য এসেছি: নাহিদ ইসলাম শিক্ষাখাত ইবাদতখানা, শিক্ষাদান সদকায়ে জারিয়া: শিক্ষামন্ত্রী 'স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আইনের ব্যাখ্যা না দিয়ে সন্ত্রাসীদের বিচারের দিকে নজর দেওয়া দরকার' হাজিরা দিতে গিয়ে কারাগারে আওয়ামী লীগের ১০ নেতাকর্মী

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সংগীত শিক্ষক নিয়োগের ঘোষণায় নিন্দা জানালেন আজহারী

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

 
প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ইসলাম ধর্ম শিক্ষক নিয়োগের দাবি অগ্রাহ্য করে সংগীত শিক্ষক নিয়োগের ঘোষণায় নিন্দা প্রকাশ করেছেন জনপ্রিয় ইসলামিক স্কলার ড. মিজানুর রহমান আজহারী। বৃহস্পতিবার এক ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে নিন্দা প্রকাশ করেন তিনি।

নিজের ফেসবুক পোস্টে  আজহারী লেখেন, ‘আমরা গভীর উদ্বেগের সাথে লক্ষ্য করছি— সরকার প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ইসলাম ধর্ম শিক্ষক নিয়োগে এদেশের অভিভাবকদের দীর্ঘদিনের দাবীকে উপেক্ষা করে, অযাচিতভাবে সঙ্গীত শিক্ষক নিয়োগের ঘোষণা প্রদান করেছে। আমরা এই অবিবেচনাপ্রসূত সিদ্ধান্তের তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি।’
 
ধর্মীয় মুল্যবোধের নিরাপত্তা চেয়ে আজহারী আরো লেখেন, ‘মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ এই দেশে প্রাথমিক স্তরে ইসলাম শিক্ষার জন্য বিশেষায়িত ধর্মীয় শিক্ষক নেই। এটি অত্যন্ত দুঃখজনক। অথচ সংগীতের মতো বিষয়কে প্রাধান্য দিয়ে ডেডিকেটেড শিক্ষক নিয়োগ স্পষ্টতই জন আকাঙ্ক্ষা পরিপন্থী। আমরা আমাদের সন্তানদের বিশ্বাস ও মূল্যবোধের নিরাপত্তা চাই।’
 
ড. মিজানুর রহমান আজহারীর পোস্টটি মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে যায়। এতে মন্তব্য করতে দেখা গেছে অসংখ্য অনুরাগীকে।  একজন লিখেছেন, ‘সেই সাথে যুগের পর যুগ ধরে এই বঙ্গীয় মুসলমানদেরকে তাদের শরিয়াহ থেকে বঞ্চিত রেখে গণতন্ত্র দ্বারা শাসন করা হচ্ছে। যার দরুন এই ধরনের ইসলাম বিরোধী প্রজ্ঞাপন জারি করা তাদের কাছে ডাল ভাত। কিন্তু আসল বিষয় তথা সিস্টেম(গনতন্ত্র) থেকে যে প্রথমে মুক্তি পেতে হবে, সেই দিকে ভ্রুক্ষেপ কয়জনের? এদেশের মুসলমানরা তো এখানেই হেরে গেছে!’ 

উল্লেখ্য, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগে নতুন বিধিমালা জারি করেছে সরকার। এতে নতুন দুটি পদ সৃষ্টি করা হয়েছে। পদ দুটি হলো—সংগীত ও শারীরিক শিক্ষা।

এখন থেকে প্রতিটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সংগীত ও শারীরিক শিক্ষার জন্য নির্ধারিত শিক্ষক থাকবেন। এতদিন পদ দুটিতে দায়িত্বপ্রাপ্তদের দিয়ে কাজ চালিয়ে নেওয়া হচ্ছিল।

এমএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ