সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬ ।। ১৫ চৈত্র ১৪৩২ ।। ১১ শাওয়াল ১৪৪৭

শিরোনাম :
সংসদে সংস্কার পরিষদের অধিবেশন নিয়ে আলোচনা মঙ্গলবার মাকতাবাতুল ফাতাহর আয়োজনে বৃত্তি প্রদান ও মতবিনিময় সভা কাল জাতীয় সংসদে বিরোধী দলীয় নেতার মুলতবি প্রস্তাব ভালো নেই শহীদ মুগ্ধর বাবা, দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন স্নিগ্ধ বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে সরকারি চাকরিজীবীদের ১১ নির্দেশনা নোয়াখালীতে মাদক নিয়ে দ্বন্দ্বে তরুণকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তার ২ আমরা সংবিধান সংশোধনের জন্য নয়, সংস্কারের জন্য এসেছি: নাহিদ ইসলাম শিক্ষাখাত ইবাদতখানা, শিক্ষাদান সদকায়ে জারিয়া: শিক্ষামন্ত্রী 'স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আইনের ব্যাখ্যা না দিয়ে সন্ত্রাসীদের বিচারের দিকে নজর দেওয়া দরকার' হাজিরা দিতে গিয়ে কারাগারে আওয়ামী লীগের ১০ নেতাকর্মী

রাষ্ট্র সংস্কারের মূল লক্ষ্য—ন্যায়, সমতা ও জনকল্যাণ প্রতিষ্ঠা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মাওলানা মুহাম্মাদ হাদিউজ্জামান

‎রাষ্ট্র জনগণের সেবক, জনগণের মালিক নয়। অথচ বাস্তবতায় দেখা যায়—রাষ্ট্রযন্ত্র অনেক সময় জনগণের প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ হয়। দুর্নীতি, বৈষম্য, অন্যায় ও জবাবদিহির অভাব যখন বেড়ে যায়, তখন রাষ্ট্রে সংস্কারের প্রয়োজন অনিবার্য হয়ে ওঠে।

‎রাষ্ট্র সংস্কারের প্রথম শর্ত হলো স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক শাসনব্যবস্থা। জনগণের ম্যান্ডেটের প্রতি শ্রদ্ধা না থাকলে আস্থা ভেঙে যায়।

‎এরপর প্রয়োজন নিরপেক্ষ ও দ্রুত বিচারব্যবস্থা। বিলম্বিত বিচার জনগণের ন্যায়বিচারের অধিকারকে বাধাগ্রস্ত করে।
‎একইসাথে অর্থনীতিকে করতে হবে সুষম ও উৎপাদনমুখী। ধনী-গরিব বৈষম্য কমানো ছাড়া উন্নয়ন কেবল কাগুজে অর্জন হয়।

‎শিক্ষা ও সংস্কৃতিতে প্রয়োজন মৌলিক সংস্কার—যেখানে নৈতিকতা, দায়িত্ববোধ ও দক্ষতা একসাথে বিকশিত হবে।
‎এছাড়া সামাজিক ন্যায় প্রতিষ্ঠা করতে হবে, যাতে প্রত্যেক নাগরিক সমান মর্যাদা ও অধিকার ভোগ করতে পারে।

‎পররাষ্ট্রনীতিতে আত্মমর্যাদা রক্ষা জরুরি, যাতে রাষ্ট্র অন্যের আধিপত্যে না পড়ে বরং মর্যাদাপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখে।

‎রাষ্ট্র সংস্কারের মূল লক্ষ্য একটাই—ন্যায়, সমতা ও জনকল্যাণ প্রতিষ্ঠা। জনগণই রাষ্ট্রের মালিক, আর রাষ্ট্রের প্রকৃত দায়িত্ব জনগণের সেবক হয়ে থাকা। এই সত্য প্রতিষ্ঠিত হলেই রাষ্ট্র হবে কল্যাণ ও শান্তির আশ্রয়স্থল।

‎লেখক: সভাপতি, বাংলাদেশ খেলাফত যুব মজলিস শ্রীপুর উপজেলা

এমএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ