বুধবার, ১০ জুন ২০২৬ ।। ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ২৪ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
এবারের হজে ৬৪০ কোটি লিটার পানি সরবরাহ করেছে সৌদি আরব ‘বাজেটের পরিধির চেয়ে নিত্য পণ্যের দাম কমার সংবাদ চায় জনগণ’  সরকারের ৫ বছরের মেগা কর্মপরিকল্পনা ‘ভারতে ধর্ম গ্রহণের স্বাধীনতা সবার জন্য সমান হওয়া উচিত’ ‘যোগ্য দায়িত্বশীল হতে প্রয়োজন আদর্শিক ও দক্ষতার উন্নয়ন’ আল আকসার ঐতিহাসিক নিদর্শন সরানোর অপচেষ্টা ইসরাইলের, হামাসের সতর্কবার্তা আর্থিক খাতে রাজনীতি নয়, সুশাসন নিশ্চিত করতে হবে: গাজী আতাউর রহমান ইলমি সংকট নিরসনে মাদরাসা দায়িত্বশীলদের জন্য কিছু কথা ১৮২ কোটি টাকা ব্যয়ে পুলিশের জন্য গাড়ি কিনছে সরকার দেশে বর্তমানে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ দ্রুত কর্মসংস্থান সৃষ্টি: বাণিজ্যমন্ত্রী

ইমাম-খতিবদের হয়রানি বন্ধে হেফাজতের ‘বিশেষ সেল’ খোলার আহ্বান

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মুফতি এনায়েতুল্লাহ

বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে অন্যায়ভাবে দেশের বিভিন্ন স্থানের মসজিদের ইমাম-খতিবরা চাকরিচ্যুত হয়েছেন। সরকার পরিবর্তনের পরও এ ধারা অব্যাহত রয়েছে। সবচেয়ে দুঃখের বিষয় হলো, এবার ইমাম-খতিবরা চাকরিচ্যুত হচ্ছেন মাঠের রাজনৈতিক বন্ধুদের দ্বারা। এমনিতে দেশের মসজিদগুলো পরিচালিত হয় কমিটি দ্বারা। সঙ্গত কারণে নতুন সরকারের আমলে কমিটি পরিবর্তন হওয়ার পর অনেক স্থানে নতুন কমিটি তাদের পছন্দের ইমাম-খতিবদের নিয়োগ দিয়েছেন।

এখানে একটি সরল সমীকরণ হলো, মসজিদের ইমাম-খতিবদের বড় অংশ কওমি মাদরাসাকেন্দ্রিক। ফলে তাদের অনেকেই সেবাবে সরাসরি রাজনীতির সঙ্গে জড়িত না হলেও হেফাজতে ইসলামের সঙ্গে কাজ করেন। হেফাজতের কর্মসূচি বাস্তবায়ন করেন। কিন্তু অধিকাংশ ইমামেরই বলার মতো রাজনৈতিক পরিচয় নেই, তারা সরাসরি রাজনীতি করেন না। আর কমিটি নতুন, সুতরাং তাকে বাদ দেওয়া হলে কেউ এর প্রতিবাদে সেভাবে এগিয়ে আসেন না।

যেহেতু নতুন কমিটিতে নানা মতের রাজনৈতিক নেতারা (আগে শুধু আওয়ামী লীগ ছিল) রয়েছেন, এর মাঝে কোনো কোনো কমিটির সদস্যের মিশনই থাকে ইমাম-খতিব পরিবর্তন করা, যেটা সাধারণ রাজনৈতিক নেতার থাকে না। ইতোমধ্যে বেশ কিছু অভিযোগ এসেছে ইমাম-খতিব পরিবর্তনের বিষয়ে। সেই সঙ্গে প্রকাশিত হয়েছে নানা পরিকল্পনার কথা। তাই হেফাজতে ইসলামের নেতৃবৃন্দের কাছে আবেদন, এ বিষয়ে একটি সেল খোলার।

যে সেলে কোনো মসজিদের ইমাম-খতিবকে অন্যায়ভাবে, শুধু শুধু রাজনৈতিক স্বার্থে বিদায় করা হলে অভিযোগ দেওয়ার সুযোগ থাকবে। সেলের সদস্যদের নাম, মোবাইল নম্বর সবার কাছে থাকবে। ওই সেল মসজিদ কমিটির সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি সুরাহা করবে। তাহলে ইমাম-খতিবদের হয়রানি বন্ধ হবে। কেউ ‘মন চাইলো আর ইমাম বদলালাম’ এমন ইচ্ছা বাস্তবায়ন করতে পারবে না। ইমামদের ‘ঘাড় ধাক্কা’ দিয়ে বের করার হুমকি দেওয়ারও সাহস পাবে না। আশা করি, হেফাজত নেতৃবৃন্দ বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে ভাববেন।

লেখক: সিনিয়র সাংবাদিক ও বিশ্লেষক

এমএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ