মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৮ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
‘যারা মসজিদের ক্ষতি করতে চায় তারা নিজেরাই ধ্বংসের মুখে পতিত হয়’ ইমামকে হেনস্তা ও জোরপূর্বক পদত্যাগ করানোর প্রতিবাদে মানববন্ধন মিসরে মুফতি ওয়াজেদ আলীকে সংবর্ধনা, শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় সন্তানদের সন্দেহজনক ওয়েবসাইট থেকে দূরে রাখতে বললেন সৌদি গ্র্যান্ড মুফতি শুক্রবার বাজারে আসছে শায়খ আহমাদুল্লাহর নতুন বই বিকেএম রাজবাড়ী জেলা শাখার মাসিক নির্বাহী বৈঠক অনুষ্ঠিত চাঁদাবাজি-সন্ত্রাস রোধে সরকার সম্পূর্ণ ব্যর্থ: পীর সাহেব চরমোনাই মক্কায় নতুন সড়ক চালু, ওমরাহযাত্রীদের যাতায়াতে সময় কমবে ৯০ শতাংশের বেশি ঠাকুরগাঁও-১ আসনে হাতপাখার প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ‘হাফপ্যান্ট নিয়ে সতর্কতার জবাবে পাল্টা কর্মসূচি সুস্থ প্রতিবাদ নয়’

জুলাই ঘোষণাপত্রে শাপলা গণহত্যার কথা উল্লেখ না থাকায় আশরাফ মাহদীর তীব্র নিন্দা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

ইনজামামুল হক

আজ মানিক মিয়া এভিনিউতে দেয়া জুলাই ঘোষণাপত্রে ২০১৩ সালের শাপলা চত্বর গণহত্যার কথা উল্লেখ না থাকায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক আশরাফ মাহদি।

এক ফেসবুক পোস্টে তিনি এই ঘোষণাপত্রকে “অসম্পূর্ণ” আখ্যা দেন। আশরাফ মাহদি বলেন, “শাপলা না হলে ২৪ এর প্রেক্ষাপট তৈরী হত না। ফ্যাসিবাদের পদধ্বনির বিরুদ্ধে প্রথম লড়াই হয়েছিল শাপলায়।”

তিনি উল্লেখ করেন, গণঅভ্যুত্থানের সময় এবং পরবর্তীতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল শাপলার আবেগকে গুরুত্ব দিয়েছে এবং শাপলায় নিহতদের বিচার চেয়েছে। অথচ আজকের ঘোষণাপত্রে সেই রক্তঝরা অধ্যায়ের কোনো উল্লেখ নেই।

তিনি বলেন, “শাপলায় আমার ভাইদের রক্তকে যে রাষ্ট্র স্বীকৃতি দিতে পারেনা, সে রাষ্ট্র এখনো ফ্যাসিবাদের দাসত্ব থেকে মুক্ত হতে পারেনি।” আশরাফ মাহদির মতে, কালচারাল ফ্যাসিবাদ এখনও সমাজের ওপর সওয়ার।

তিনি আরও বলেন, ২০১৩ থেকে শুরু করে ২০২৪ সালের আন্দোলন পর্যন্ত আলেম-ওলামা ও মাদরাসার ছাত্রদের ভূমিকা ছিল অবিস্মরণীয়। বিশেষ করে চব্বিশের লড়াইয়ে শতাধিক আলেম ও মাদরাসা শিক্ষার্থী শহীদ হয়েছেন। তাই তাদের অবদানের স্বীকৃতি ছাড়া কোনো ঘোষণাপত্র পূর্ণতা পেতে পারে না।

তার এই বক্তব্য ইতোমধ্যেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ