মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৮ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
হাফ প্যান্ট পরার বিষয়ে ইসলামের নির্দেশনা কী? ‘যারা মসজিদের ক্ষতি করতে চায় তারা নিজেরাই ধ্বংসের মুখে পতিত হয়’ ইমামকে হেনস্তা ও জোরপূর্বক পদত্যাগ করানোর প্রতিবাদে মানববন্ধন মিসরে মুফতি ওয়াজেদ আলীকে সংবর্ধনা, শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় সন্তানদের সন্দেহজনক ওয়েবসাইট থেকে দূরে রাখতে বললেন সৌদি গ্র্যান্ড মুফতি শুক্রবার বাজারে আসছে শায়খ আহমাদুল্লাহর নতুন বই বিকেএম রাজবাড়ী জেলা শাখার মাসিক নির্বাহী বৈঠক অনুষ্ঠিত চাঁদাবাজি-সন্ত্রাস রোধে সরকার সম্পূর্ণ ব্যর্থ: পীর সাহেব চরমোনাই মক্কায় নতুন সড়ক চালু, ওমরাহযাত্রীদের যাতায়াতে সময় কমবে ৯০ শতাংশের বেশি ঠাকুরগাঁও-১ আসনে হাতপাখার প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ

কাদেরবিরোধীদের কাউন্সিল আজ, আবার ভাঙনের পথে জাতীয় পার্টি


নিউজ ডেস্ক

নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহীত

দলীয় নেতৃত্ব নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধ ও আদালতের নিষেধাজ্ঞার পর ষষ্ঠবারের মতো ভাঙনের মুখে জাতীয় পার্টি (জাপা)। চেয়ারম্যান জি এম কাদেরের বিরোধীরা আজ শনিবার পৃথক কাউন্সিল আহ্বান করেছেন। তবে কাদেরপন্থি মহাসচিব ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী এ কাউন্সিলকে অবৈধ আখ্যা দিয়েছেন।

১৯৮৬ সালে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের প্রতিষ্ঠিত জাপা তাঁর জীবদ্দশায় চারবার ভাঙে। ২০১৯ সালে কাদেরের নেতৃত্বে আসার পর দলটি আরও একবার বিভক্ত হয়। সর্বশেষ গত বছরের ৭ জানুয়ারির নির্বাচনের পর রওশন এরশাদপন্থিরা পৃথক দল গঠন করেন।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শেখ হাসিনার পতনের পর কাদের অন্তর্বর্তী সরকারকে সমর্থন করলেও ছাত্র নেতৃত্বের আপত্তিতে সরকারি বৈঠক থেকে জাপা বাদ পড়ে। এরপর আওয়ামী লীগপন্থি নেতারা দলীয় গঠনতন্ত্রের ধারা সংশোধনের দাবি তোলেন।

কাদেরপন্থি নেতৃত্ব ২৮ জুন কাউন্সিলের সিদ্ধান্ত নিলেও ভেন্যু সংকটের অজুহাতে তা স্থগিত করেন চেয়ারম্যান। এর পর চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী ঘোষণাকারী আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, মহাসচিব পদপ্রত্যাশী রুহুল আমিন হাওলাদারসহ বেশ কয়েকজন নেতাকে সব পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। এ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা হলে চেয়ারম্যানের সাংগঠনিক দায়িত্ব পালনে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়।

আনিসুল ইসলাম মাহমুদ নিজেকে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান দাবি করে বলেন, এই কাউন্সিল ভাঙন নয়, বরং ঐক্য ও গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ। গঠনতন্ত্রের বিতর্কিত ধারা বাতিল ও যৌথ নেতৃত্বে জাপা পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে। মুজিবুল হক চুন্নু ও রুহুল আমিন হাওলাদারও এই উদ্যোগে যুক্ত আছেন।

শামীম হায়দার পাটোয়ারী বলেন, বহিষ্কৃত নেতারা কাউন্সিল আহ্বান করতে পারেন না; আদালত তাদের বিষয়ে কোনো বাতিলাদেশ দেননি। তাঁর মতে, অতীতে যারা দল ভেঙেছে, তারা খুব ছোট আকারে টিকে থেকেছে।
তিনি আরও বলেন, নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য দেশে এখনো পরিবেশ নেই; সরকারের সদিচ্ছা ও সক্ষমতা দেখা গেলে তবেই জাপা অংশ নেবে।

এসএকে/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ