মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬ ।। ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ২৯ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
‎হানাফি উসুল অমূল্য রত্ন ও ফকিহ সাহাবায়ে কেরামের উত্তরাধিকার কওমি মাদরাসায় কারিগরি প্রশিক্ষণ সম্প্রসারণ বিষয়ে যা বললেন শিক্ষামন্ত্রী এইচএসসির পদার্থবিজ্ঞান প্রশ্নে ত্রুটি: চার শিক্ষককে শোকজ বন্যা দুর্গতদের মাঝে ইসলামী আন্দোলনের ত্রাণ কার্যক্রম অব্যাহত বিকেএম কেন্দুয়া উপজেলা শাখার ৪১ সদস্যের নতুন কমিটি গঠন কাতারের সাবেক আমিরের মৃত্যুতে কাল বাংলাদেশে একদিনের রাষ্ট্রীয় শোক ইকরা হবিগঞ্জের ফল উৎসব উদযাপিত  বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ৬ লাখের বেশি মানুষ, মৃত্যু ৫৪ ফতুল্লায় বাড়িতে গ্যাস–সংযোগ দেওয়ার সময় বিস্ফোরণ, দগ্ধ ৪ শ্রমিক বন্যা দুর্গত দেড় হাজার পরিবারে তাকওয়া চ্যারিটি ফাউন্ডেশনের খাদ্যসামগ্রী বিতরণ

সাহায্যের বিষয়ে পশ্চিমাদের দ্বিধা পুতিনকে সাহসী করছে : জেলেনস্কি

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ফাইল ছবি

ইউক্রেনে রাশিয়ার অভিযান চলছে টানা প্রায় দুই বছর ধরে। রুশ এই আগ্রাসনের শুরু থেকেই দেশটিকে সামরিক ও আর্থিক সহায়তা করে আসছে মিত্ররা। তবে মার্কিন রিপাবলিকানরাসহ পশ্চিমা মিত্রদের অনেকে বেঁকে বসায় সম্প্রতি দেশটির সহায়তা তহবিলে টান পড়েছে।

আর এতেই বেশ সোচ্চার হয়ে উঠেছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছেন, সাহায্যের বিষয়ে পশ্চিমা দেশগুলোর দ্বিধা রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে সাহসী করছে।

বৃহস্পতিবার (১১ জানুয়ারি) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অঘোষিত সফরে লিথুয়ানিয়া গিয়ে ইউক্রেনীয় প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি সতর্ক করে বলেছেন, সাহায্যের বিষয়ে পশ্চিমা দেশগুলোর দ্বিধা রাশিয়াকে উৎসাহিত করছে।

বুধবার জেলেনস্কি লিথুয়ানিয়ান প্রেসিডেন্টকে বলেন, ইউক্রেনকে অবশ্যই তার আকাশ প্রতিরক্ষা শক্তিশালী করতে হবে এবং তার গোলাবারুদের সরবরাহ পুনরায় পূরণ করতে হবে কারণ ইউক্রেনে প্রায় দুই বছরের চলা এই যুদ্ধে ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন হামলা জোরদার করেছে রাশিয়া।

লিথুয়ানিয়ার প্রেসিডেন্ট গিতানাস নওসেদার সাথে আলোচনার পর জেলেনস্কি বলেন, ‘আমরা প্রমাণ করেছি, রাশিয়াকে থামানো যেতে পারে, তাকে (দেশটিকে) প্রতিরোধ করা সম্ভব। তবে কখনও কখনও, ইউক্রেনকে আর্থিক ও সামরিক সহায়তার বিষয়ে অংশীদারদের সিদ্ধান্তহীনতা শুধুমাত্র রাশিয়ার সাহস এবং শক্তি আরও বাড়িয়ে দেয়।’

তিনি আরও বলেন, ‘তিনি (রাশিয়ান প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন) এই যুদ্ধ শেষ করবেন না যতক্ষণ না আমরা সবাই মিলে তাকে শেষ না করি। লিথুয়ানিয়া, লাটভিয়া, এস্তোনিয়া, মলদোভা হতে পারে (রাশিয়ার) পরবর্তী টার্গেট।’

ইউক্রেনের এই প্রেসিডেন্ট এসময় লিথুয়ানিয়াকে তার সামরিক সহায়তা ও শুভেচ্ছার জন্য ধন্যবাদ জানান।

লিথুয়ানিয়ার প্রেসিডেন্ট গিতানাস নওসেদা সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা জানি এই দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধ কতটা ক্লান্তিকর, এবং আমরা যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ইউক্রেনের সম্পূর্ণ বিজয় অর্জনের বিষয়ে আগ্রহী।’

তিনি বলেন, তার দেশ আগামী মাসে কিয়েভে এম৫৭৭ সাঁজোয়া যান পাঠাবে। এটি পূর্বে ঘোষিত ২০০-মিলিয়ন-ইউরোর সামরিক সহায়তা প্যাকেজের অংশ।

এনএ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ