মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারি ২০২৬ ।। ২৮ পৌষ ১৪৩২ ।। ২৪ রজব ১৪৪৭

শিরোনাম :
নির্বাচন ডাকাতি যেন আর কখনো না ঘটতে পারে সেই ব্যবস্থা করতে হবে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়ী হলে আর কখনও রাতের ভোট হবে না: আলী রীয়াজ এবার খামেনির পক্ষে ইরানের রাস্তায় লাখ লাখ মানুষ! কায়কোবাদকে ফের সংসদে দেখতে চায় মুরাদনগর উপজেলা জমিয়ত ‘তিন ভাই মিলে খুন করলেন কেন?’ বিস্মিত বিচারকের প্রশ্ন ‘মোশাররফ ঠাকুরের বক্তব্য অবমাননাকর, তাকে ক্ষমা চাইতে হবে’ নানুপুর মাদরাসার খতমে বুখারি ও দোয়া মাহফিল ১৬ জানুয়ারি ট্রেনের ধাক্কায় দুমড়ে-মুচড়ে গেল পিকআপ ভ্যান, দুই ভাইসহ নিহত ৩ ‘নিকাব নিয়ে কুরুচিপূর্ণ বক্তব্যে মোশাররফ ঠাকুরকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে’ ভারতে পৌঁছালেন তালেবান-নিযুক্ত প্রথম কূটনীতিক, দিল্লি দূতাবাসে তোড়জোড়

সিরিয়ায় আসাদের পতনের শঙ্কা, সেনাদের সরিয়ে নিচ্ছে ইরান

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

উত্তর-দক্ষিণ থেকে শহর দখল করতে করতে সিরিয়ার রাজধানী দামেস্কের দিকে এগুচ্ছে ক্ষমতাসীন বাশার আল আসাদ সরকার বিরোধীরা। দক্ষিণে দারা ও উত্তরে হামার পর গুরুত্বপূর্ণ হোমস শহর দখলের চেষ্টা করছে বিদ্রোহীরা। এদিকে আসাদের সম্ভাব্য পতন আশঙ্কা করে সিরিয়া থেকে সেনা কর্মকর্তা ও নাগরিকদের সরিয়ে নিচ্ছে ইরান।

আঞ্চলিক কয়েকজন কর্মকর্তা ও অন্তত তিনজন ইরানি কর্মকর্তার বরাতে শুক্রবার এ খবর জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য নিউইয়র্ক টাইমস।

কর্মকর্তারা জানান, সিরিয়া থেকে প্রতিবেশি ইরাক ও লেবাননে সরিয়ে নেওয়া সেনাসদস্যদের মধ্যে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরকে (আইআরজিসি) আওতাধীন কুদস ফোর্সের শীর্ষ কমান্ডাররা রয়েছেন।

ইরানের এ পদক্ষেপ বাশার আল-আসাদের জন্য তেহরানের নীতিতে উল্লেখযোগ্য বাঁকবদলের ইঙ্গিত দিচ্ছে। কেননা, সিরিয়ায় আসাদ সরকারের অন্যতম মিত্র হিসেবে বিবেচনা করা হয় ইরানকে। এক দশকের বেশি সময় ধরে চলা সিরীয় গৃহযুদ্ধে আসাদের পাশে দাঁড়িয়েছে তেহরান।

কুদস ফোর্সের সেনাদের পাশাপাশি সিরিয়া থেকে নিজেদের বেশ কিছু কূটনৈতিক কর্মী, তাদের পরিবারের সদস্য ও বেসামরিক ইরানিদের সরিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র নিশ্চিত করেছে।

রাশিয়ার পাশাপাশি ইরানও বাশার আল-আসাদের সিরীয় সরকারের অন্যতম শক্তিশালী সমর্থক, ঘনিষ্ঠ মিত্র।

এদিকে সিরিয়ার সেনাবাহিনী যদি সম্পূর্ণ ভেঙে পড়ে, তবে ইরান ও হিজবুল্লাহ সিরিয়ায় তাদের অবস্থান শক্তিশালী করতে পারে। এ বিষয়ে ইসরায়েল যুক্তরাষ্ট্রকে তাদের উদ্বেগ জানিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের এক কর্মকর্তা বলেছেন, ইসরায়েল দুটি সম্ভাবনার বিষয়ে শঙ্কিত—একদিকে সিরিয়ার ইসলামপন্থি শাসন এবং অন্যদিকে ইরানের প্রভাব বৃদ্ধি।

ইসরায়েলের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেছেন, আমরা চাই সিরিয়ার বিদ্রোহী এবং সরকারপক্ষ পরস্পরকে দুর্বল করুক। তবে আমরা সরাসরি কোনও পক্ষের সঙ্গে জড়িত হব না।

সূত্র: টাইমস অব ইসরায়েল

এনএ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ