মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারি ২০২৬ ।। ২৯ পৌষ ১৪৩২ ।। ২৪ রজব ১৪৪৭

শিরোনাম :
নির্বাচন ডাকাতি যেন আর কখনো না ঘটতে পারে সেই ব্যবস্থা করতে হবে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়ী হলে আর কখনও রাতের ভোট হবে না: আলী রীয়াজ এবার খামেনির পক্ষে ইরানের রাস্তায় লাখ লাখ মানুষ! কায়কোবাদকে ফের সংসদে দেখতে চায় মুরাদনগর উপজেলা জমিয়ত ‘তিন ভাই মিলে খুন করলেন কেন?’ বিস্মিত বিচারকের প্রশ্ন ‘মোশাররফ ঠাকুরের বক্তব্য অবমাননাকর, তাকে ক্ষমা চাইতে হবে’ নানুপুর মাদরাসার খতমে বুখারি ও দোয়া মাহফিল ১৬ জানুয়ারি ট্রেনের ধাক্কায় দুমড়ে-মুচড়ে গেল পিকআপ ভ্যান, দুই ভাইসহ নিহত ৩ ‘নিকাব নিয়ে কুরুচিপূর্ণ বক্তব্যে মোশাররফ ঠাকুরকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে’ ভারতে পৌঁছালেন তালেবান-নিযুক্ত প্রথম কূটনীতিক, দিল্লি দূতাবাসে তোড়জোড়

ইসরায়েলি ট্যাঙ্ক-হেলিকপ্টারে হামাসের হামলা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগ্রহিত

হামাসের সামরিক শাখা কাসেম ব্রিগেড জানিয়েছে, তারা গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি বাহিনীর চারটি মারকেভা ট্যাঙ্ক এবং হেলিকপ্টারে হামলা চালিয়েছে। এছাড়া জাবালিয়া এলাকায়ও হামলা চালানো হয়েছে। খবর আল জাজিরার।

এক বিবৃতিতে কাসেম ব্রিগেড দাবি করেছে যে, তারা একটি ইসরায়েল হেলিকপ্টারের দিকে রকেট দিয়ে হামলা চালিয়েছে।

এর আগে গাজার দক্ষিণাঞ্চলীয় খান ইউনিসের কাছে একটি যানবাহনে হামলা চালায় ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী। এতে কমপক্ষে পাঁচজন নিহত হয়। 
বেশ কিছু ফুটেজ থেকে ধারণা করা হচ্ছে যে, ইসরায়েলি বাহিনী ড্রোন হামলা চালিয়েছে।

এদিকে অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় গত দুদিনে ইসরায়েলি বাহিনীর বিমান হামলায় কমপক্ষে ১৫০ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। সেখানে আরও তীব্র হামলা চালানো হচ্ছে। 
শুক্রবার ( ৩ জানুয়ারি ) কমপক্ষে ৭৩ ফিলিস্তিনি এবং বৃহস্পতিবার আরও ৭৭ ফিলিস্তিনি প্রাণ হারিয়েছে।

জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক প্রধান ভলকার তুর্ক বলেছেন, গাজার ২৭টি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ১৩৬টি ইসরায়েলি হামলা রেকর্ড করা হয়েছে। এর ফলে সেখানে ধ্বংসস্তূপ তৈরি হয়েছে এবং বহু মানুষ প্রাণ হারিয়েছে। 
এক বছরের বেশি সময় ধরে গাজায় ইসরায়েলি হামলায় ৪৫ হাজার ৬৫৮ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। এছাড়া আহত হয়েছে আরও ১ লাখ ৮ হাজার ৫৮৩ জন।

এর আগে গাজার খান ইউনুসের কাছে আল-মাওয়াসি নামক এক তথাকথিত ‘মানবিক অঞ্চল’-এ ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় পাঁচ শিশুর মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে ইউনিসেফ।

নিহতদের মধ্যে তিনজন ছেলে ও দুইজন মেয়ে ছিল। তাদের বয়স সাত থেকে ১৩ বছরের মধ্যে। এই ঘটনায় আরও অনেকে আহত হয়েছেন। 
এক বিবৃতিতে ইউনিসেফ বলেছে, শিশুদের জন্য এখন কোনো জায়গাই নিরাপদ নয়-না বোমা থেকে, না ঠান্ডা, রোগ বা ক্ষুধা থেকে। এই ধ্বংসযজ্ঞ অবশ্যই বন্ধ করতে হবে।

বিনু/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ