রবিবার, ৩০ আগস্ট ২০২৬ ।। ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ১৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
৬ মাসে কোনো গুম বা বিচার বহির্ভূত হত্যা হয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নির্যাতন, তবু অবিচল ঈমান ‘বাতিলের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় যুব জমিয়তকে সঠিকভাবে টিকে থাকতে হবে’ ‘অস্বাভাবিকভাবে’ পানি বাড়ায় খুলে দেওয়া হলো কাপ্তাই বাঁধের ১৬ জলকপাট ‘‎নিজেদের ব্যর্থতার দায় অতীতের উপর চাপানোর সংস্কৃতি থেকে বের হতে হবে’ নারায়ণগঞ্জে সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদারে জমিয়তের মুজাকারা বৈঠক জামিয়া ইউনুছিয়ার শিক্ষকদের সঙ্গে এনসিপি নেতাদের সৌজন্য সাক্ষাৎ ইসলামী আন্দোলন ঢাকা মহানগর উত্তর কমিটিতে রয়েছেন যারা দেশের ৬ অঞ্চলে ঝড়ের আভাস সোনারগাঁওয়ের গণঐক্যই ছিল ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে রক্ষাকবচ: আমিরে মজলিস

ইসরায়েলি ট্যাঙ্ক-হেলিকপ্টারে হামাসের হামলা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগ্রহিত

হামাসের সামরিক শাখা কাসেম ব্রিগেড জানিয়েছে, তারা গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি বাহিনীর চারটি মারকেভা ট্যাঙ্ক এবং হেলিকপ্টারে হামলা চালিয়েছে। এছাড়া জাবালিয়া এলাকায়ও হামলা চালানো হয়েছে। খবর আল জাজিরার।

এক বিবৃতিতে কাসেম ব্রিগেড দাবি করেছে যে, তারা একটি ইসরায়েল হেলিকপ্টারের দিকে রকেট দিয়ে হামলা চালিয়েছে।

এর আগে গাজার দক্ষিণাঞ্চলীয় খান ইউনিসের কাছে একটি যানবাহনে হামলা চালায় ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী। এতে কমপক্ষে পাঁচজন নিহত হয়। 
বেশ কিছু ফুটেজ থেকে ধারণা করা হচ্ছে যে, ইসরায়েলি বাহিনী ড্রোন হামলা চালিয়েছে।

এদিকে অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় গত দুদিনে ইসরায়েলি বাহিনীর বিমান হামলায় কমপক্ষে ১৫০ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। সেখানে আরও তীব্র হামলা চালানো হচ্ছে। 
শুক্রবার ( ৩ জানুয়ারি ) কমপক্ষে ৭৩ ফিলিস্তিনি এবং বৃহস্পতিবার আরও ৭৭ ফিলিস্তিনি প্রাণ হারিয়েছে।

জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক প্রধান ভলকার তুর্ক বলেছেন, গাজার ২৭টি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ১৩৬টি ইসরায়েলি হামলা রেকর্ড করা হয়েছে। এর ফলে সেখানে ধ্বংসস্তূপ তৈরি হয়েছে এবং বহু মানুষ প্রাণ হারিয়েছে। 
এক বছরের বেশি সময় ধরে গাজায় ইসরায়েলি হামলায় ৪৫ হাজার ৬৫৮ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। এছাড়া আহত হয়েছে আরও ১ লাখ ৮ হাজার ৫৮৩ জন।

এর আগে গাজার খান ইউনুসের কাছে আল-মাওয়াসি নামক এক তথাকথিত ‘মানবিক অঞ্চল’-এ ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় পাঁচ শিশুর মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে ইউনিসেফ।

নিহতদের মধ্যে তিনজন ছেলে ও দুইজন মেয়ে ছিল। তাদের বয়স সাত থেকে ১৩ বছরের মধ্যে। এই ঘটনায় আরও অনেকে আহত হয়েছেন। 
এক বিবৃতিতে ইউনিসেফ বলেছে, শিশুদের জন্য এখন কোনো জায়গাই নিরাপদ নয়-না বোমা থেকে, না ঠান্ডা, রোগ বা ক্ষুধা থেকে। এই ধ্বংসযজ্ঞ অবশ্যই বন্ধ করতে হবে।

বিনু/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ