রবিবার, ৩০ আগস্ট ২০২৬ ।। ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ১৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
৬ মাসে কোনো গুম বা বিচার বহির্ভূত হত্যা হয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নির্যাতন, তবু অবিচল ঈমান ‘বাতিলের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় যুব জমিয়তকে সঠিকভাবে টিকে থাকতে হবে’ ‘অস্বাভাবিকভাবে’ পানি বাড়ায় খুলে দেওয়া হলো কাপ্তাই বাঁধের ১৬ জলকপাট ‘‎নিজেদের ব্যর্থতার দায় অতীতের উপর চাপানোর সংস্কৃতি থেকে বের হতে হবে’ নারায়ণগঞ্জে সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদারে জমিয়তের মুজাকারা বৈঠক জামিয়া ইউনুছিয়ার শিক্ষকদের সঙ্গে এনসিপি নেতাদের সৌজন্য সাক্ষাৎ ইসলামী আন্দোলন ঢাকা মহানগর উত্তর কমিটিতে রয়েছেন যারা দেশের ৬ অঞ্চলে ঝড়ের আভাস সোনারগাঁওয়ের গণঐক্যই ছিল ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে রক্ষাকবচ: আমিরে মজলিস

গাজায় ইসরায়েলের বিমান হামলায় একই পরিবারের ১১ জন নিহত

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

ফিলিস্তিনের গাজায় ইসরায়েলের বিমান হামলায় একই পরিবারের ১১ জন নিহত হয়েছেন। শনিবার ভোরে আল-গোউলা নামের এক বাড়িতে এই হামলা চালানো হয়। নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে সাতজনই শিশু। গাজার বেসামরিক প্রতিরক্ষা সংস্থা এসব তথ্য জানিয়েছে।

এএফপির তোলা ছবিতে দেখা গেছে, গাজা নগরীর শুজাইয়া এলাকার বাসিন্দারা আল-গোউলা পরিবারের বাড়িটির ধ্বংসস্তূপের মধ্যে উদ্ধারকাজ চালাচ্ছেন। মাটির ওপর সাদা কাপড় দিয়ে ঢেকে রাখা হয়েছে শিশুসহ নিহত ব্যক্তিদের মরদেহ। বেসামরিক প্রতিরক্ষা সংস্থার মুখপাত্র মাহমুদ বাসাল বলেন, হামলায় বাড়িটি পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে। ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনো অনেকে আটকা রয়েছেন।

এদিকে দক্ষিণ গাজার খান ইউনিসে যাওয়ার পথে মানবিক সহায়তা বহরের সঙ্গে থাকা পাঁচজন নিরাপত্তা কর্মকর্তাও ইসরায়েলের হামলায় নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে স্থানীয় বেসামরিক প্রতিরক্ষা সংস্থা। মাহমুদ বাসাল বলেন, ইসরায়েল ইচ্ছাকৃতভাবে তাদের ওপর হামলা চালাচ্ছে, যেন মানবিক সহায়তার ওপর প্রভাব পড়ে এবং মানুষের দুর্ভোগ বাড়ে।

এর বাইরে গাজার বিভিন্ন স্থানে আরও ১০ জন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বিগত ৪৮ ঘণ্টায় উপত্যকাটিতে মোট ১৩৬ জন মারা গেছেন।

এ নিয়ে ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে ইসরায়েলের হামলায় গাজায় অন্তত ৪৫ হাজার ৭১৭ জনের মৃত্যু হলো। তাদের বেশির ভাগই নারী ও শিশু।

এদিকে কাতারের রাজধানী দোহাতে প্রায় ১৫ মাস ধরে চলা এই যুদ্ধে একটি যুদ্ধবিরতি নিয়ে পরোক্ষ আলোচনা চলছে। শুক্রবার হামাস জানায়, আলোচনা আবার শুরু হয়েছে এবং তারা একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে অঙ্গীকারবদ্ধ। তারা ভুল তথ্যের বিরুদ্ধে সতর্ক করে দেয় যেহেতু তা জনগণের আস্থা নষ্ট করতে পারে।

হামাস ধ্বংস না হওয়া পর্যন্ত ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু গাজায় আরও যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার করায় যুক্তরাষ্ট্র, কাতার এবং মিশরের মধ্যস্থতায় আলোচনা বারবার স্থবির হয়ে পড়েছে। হামাসের যোদ্ধারা গাজা থেকে ইসরায়েলি বাহিনী পুরোপুরি বের করে আনার পক্ষে এবং তারা ইসরায়েলি বাহিনী প্রত্যাহার করে নেওয়া অঞ্চলগুলিতে পুনরায় সংগঠন অব্যাহত রেখেছে।

কেএল/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ