মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারি ২০২৬ ।। ২৯ পৌষ ১৪৩২ ।। ২৪ রজব ১৪৪৭

শিরোনাম :
নির্বাচন ডাকাতি যেন আর কখনো না ঘটতে পারে সেই ব্যবস্থা করতে হবে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়ী হলে আর কখনও রাতের ভোট হবে না: আলী রীয়াজ এবার খামেনির পক্ষে ইরানের রাস্তায় লাখ লাখ মানুষ! কায়কোবাদকে ফের সংসদে দেখতে চায় মুরাদনগর উপজেলা জমিয়ত ‘তিন ভাই মিলে খুন করলেন কেন?’ বিস্মিত বিচারকের প্রশ্ন ‘মোশাররফ ঠাকুরের বক্তব্য অবমাননাকর, তাকে ক্ষমা চাইতে হবে’ নানুপুর মাদরাসার খতমে বুখারি ও দোয়া মাহফিল ১৬ জানুয়ারি ট্রেনের ধাক্কায় দুমড়ে-মুচড়ে গেল পিকআপ ভ্যান, দুই ভাইসহ নিহত ৩ ‘নিকাব নিয়ে কুরুচিপূর্ণ বক্তব্যে মোশাররফ ঠাকুরকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে’ ভারতে পৌঁছালেন তালেবান-নিযুক্ত প্রথম কূটনীতিক, দিল্লি দূতাবাসে তোড়জোড়

ইসরাইলের হামলায় গাজায় নিহত আরও ৮৮

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় ইসরাইলের অব্যাহত বর্বর হামলায় আরও ৮৮ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এর ফলে ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে চলমান এই হামলায় নিহতের মোট সংখ্যা ৪৫ হাজার ৮০৫ জনে পৌঁছেছে। আহত হয়েছেন আরও লক্ষাধিক মানুষ। রোববার (৫ জানুয়ারি) একটি প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা আনাদোলু। 

গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইসরাইলি বাহিনীর অবিরাম আক্রমণে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮৮ জন নিহত এবং ২০৮ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে অনেকের অবস্থা আশঙ্কাজনক। এছাড়া বহু মানুষ এখনও ধ্বংসস্তূপের নিচে এবং রাস্তায় আটকা পড়ে রয়েছেন। উদ্ধারকারীরা সেখানে পৌঁছানোর চেষ্টা করলেও কাজটি অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে আরও জানানো হয়েছে, গাজার ধ্বংস হওয়া বাড়িগুলোর ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনও অন্তত ১০ হাজার মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের যুদ্ধবিরতির দাবি সত্ত্বেও ইসরাইল তার আক্রমণ বন্ধ করেনি। বরং গাজায় ইসরাইলের নৃশংস অভিযান অব্যাহত রয়েছে। 

৭ অক্টোবর হামাসের নজিরবিহীন আন্তঃসীমান্ত হামলার পর থেকেই ইসরাইল গাজা উপত্যকায় আকাশ ও স্থল হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। এই আক্রমণে হাসপাতাল, স্কুল, শরণার্থী শিবির, মসজিদ, গির্জাসহ হাজার হাজার স্থাপনা ধ্বংস হয়েছে। গাজায় প্রায় ২০ লাখ মানুষ তাদের বাড়িঘর ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন। 

জাতিসংঘের তথ্য, ইসরাইলের আক্রমণের কারণে গাজার প্রায় ৮৫ শতাংশ বাসিন্দা বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি ও ওষুধের চরম সংকটে থাকা গাজাবাসীরা বর্তমানে চরম মানবিক সংকটে ভুগছেন। অবরুদ্ধ এই অঞ্চলের ৬০ শতাংশ অবকাঠামো ইতোমধ্যেই ধ্বংস বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। 

কেএল/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ