সোমবার, ৩১ আগস্ট ২০২৬ ।। ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ১৮ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
অভিনয় ছেড়ে ধর্মকর্মে ঝুঁকেছেন দুই অভিনেত্রী! মোহাম্মদপুর পূর্ব থানা কমিটি গঠন উপলক্ষে বিকেএমের দায়িত্বশীল সভা মসজিদে নববীর ধর্মীয় বিষয়ক উপপ্রধানের হাতে কুরআন প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের সম্মাননা স্থানীয় সরকার নির্বাচনের চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ আজ নেপালে টানেলে আটকে থাকাদের উদ্ধারে কাজ করছে ১০ হাজার সেনা সদস্য শিশু আছিয়া হত্যা মামলায় হাইকোর্টের রায় আজ মাগুরার শ্রীপুরে জমিয়তের ১৫ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি গঠন সংস্কৃতিচর্চার অধিকার আছে কিন্তু ধর্মচর্চার অধিকার কই? মক্কার জাদুঘরে নবম শতাব্দীর বিরল কুরআনের পাণ্ডুলিপি আরএসএস প্রধানের বক্তব্যের তীব্র সমালোচনা ওয়াইসির

গাজায় যুদ্ধ বন্ধের নিশ্চয়তা দিতে হবে: ইসরাইলকে হামাস

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মিসরে হামাস ও ইসরাইলের মধ্যে দ্বিতীয় দিনের পরোক্ষ আলোচনা শেষ হয়েছে। হামাসের কর্মকর্তারা বলেছেন, তারা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ২০-দফা পরিকল্পনার অংশ হিসেবে গাজায় যুদ্ধ অবসান ও ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড থেকে ইসরাইলি বাহিনীর প্রত্যাহারের নিশ্চয়তা চান। হামাসের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা ফাওজি বারহুম বলেন, তাদের আলোচকরা যুদ্ধের সমাপ্তি এবং গাজা থেকে ‘দখলদার ইসরায়েলি বাহিনীর সম্পূর্ণ প্রত্যাহার’ চাইছেন। তবে ট্রাম্পের পরিকল্পনায় ইসরাইলি সেনাদের প্রত্যাহারের বিষয়ে অস্পষ্টতা রয়েছে। 


মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) গাজায় ইসরাইলি আগ্রাসনের দুই বছর পূর্ণ হয়েছে। মিসরের শার্ম আল-শেখ শহরে দ্বিতীয় দিনের আলোচনা শেষ হওয়ার পর হোয়াইট হাউসে বক্তব্য দিতে গিয়ে ট্রাম্প বলেছেন, গাজা চুক্তির ‘প্রকৃত সম্ভাবনা’ রয়েছে।

আজ বুধবারও আলোচনার ধারা অব্যাহত থাকবে। এতে যুক্ত হতে যাচ্ছেন কাতার ও যুক্তরাষ্ট্রের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা।

মঙ্গলবার দিনের শুরুতে হামাসসহ ফিলিস্তিনের অন্যান্য গোষ্ঠীগুলো এক যৌথ বিবৃতিতে জানিয়েছে, তারা ‘সব উপায়ে প্রতিরোধ অব্যাহত রাখবে। এতে জোর দিয়ে বলা হয়েছে, ‘কারো ফিলিস্তিনি জনগণের অস্ত্র ছেড়ে দেয়ার অধিকার নেই’। এটি ট্রাম্পের পরিকল্পনায় অন্তর্ভুক্ত সশস্ত্র গোষ্ঠীর নিরস্ত্রীকরণের দাবির প্রতি স্পষ্ট ইঙ্গিত।

এদিকে হামাসের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা ফাওজি বারহুম বলেন, তাদের আলোচকরা যুদ্ধের অবসান ও গাজা থেকে ‘দখলদার সেনাবাহিনীর সম্পূর্ণ প্রত্যাহার’ চাইছেন। তবে ট্রাম্পের পরিকল্পনায় ইসরাইলি সেনাদের প্রত্যাহারের বিষয়ে অস্পষ্টতা রয়েছে। পর্যায়ক্রমে সেনা প্রত্যাহারের জন্য কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা দেয়া হয়নি।

অন্যদিকে মঙ্গলবারের আলোচনার পর নাম প্রকাশ না করার শর্তে হামাসের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন, তারা পণবন্দীদের ধাপে ধাপে মুক্তি দিতে চায়, যা ইসরাইলি সেনা প্রত্যাহারের অগ্রগতির সাথে যুক্ত থাকবে।

তিনি বলেন, মঙ্গলবার ইসরাইলি পণবন্দীদের মুক্তির সময়সূচী ও সেনাবাহিনী প্রত্যাহারের মানচিত্র নিয়ে আলোচনায় হয়েছিল। এতে হামাস জোর দিয়ে বলেছে, শেষ পণবন্দী মুক্তির সময়ই ইসরাইলকে সম্পূর্ণ সেনা প্রত্যাহার করতে হবে।

মিসরের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন আল কাহেরা নিউজের মতে, হামাসের শীর্ষ আলোচক খলিল আল-হাইয়া বলেন, তাদের দল ‘দখলদারদের এক সেকেন্ডের জন্যও বিশ্বাস করে না’। হামাস ‘প্রকৃত নিশ্চয়তা’ চায় যে যুদ্ধ শেষ হবে এবং নতুন করে আবার শুরু হবে না। এ সময় তিনি গাজা যুদ্ধে ইসরাইলের বিরুদ্ধে আগের দুটি যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগ তোলেন।

ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর দক্ষিণ ইসরাইলে হামাসের নেতৃত্বাধীন আক্রমণের দুই বছর পূর্তিতে একটি বিবৃতি প্রকাশ করেন। বিবৃতিতে তিনি গত দুই বছরের সংঘাতকে ‘আমাদের অস্তিত্ব ও ভবিষ্যতের জন্য যুদ্ধ’ বলে অভিহিত করেন।

যুদ্ধবিরতি আলোচনার দিকে সরাসরি ইঙ্গিত না করেই তিনি বলেন, ইসরাইল যুদ্ধের সব লক্ষ্য অর্জনের জন্য কাজ চালিয়ে যাবে- সব পণবন্দীদের ফিরিয়ে আনা, হামাসের শাসনের অবসান ঘটানো এবং গাজা যাতে আর ইসরাইলের জন্য হুমকি না হয় তা নিশ্চিত করা।

সূত্র : আল জাজিরা

এলএইস/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ