মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬ ।। ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ২৯ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
মাদরাসার বৈদ্যুতিক বোর্ডে বিস্ফোরণ, দগ্ধ ৫ শিক্ষার্থী চট্টগ্রাম–কক্সবাজারে বন্যা দুর্গতদের মধ্যে আমিরে মজলিসের ত্রাণ বিতরণ ইসলামোফোবিয়া মোকাবিলায় রাবেতার সঙ্গে কাজ করবে পাকিস্তান দুর্নীতি ও অদক্ষতার কারণেই প্রধান শহরগুলো ডুবছে: পীর সাহেব চরমোনাই উচ্চারণ ও উপস্থাপনা কোর্সে ১০০ জন মাদরাসা শিক্ষার্থী পাবেন বিশেষ স্কলারশিপ মসজিদে নববিতে বিশেষ দারস দেবেন শায়খ আস-সুদাইস বন্যায় এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিতের আহ্বান আমিরে মজলিসের খুলনা বিভাগীয় কওমি মাদরাসা পরিষদের নেতৃত্বে মাওলানা মুশতাক ও নাসীরুল্লাহ বন্যার পানিতে ডুবে পটিয়া মাদরাসার শিক্ষার্থীর মৃত্যু মডেল মসজিদ প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ তদন্তের নির্দেশ

কখন যুদ্ধ থামবে জানালেন ইরানের প্রেসিডেন্ট 

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহিত

ইরানের জাতীয় স্বার্থ রক্ষা ও জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত হলেই কেবল যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ শেষ হবে বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান।

গতকাল সোমবার (৩০ মার্চ) মন্ত্রিসভার এক বৈঠকে প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান বলেন, যুদ্ধের শুরু থেকে আমাদের সামরিক বাহিনী যে প্রতিরোধ এবং সাধারণ ইরানি জনগণ যে ঐক্য দেখিয়েছে— তা আমাদের সবচেয়ে বড় অর্জন। খবর আনাদোলু এজেন্সির।

আমার বিশ্বাস, সামরিক বাহিনী এবং জনসাধারণের এই দেশপ্রেমিক অবস্থান নিকট ভবিষ্যতে যাবতীয় কঠিন পরিস্থিতি কাটিয়ে উঠতে আমাদের জন্য সহায়ক হবে।

আরও পড়ুন: যুক্তরাষ্ট্রকে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ‘দুর্বৃত্ত রাষ্ট্র’ বললেন হামিদ মীর

ইরান যুদ্ধ চায় না। আমরা এ যুদ্ধ শুরু করিনি। কিন্তু এখন এই যুদ্ধ যদি থামাতে হয়— তাহলে অবশ্যই ইরানের জাতীয় স্বার্থের সুরক্ষা ও জনগণের নিরাপত্তার নিশ্চয়তা দিতে হবে।

ইরানের পরমাণু প্রকল্প এবং ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি গত দু’যুগ ধরে দেশটির সঙ্গে দ্বন্দ্ব চলছে পশ্চিমা বিশ্বের। এ দুই ইস্যুতে গত ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ২১ দিন ধরে সংলাপ চলে তেহরান এবং ওয়াশিংটনের মধ্যে। ২৭ ফেব্রুয়ারি কোনো প্রকার সমঝোতা চুক্তি ছাড়াই শেষ হয় সেই সংলাপ।

তার পরের দিন ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শুরু করে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী। ওয়াশিংটনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে একই সময়ে ইরানে সামরিক অভিযান ‘অপারেশন রোরিং লায়ন’ শুরু করে ইসরায়েলও।

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের অভিযানের প্রথম দিনই নিহত হন আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিসহ ইরানের সামরিক ও সরকারি প্রশাসনের বেশ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তা।

সমানতালে হামলার পাল্টা জবাব দিচ্ছে ইরানও। যুদ্ধের শুরু থেকেই ইসরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় অঞ্চলের ৬ দেশ সৌদি আরব, কাতার, কুয়েত, বাহরাইন, সংযুক্তর আরব আমিরাত, ওমানে অবস্থিত মার্কিন সেনাঘাঁটি ও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা লক্ষ্য করে দফায় দফায় ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা শুরু করে ইরান, যা এখনও চলছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত ইরানে নিহত হয়েছেন মোট ১ হাজার ৩৪০ জন।

আইও/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ