বুধবার, ২৭ মে ২০২৬ ।। ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ১০ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কে ৪৫ কিলোমিটার যানজট ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক: ট্রাম্পের আহ্বান নাকচ করল সৌদি ও পাকিস্তান দুপুরের মধ্যে ৭ অঞ্চলে ৮০ কিমি বেগে ঝড়ের পূর্বাভাস ‘সাধারণ আলেম সমাজ’-এর ৭১ সদস্যের কমিটিতে যারা স্থান পেলেন সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যে ঈদুল আজহা আজ কালশি বস্তির অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনে বিকেএম নেতৃবৃন্দ দেশবাসী ও মুসলিম উম্মাহকে খেলাফত মজলিসের পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা কুরবানি: গ্রামীণ অর্থনীতির মৌসুমি প্রাণশক্তি ভোলায় কালবৈশাখী ঝড়ে উড়ে গেল দাখিল মাদ্রাসার টিনের চাল এশিয়ার সেরা ১০০ বিজ্ঞানীর তালিকায় বিআরএফের আব্বাস উদ্দিন শায়ক

হরমুজ প্রণালি থেকে টোল আদায় করবে ইরান ও ওমান

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহিত

অবশেষে শর্তসাপেক্ষে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। যুদ্ধবিরতি আলোচনায় মধ্যস্থতা করেছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফ। 

যুদ্ধবিরতি চলাকালীন কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী জাহাজগুলো থেকে ট্রানজিট ফি আদায়ের পরিকল্পনা করছে ইরান ও ওমান। ইরানের আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা তাসনিম নিউজ এজেন্সির সূত্র দিয়ে এ খবর দিয়েছে সিএনএন।

আরও পড়ুন: হরমুজ প্রণালি খুলে দিচ্ছে ইরান

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দুই সপ্তাহের জন্য ঘোষিত এই যুদ্ধবিরতি চলাকালে এই নৌপথ ব্যবহারকারী বাণিজ্যিক জাহাজগুলোর ওপর নির্দিষ্ট হারে ফি আরোপের বিষয়ে দেশ দুটি একমত হয়েছে।

ইরান গণমাধ্যম তাসনিম নিউজ জানিয়েছে, জাহাজ চলাচল থেকে সংগৃহীত এই অর্থ পুনর্গঠন কাজের জন্য বরাদ্দ করা হবে। 

আরও পড়ুন: মধ্যস্থতার নামে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করছে পাকিস্তান: মাওলানা ফজলুর রহমান

উল্লেখ্য, যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথটি কার্যত বন্ধ রয়েছে। সমুদ্রপথে পণ্য পরিবহন ট্র্যাকিং তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধপূর্ব সময়ের তুলনায় বর্তমানে এই রুট দিয়ে মাত্র ৫ শতাংশ জাহাজ চলাচল করছে। তবে কিছু তেলবাহী ট্যাঙ্কার এই পথ ব্যবহার করতে সক্ষম হয়েছে; উদাহরণস্বরূপ, পাকিস্তান ও ভারত তাদের পতাকাবাহী জাহাজগুলোর নিরাপদ চলাচলের জন্য ইরানের সাথে আলোচনার মাধ্যমে বিশেষ নিশ্চয়তা আদায় করে নিয়েছে।

আরও পড়ুন: নিশ্চিহ্ন করে দেওয়ার হুমকির পর ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতিতে ট্রাম্প
 

হরমুজ প্রণালি দিয়ে পারাপারের জন্য প্রতিটি জাহাজ থেকে ইরান ২০ লাখ ডলার (প্রায় ২৪ কোটি টাকা) পর্যন্ত ফি দাবি করছে বলে তথ্য রয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো জাহাজ পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান বা কোম্পানি এই বিশাল অংকের অর্থ পরিশোধ করেছে কি না, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

জেডএম/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ