শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬ ।। ৩১ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ৫ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
৩০ পেরিয়েছেন? সুস্থ থাকতে গড়ে তুলুন ৭ অভ্যাস জমজমের বরকতে দৃষ্টিশক্তি ফিরে পাওয়ার এক বিস্ময়কর অভিজ্ঞতা দেশমাতৃকা উলামায়ে কেরামের নির্দেশনার অপেক্ষায় আছে: মুফতি আবুল হাসান এমপি দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী হাফেজদের মধ্যে ব্রেইল কুরআন ও সাদাছড়ি বিতরণ দেশে ফিরেছেন সৌদি আরবে আটকে পড়া ৫০ ওমরাহযাত্রী মাওলানা নূরুল হক রহ.-এর কবর জিয়ারত করলেন খেলাফত মজলিস আমির ঢাবির গবেষকদের ‘স্মার্ট ফাঁদে’ শনাক্ত হবে এডিস মশার বিস্তার দুর্নীতির বিরুদ্ধে তরুণদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান ডেপুটি স্পিকারের ভারত থেকে কেনা ২০০ রেলকোচের প্রথম ১৮টি দেশে পৌঁছেছে মোটরসাইকেল চালকদের জন্য জরুরি নির্দেশনা জারি

গাজায় ১০ যুগলের বিয়েতে হাফেজ্জী হুজুর (রহ.) সেবা ফাউন্ডেশনের সহায়তা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজা আজ ধ্বংসস্তূপে পরিণত। অব্যাহত হামলায় ঘরবাড়ি, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যব্যবস্থার পাশাপাশি বিপর্যস্ত হয়েছে মানুষের স্বাভাবিক জীবন। তবুও থেমে নেই জীবনের পথচলা। মৃত্যুর মিছিলের মাঝেও নতুন জীবনের স্বপ্ন বুনছেন গাজার মানুষ।

সম্প্রতি হাফেজ্জী হুজুর (রহ.) সেবা ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মাওলানা মুহাম্মদ রজীবুল হকের মোবাইলে গাজা থেকে একের পর এক ছবি এসে পৌঁছায়। ছবিগুলো ছিল ধ্বংসস্তূপের মাঝখানে অনুষ্ঠিত ১০টি নবদম্পতির বিয়ের। যুদ্ধের ভয়াবহতার মধ্যেও খোলা আকাশের নিচে সম্পন্ন হয় এই ব্যতিক্রমী আয়োজন।

ফাউন্ডেশন সূত্রে জানা যায়, গাজার কয়েকজন যুবক-যুবতীর বিয়ে সম্পন্ন করতে আর্থিক সহায়তার আবেদন আসে। বিষয়টি বাংলাদেশের মানুষের সামনে তুলে ধরলে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার উদারহৃদয় মানুষ এগিয়ে আসেন। তাদের সহযোগিতায় প্রায় ১০ হাজার মার্কিন ডলার, অর্থাৎ বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১২ লাখ ৬০ হাজার টাকা ব্যয়ে ১০টি যুগলের বিয়ের আয়োজন সম্পন্ন করা হয়।

ফাউন্ডেশন সংশ্লিষ্টরা জানান, ধ্বংসস্তূপের মাঝেও এই বিয়ের আয়োজন প্রমাণ করেছে—যুদ্ধ মানুষের ঘরবাড়ি ধ্বংস করতে পারে, কিন্তু আশা, ভালোবাসা ও নতুন জীবন গড়ার স্বপ্নকে নিঃশেষ করতে পারে না। নতুন পরিবার গড়ে ওঠা একটি জাতির টিকে থাকা, পুনর্গঠন এবং ভবিষ্যতের প্রতীক।

এদিকে ২০২৪ সাল থেকে যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজায় মানবিক সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে হাফেজ্জী হুজুর (রহ.) সেবা ফাউন্ডেশন। নগদ আর্থিক সহায়তা, তাবু নির্মাণ, বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা, খাদ্য ও বস্ত্র বিতরণ, চিকিৎসাসামগ্রী সরবরাহ এবং ঈদ উপলক্ষে বিশেষ উপহার বিতরণসহ নানা কার্যক্রম পরিচালনা করছে প্রতিষ্ঠানটি।

ফাউন্ডেশন জানায়, মিসরে অবস্থানরত বাংলাদেশি শিক্ষার্থী এবং আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীলদের সহযোগিতায় এসব কার্যক্রম বাস্তবায়ন হচ্ছে। এছাড়া ফাউন্ডেশনের প্রতিনিধিরা একাধিকবার মিসর ও তুরস্ক সফর করে ত্রাণ কার্যক্রম সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন।

ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মাওলানা মুহাম্মদ রজীবুল হকের নেতৃত্ব, স্বেচ্ছাসেবকদের নিরলস প্রচেষ্টা এবং বাংলাদেশের অসংখ্য দাতার সহযোগিতায় এই মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। ফাউন্ডেশন সকল দাতার জন্য দোয়া কামনা করে জানিয়েছে, ভবিষ্যতেও গাজ্জার অসহায় মানুষের পাশে থাকার প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে, ইনশাআল্লাহ।

আইও/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ