শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬ ।। ৩১ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ৫ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
৩০ পেরিয়েছেন? সুস্থ থাকতে গড়ে তুলুন ৭ অভ্যাস জমজমের বরকতে দৃষ্টিশক্তি ফিরে পাওয়ার এক বিস্ময়কর অভিজ্ঞতা দেশমাতৃকা উলামায়ে কেরামের নির্দেশনার অপেক্ষায় আছে: মুফতি আবুল হাসান এমপি দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী হাফেজদের মধ্যে ব্রেইল কুরআন ও সাদাছড়ি বিতরণ দেশে ফিরেছেন সৌদি আরবে আটকে পড়া ৫০ ওমরাহযাত্রী মাওলানা নূরুল হক রহ.-এর কবর জিয়ারত করলেন খেলাফত মজলিস আমির ঢাবির গবেষকদের ‘স্মার্ট ফাঁদে’ শনাক্ত হবে এডিস মশার বিস্তার দুর্নীতির বিরুদ্ধে তরুণদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান ডেপুটি স্পিকারের ভারত থেকে কেনা ২০০ রেলকোচের প্রথম ১৮টি দেশে পৌঁছেছে মোটরসাইকেল চালকদের জন্য জরুরি নির্দেশনা জারি

পশ্চিমবঙ্গে ১২৭৯টি মসজিদ থেকে মাইক ও লাউড স্পিকার অপসারণ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহীত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে অভিযান চালিয়ে ভারতের পশ্চিমবঙ্গে গত দুই দিনে ১২৭৯টি মসজিদ থেকে মাইক ও লাউড স্পিকার অপসারণ করেছে রাজ্য পুলিশ। অভিযানে প্রায় দুশো মন্দির থেকেও লাউড স্পিকার অপসারণ করা হয়েছে।

একাধিক ভারতীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

পুলিশ জানিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গ শব্দদূষণ (নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবস্থাপনা) বিধিমালা, ২০০০-এ নির্ধারিত শব্দসীমা এবং অন্যান্য বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। আইন অনুযায়ী অনুমোদিত সীমার বাইরে শব্দ সম্প্রচার রোধে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, অনেক ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান পুলিশের মৌখিক নির্দেশনা মেনে কোনো আপত্তি ছাড়াই লাউড স্পিকার অপসারণ করেছে। তবে কয়েকটি মসজিদ কমিটি লিখিত নোটিশ ছাড়া এ ধরনের নির্দেশ কার্যকর করার বিষয়ে আপত্তি জানিয়েছে। তাদের দাবি, প্রশাসনের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক লিখিত নির্দেশনা দেওয়া উচিত ছিল।

এদিকে, ভাঙ্গড়ের বিধানসভা সদস্য ও ইন্ডিয়ান সেক্যুলার ফ্রন্ট (আইএসএফ) নেতা নওশাদ সিদ্দিকী এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেন, সব ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে একই ধরনের নিয়ম প্রয়োগ নিশ্চিত করতে সরকারকে একটি স্বচ্ছ ও অভিন্ন স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি) প্রণয়ন করতে হবে। এতে আইন প্রয়োগে বৈষম্যের অভিযোগও দূর হবে বলে তিনি মত প্রকাশ করেন।

পুলিশের এই পদক্ষেপ নিয়ে পশ্চিমবঙ্গে বিভিন্ন মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। একদিকে প্রশাসন এটিকে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে আইনি উদ্যোগ হিসেবে তুলে ধরছে, অন্যদিকে কিছু ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে প্রক্রিয়াগত স্বচ্ছতা ও লিখিত নির্দেশনার বিষয়টি সামনে আনা হয়েছে। সূত্র: উর্দু নিউজ কলকাতা

এসএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ