সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
সৌদি আরবের রিয়াদ বিমানবন্দরে ফের হামলা: নিহত ১, আহত ১১ স্ত্রীর মৃত্যুর সাড়ে ৩ ঘণ্টা পর নামাজরত অবস্থায় প্রাণ হারালেন স্বামী সৌদি বিমানবন্দরে হামলায় আহত ২৪ বাংলাদেশির ১৩ জনই ওমরাহযাত্রী ১২ অক্টোবর ২০২৬-এর নামাজের সময়সূচি জরুরি অবস্থা জারির কড়া সমালোচনা মাওলানা ফজলুর রহমানের মাহবুবা হাকিম এমপির বরাদ্দ ক্রীড়া সামগ্রী কিশোরদের মধ্যে বিতরণ নির্বাচন কমিশনার আইন নিয়ে আমাদের আশঙ্কা সত্যি হচ্ছে: ওয়াইসি ছাদে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনে মাদরাসাগুলোকে বোর্ডের নির্দেশ রিয়াদে হামলায় নাসরুল্লাহ বদরের মৃত্যুতে ন্যাশনাল ওলামা অ্যালায়েন্সের শোক-প্রতিবাদ আন্তর্জাতিক কুরআন প্রতিযোগিতায় হিরার সাফল্যে বিএনপির অভিনন্দন

শিশুকে সালাম শেখাতে সালাম দিন


নিউজ ডেস্ক

নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহীত

 

মুফতি আরিফুল ইসলাম

আসসালামু আলাইকুম। শান্তির বার্তা। অভিভাদনের সর্বত্তোম পন্থা হল সালাম। দেখা হলেই অপর মুসলমানকে সালাম দেয়া ঈমানী দায়িত্ব। হিংসা বিদ্ধেস দূর হয়। ভেদাভেদ দূর হয়ে পরস্পরে প্রীতির বন্ধন তৈরী হয়। সালামে রয়েছে অপরের জন্য রহমত ও কল্যানের প্রার্থনা। সালামে রয়েছে জিকিরের অফুরন্ত সওয়াব।  

দু:খ ও পরিতাপের কথা হলো সালামের পরিবেশ তৈরী হলেই দেখা যায়, বড়রা ছোটদের সালামের  অপেক্ষা থাকে। বিশেষ করে শিশুদের সালাম দেয়ার প্রয়োজনই মনে করা হয় না।

প্রিয় নবীজি সা.-এর অভ্যাস

প্রিয় নবীজি সা. শিশুদের আগে আগে সালাম দিতেন। এতে শিশুদের মধ্যে সালাম দেয়ার অভ্যাস তৈরী হত। এছাড়া ছোটদেরকে সালাম দেওয়া কোমল হৃদয় ও স্নেহশীলতার পরিচয়।

হাদীস : হযরত আনাস ইবনে মালেক রা.  থেকে বর্ণিত। একবার তিনি একদল শিশুর পার্শ্ব দিয়ে অতিক্রম করাকালে তাদের সালাম দিয়ে বললেন, নবী সা. এমন করতেন। ( এভাবে তিনি বাচ্চাদের সালাম দিতেন)  বোখারী শরীফ-৬২৪৭

অবশ্য শিশু সালামের উত্তর না দিলে গোনাহগার হবে না। কারণ, সে শরীয়তের ভারপ্রাপ্ত নয়। তবে শিশু বড়কে সালাম দিলে উত্তর দেওয়া জরুরী।

এমআই/

 

 


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ