শুরু হয়েছে পবিত্র রমজান মাস। রমজানে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজসহ তারাবি, তাহাজ্জুদ, সুন্নত ও নফল নামাজ আদায়ের গুরুত্ব অনেক বেশি। আর জুমার দিনের গুরুত্ব ও তাৎপর্যও অনেক বেশি।
মহান আল্লাহ তাআলা জুমার দিনকে অন্যান্য দিনের থেকে শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছেন। জুমার দিনে মুসলমানদের ইবাদতের জন্য বলা হয়। পবিত্র কুরআন ও হাদিসে দিনটির অনেক ফজিলত বর্ণনা করা আছে।
বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ সা. বলেছেন, পাঁচ বেলা সালাত আদায়, এক জুমা থেক পরবর্তী জুমা, এক রমজান থেকে পরবর্তী রমজানের মধ্যবর্তী সময়ে হওয়া সব (সগিরা) গুনাহের কাফফারা স্বরূপ, এই শর্তে যে বান্দা কবিরা গুনাহ থেকে নিজেকে বাঁচিয়ে রাখবে। (মুসলিম - ২৩৩)
অন্য এক হাদিসে নবী সা. এরশাদ করেছেন, যে দিনগুলোয় সূর্য উদিত হয়, ওই দিনগুলোর মধ্যে জুমার দিন সর্বোত্তম। ওই দিন হযরত আদমকে (আ.) সৃষ্টি করা হয়েছে। তাকে ওই দিন জান্নাতে প্রবেশ করানো হয় এবং ওই দিনই জান্নাত থেকে তাকে বের করে দেয়া হয়। আর ওই দিনই কিয়ামত হবে। (মুসলিম শরিফ, হাদিস নম্বর ৮৫৪)।
মহান আলà