মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬ ।। ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ২৯ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
বন্যা দুর্গত মানুষের পাশে আল-জামিয়া আল-ইসলামিয়া পটিয়া মাদরাসার বৈদ্যুতিক বোর্ডে বিস্ফোরণ, দগ্ধ ৫ শিক্ষার্থী চট্টগ্রাম–কক্সবাজারে বন্যা দুর্গতদের মধ্যে আমিরে মজলিসের ত্রাণ বিতরণ ইসলামোফোবিয়া মোকাবিলায় রাবেতার সঙ্গে কাজ করবে পাকিস্তান দুর্নীতি ও অদক্ষতার কারণেই প্রধান শহরগুলো ডুবছে: পীর সাহেব চরমোনাই উচ্চারণ ও উপস্থাপনা কোর্সে ১০০ জন মাদরাসা শিক্ষার্থী পাবেন বিশেষ স্কলারশিপ মসজিদে নববিতে বিশেষ দারস দেবেন শায়খ আস-সুদাইস বন্যায় এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিতের আহ্বান আমিরে মজলিসের খুলনা বিভাগীয় কওমি মাদরাসা পরিষদের নেতৃত্বে মাওলানা মুশতাক ও নাসীরুল্লাহ বন্যার পানিতে ডুবে পটিয়া মাদরাসার শিক্ষার্থীর মৃত্যু

নবীজি সা. রোগীর মাথার কাছে বসে যে দোয়া পড়তেন

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

সুস্থতা ও অসুস্থতা উভয়টিই আল্লাহর নেয়ামত। সুস্থ হলে মানুষ বেশি করে আল্লাহর ইবাদত করতে পারে। শোকর আদায় করে কৃতজ্ঞ হতে পারে। আর অসুস্থ হলে আল্লাহ তায়ালা মর্যাদা বৃদ্ধি করেন, গুনাহ ক্ষমা করেন।

মানুষ নানা রকম ও নানা ধরনের রোগে আক্রান্ত হয় এবং অসুস্থ হয়। কেউ ছোট রোগে, আর কেউ বড় কোনো দুরারোগ্যে। তবু অসুস্থ হলে মানুষ দুশ্চিন্তিত হয়। আল্লাহর কাছে আরোগ্য কামনা করে।

প্রিয়নবী সা. যখন কোনো অসুস্থ ব্যক্তিকে দেখতে যেতেন তখন তার মাথার পাশে বসতেন তারপর একটি দোয়া পড়তেন। হাদিসে বলা হয়েছে, অসুস্থ ব্যক্তির পাশে ৭ বার দোয়াটি পড়লে যদি তার মৃত্যু নির্ধারিত হয়ে না থাকে তবে সে অবশ্যই সুস্থ হয়ে যাবে। দোয়াটি কী?

দোয়াটি হলো— أَسْأَلُ اللهَ العَظيمَ رَبَّ العَرْشِ العَظِيمِ أَنْ يَشْفِيَكَ

উচ্চারণ: ‘আসআলুল্লাহাল আজীম, রাব্বাল আরশিল আজীম, আঁই য়্যাশফিয়াক।’ অর্থ: ‘সুমহান আল্লাহ, মহা আরশের প্রভুর নিকট আমি তোমার আরোগ্য প্রার্থনা করছি।’ (আবু দাউদ: ৩১০৮; তিরমিজি: ২০৮৩)

ইবনে আব্বাস রা. হতে বর্ণিত, নবী সা. বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি এমন কোনো রুগ্ন মানুষের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবে, যার এখনও মৃত্যুর সময় উপস্থিত হয়নি এবং তার নিকট সাতবার উক্ত দোয়াটি বললে আল্লাহ তাকে সে রোগ থেকে মুক্তি দান করবেন। (আবু দাউদ: ৩১০৮; তিরমিজি: ২০৮৩; হাকেম: ১২৬৮)

হাদিসে অসুস্থ ব্যক্তির জন্য আরেকটি দোয়ার উল্লেখ রয়েছে, যেটি পড়ে রাসুলুল্লাহ সা. অসুস্থ ব্যক্তিদের ঝাড়ফুঁক করতেন। দোয়াটি হলো—

اللَّهُمَّ رَبَّ النَّاسِ أَذْهِبْ الْبَاسَ اشْفِهِ وَأَنْتَ الشَّافِي لَا شِفَاءَ إِلَّا شِفَاؤُكَ شِفَاءً لَا يُغَادِرُ سَقَمًا

উচ্চারণ: ‘আল্লাহুম্মা রাব্বান নাসি উজহিবাল বা’সি, ইশফিহি ওয়া আনতাশ-শাফি, লা শিফায়া ইল্লা শিফায়ুকা শিফায়ান লা ইউগাদিরু সাকমা।’

অর্থ: ‘হে আল্লাহ! মানুষের প্রতিপালক, কষ্ট দূরকারী। আমাকে আরোগ্য দিন, আপনি আরোগ্যকারী—আপনি ছাড়া কোনো আরোগ্যকারী নেই। এমন আরোগ্য দিন যেন কোনো রোগ না থাকে। (বুখারি: ৫৭৪২)

আল্লাহ তাআলা আমাদেরকে আমল করার তাওফিক দান করুন। আমিন।

এনএ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ