বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬ ।। ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ১ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
হজ ব্যবস্থাপনা ও হজ প্যাকেজ নিয়ে কিছু কথা ভুল সংশোধনের সুযোগ পাচ্ছেন নতুন ভোটাররা ব্যক্তিগত মন্তব্যের জন্য সংসদে দুঃখ প্রকাশ করলেন শিক্ষামন্ত্রী গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে মৃত্যু ১, হাসপাতালে ৩২৯ মহানগর দক্ষিণের কাউন্সিল সফল করতে রামপুরা নেতাদের সঙ্গে জমিয়তের মতবিনিময় ‎হানাফি উসুল অমূল্য রত্ন ও ফকিহ সাহাবায়ে কেরামের উত্তরাধিকার কওমি মাদরাসায় কারিগরি প্রশিক্ষণ সম্প্রসারণ বিষয়ে যা বললেন শিক্ষামন্ত্রী এইচএসসির পদার্থবিজ্ঞান প্রশ্নে ত্রুটি: চার শিক্ষককে শোকজ বন্যা দুর্গতদের মাঝে ইসলামী আন্দোলনের ত্রাণ কার্যক্রম অব্যাহত বিকেএম কেন্দুয়া উপজেলা শাখার ৪১ সদস্যের নতুন কমিটি গঠন

শিশুদের কৃমি সংক্রমণ — কারণ ও প্রতিকার  

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মুহাম্মদ মিজানুর রহমান  

বাংলাদেশসহ উন্নয়নশীল দেশগুলোতে শিশুদের মধ্যে কৃমি একটি সাধারণ ও গুরুতর স্বাস্থ্য সমস্যা। এটি শিশুদের পুষ্টিহীনতা, শারীরিক ও মানসিক বিকাশে ব্যাঘাত সৃষ্টি করে। সময়মতো চিকিৎসা ও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে দীর্ঘমেয়াদে এর প্রভাব মারাত্মক হতে পারে।

কৃমি সংক্রমণের কারণ:  
১. অপরিচ্ছন্নতা: শিশুরা মাটি, ধুলো কিংবা নোংরা জিনিসে খেলার সময় সহজেই কৃমির ডিম মুখে তুলতে পারে।  
২. জলবাহিত সংক্রমণ: অপরিষ্কার পানি পান বা সেই পানি দিয়ে তৈরি খাবার খাওয়ার ফলে কৃমি শরীরে প্রবেশ করতে পারে।  
৩. খাবারের মাধ্যমে: ধোয়া হয়নি বা সঠিকভাবে রান্না না হওয়া খাবার থেকে সংক্রমণ হয়।  
৪. পায়খানা ব্যবস্থার অভাব: উন্মুক্ত স্থানে মলত্যাগ এবং তার সংস্পর্শে শিশুদের আসা কৃমি সংক্রমণ বাড়ায়।  
৫. নখ কামড়ানো: হাত না ধুয়ে খাওয়া ও নখ কামড়ানোর মাধ্যমে কৃমির ডিম শরীরে প্রবেশ করে।

প্রভাব:  
- পেটব্যথা, বমি, অরুচি  
- অপুষ্টি ও ওজন কমে যাওয়া  
- রক্তস্বল্পতা ও দুর্বলতা  
- মানসিক অস্থিরতা ও স্কুলে মনোযোগে ঘাটতি

প্রতিরোধ ও করণীয়:  ছয় মাস পর পর কৃমিনাশক ওষুধ খাওয়ানো। হাত ধোয়ার অভ্যাস গড়ে তোলা (বিশেষ করে খাবারের আগে ও টয়লেটের পর)। নিরাপদ পানি ব্যবহার ও রান্না করা খাবার খাওয়া। শিশুদের নখ ছোট রাখা ও পরিষ্কার থাকা্। স্যানিটেশন ব্যবস্থার উন্নয়ন-এর মাধ্যমে কৃমি প্রতিরোধ করা যায়।

সঠিক সচেতনতা, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা এবং নিয়মিত কৃমিনাশক গ্রহণের মাধ্যমে শিশুদের কৃমি সংক্রমণ প্রতিরোধ করা সম্ভব। পরিবার, বিদ্যালয় ও সমাজের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় শিশুরা পাবে একটি সুস্থ-সবল ভবিষ্যৎ।

এমএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ