শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬ ।। ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ১৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
গুম-খুন ও শহীদ পরিবারের ৭৪ জনকে নিয়োগপত্র দিলেন প্রধানমন্ত্রী লুট হওয়া ও অবৈধ অস্ত্রের তথ্য দিলে ২ লাখ টাকা পুরস্কার ঘোষণা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ভ‌রিতে সোনার দাম কমলো ৭১১৫ হাজার টাকা মসজিদের ভেতর থেকে মুয়াজ্জিনের লাশ উদ্ধার কাল ঢাবি কেন্দ্রীয় মসজিদে বয়ান করবেন শায়খ ইলিয়াস গুম্মান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ৪ মাসব্যাপী আরবি ভাষা দক্ষতা উন্নয়ন কোর্স হাসনাতের বক্তব্যে মধ্যরাতে উত্তাল ব্রাহ্মণবাড়িয়া, মাদরাসা শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ সিলেট মহানগর খেলাফত মজলিসের তরবিয়তি মজলিস অনুষ্ঠিত জাতীয় সিরাত সাধারণ জ্ঞান প্রতিযোগিতার নিবন্ধনের সময় বাড়ল ১০ সেপ্টেম্বর শুরু হচ্ছে ইসলামি বইমেলা

আজ মওলানা ভাসানীর ৪৯তম মৃত্যুবার্ষিকী

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর ৪৯তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ, ১৭ নভেম্বর। ১৯৭৬ সালের এ দিনে ঢাকার পিজি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তাঁকে টাঙ্গাইলের সন্তোষে দাফন করা হয়।

মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আজ সন্তোষে তাঁর মাজার প্রাঙ্গণে পরিবার, মওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের পক্ষ থেকে নানা কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে। সেখানে চলছে সাত দিনব্যাপী ‘ভাসানী মেলা’।

গতকাল রবিবার দেওয়া এক বাণীতে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান মওলানা ভাসানীর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, “ভাসানী সব সময় আমাদের প্রেরণার উৎস হয়ে থাকবেন।” তিনি উল্লেখ করেন, অসহায় মানুষের ন্যায্য অধিকার আদায়, গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষার সংগ্রামে ভাসানীর ভূমিকা জাতিকে অনুপ্রাণিত করে আসছে এবং ভবিষ্যতেও করবে।

মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানী ছিলেন শোষিত, বঞ্চিত ও মেহনতি মানুষের অধিকার রক্ষার এক বলিষ্ঠ নেতা। ব্যক্তিজীবনে নির্মোহ, অনাড়ম্বর ও সাদাসিধে জীবনযাপন তাঁর দেশপ্রেম ও জনগণের প্রতি গভীর ভালোবাসার প্রতিফলন। শোষণমুক্ত, প্রগতিশীল ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গঠনে তিনি আজীবন সংগ্রাম করেছেন।

১৮৮০ সালের ১২ ডিসেম্বর সিরাজগঞ্জের সয়াধানগড়া গ্রামে জন্ম নেওয়া আবদুল হামিদ খান ছিলেন হাজী শরাফত আলী ও মজিরন বিবির ছোট সন্তান। ছোটবেলায় তাঁকে ‘চেগা মিয়া’ নামে ডাকা হতো। জীবনের বড় অংশ তিনি কাটিয়েছেন টাঙ্গাইলের সন্তোষে। কৈশোর থেকেই রাজনীতিতে সক্রিয় থাকা ভাসানী আওয়ামী মুসলিম লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন।

লাইন প্রথা উচ্ছেদ, জমিদারদের নির্যাতনবিরোধী আন্দোলনসহ বহু গণ-আন্দোলনে তিনি নেতৃত্ব দিয়েছেন। তাঁর উদ্যোগে অনুষ্ঠিত ১৯৫৭ সালের ঐতিহাসিক কাগমারী সম্মেলন বাংলাদেশের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি সর্বদলীয় ওয়ার কাউন্সিলের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। স্বাধীনতার পর তাঁর সর্বশেষ বৃহৎ গণ-আন্দোলন ছিল ফারাক্কা লং মার্চ।

আজ সকালে তাঁর মাজারে বিএনপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সাংস্কৃতিক–সামাজিক সংগঠন ও সর্বস্তরের মানুষ পুষ্পস্তবক অর্পণ করছেন।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, মওলানা ভাসানী ছিলেন আফ্রো–এশিয়া ও লাতিন আমেরিকার নির্যাতিত–নিপীড়িত মানুষের বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর। সাম্রাজ্যবাদ, আধিপত্যবাদ ও অত্যাচারী শাসকের বিরুদ্ধে তাঁর আপসহীন নেতৃত্ব আজও মানুষের জন্য প্রেরণার উৎস।

এনএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ