সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
১২ অক্টোবর ২০২৬-এর নামাজের সময়সূচি জরুরি অবস্থা জারির কড়া সমালোচনা মাওলানা ফজলুর রহমানের মাহবুবা হাকিম এমপির বরাদ্দ ক্রীড়া সামগ্রী কিশোরদের মধ্যে বিতরণ নির্বাচন কমিশনার আইন নিয়ে আমাদের আশঙ্কা সত্যি হচ্ছে: ওয়াইসি ছাদে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনে মাদরাসাগুলোকে বোর্ডের নির্দেশ রিয়াদে হামলায় নাসরুল্লাহ বদরের মৃত্যুতে ন্যাশনাল ওলামা অ্যালায়েন্সের শোক-প্রতিবাদ আন্তর্জাতিক কুরআন প্রতিযোগিতায় হিরার সাফল্যে বিএনপির অভিনন্দন ‘পবিত্র ভূমিতে হামলা মুসলিম উম্মাহর জন্য গভীর উদ্বেগের’ আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন পরিদর্শনে জামিয়া ইমদাদিয়ার শায়খুল হাদিস চাঁদ দেখা যায়নি, জমাদিউল আউয়াল মাস শুরু মঙ্গলবার

ভারতে প্রকাশ্যে হিন্দুত্ববাদীদের হেনস্থার শিকার মাদরাসার ছাত্ররা


নিউজ ডেস্ক

নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহিত

ভারতের উত্তরাখণ্ডের দেরাদুনে বিহার থেকে আসা মাদরাসার কয়েকজন ছাত্রকে হেনস্থা ও মারধরের অভিযোগ উঠেছে হিন্দুত্ববাদী গোষ্ঠীর (বজরং দল) বিরুদ্ধে।

রোববার (২৬ এপ্রিল) দেশটির একটি সংবাদমাধ্যমে এই খবর প্রকাশিত হয়েছে।

সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, ঘটনার পর, বজরং দল অভিযোগ করে যে, বিহার থেকে নিয়ম মেনে শিশুদের মাদরাসায় আনা হচ্ছে না। এজন্যই তাদেরকে মারধর করেছেন তারা। ঘটনাটির ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর সরকার রাজ্যের ৪টি জেলার মাদরাসায় তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে।

দেরাদুন-ভিত্তিক মুসলিম সংগঠন ‘মুসলিম সেবা সংগঠন’ স্থানীয় পুলিশের কাছে এ বিষয়ে অভিযোগ জানিয়েছে। সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম কুরেশি বলেন, গত ১৭ এপ্রিল প্রায় ১০-১২ জন শিশু একটি মাদরাসায় পড়তে দেরাদুনে আসছিল, তখন বজরং দলের কিছু লোক তাদের পথ আটকে কয়েকজনকে মারধর করে।

কুরেশি আরো বলেন, বজরং দলের লোকেরা তাদের এটা-সেটা বলছিল এবং বলছিল যে তারা কিভাবে বিহার থেকে এখানে আসে। বিহার কি ভারতের অংশ নয়? এটি কোন আলাদা দেশ নয়। দেরাদুন একটি শিক্ষাকেন্দ্র। এখানে অনেক কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় আছে। বিভিন্ন জায়গা ও এলাকা থেকে ছাত্রছাত্রীরা এখানে পড়তে আসে। তাদের এই অধিকার আছে।

মুসলিম আন্দোলনকারীরা প্রশ্ন তুলেছেন, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা এখানে পড়তে এলে মাদরাসার ছাত্রছাত্রীদের নিয়ে সমস্যাটা কী?

দাবি করা হচ্ছে যে, মাদরাসার ছাত্রছাত্রীদের উত্তরাখণ্ডে আসা ঠেকাতে রাজ্যে মাদরাসা বোর্ড বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

কুরেশি বলেন, যদি মাদরাসা বোর্ড বন্ধ করে দেয়া হয়ে থাকে, তাহলে কী করতে হবে তা মাদরাসাবোর্ড এবং প্রশাসনের ব্যাপার। তবে এই লোকেরা কেন গুন্ডামিতে লিপ্ত?

কুরেশির মতে, বিষয়টি নিয়ে আলোচনার জন্য এসএসপি ও প্রশাসনের সাথে তাদের একটি বৈঠক হওয়ার কথা ছিল, কিন্তু কোনো কারণে তা অনুষ্ঠিত হতে পারেনি।

জেডএম/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ