সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬ ।। ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ২৮ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
দুর্নীতি ও অদক্ষতার কারণেই প্রধান শহরগুলো ডুবছে: পীর সাহেব চরমোনাই উচ্চারণ ও উপস্থাপনা কোর্সে ১০০ জন মাদরাসা শিক্ষার্থী পাবেন বিশেষ স্কলারশিপ মসজিদে নববিতে বিশেষ দারস দেবেন শায়খ আস-সুদাইস বন্যায় এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিতের আহ্বান আমিরে মজলিসের খুলনা বিভাগীয় কওমি মাদরাসা পরিষদের নেতৃত্বে মাওলানা মুশতাক ও নাসীরুল্লাহ বন্যার পানিতে ডুবে পটিয়া মাদরাসার শিক্ষার্থীর মৃত্যু মডেল মসজিদ প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ তদন্তের নির্দেশ বাংলাদেশি হাজিদের খরচ কমাতে সৌদি আরবের সহযোগিতা কামনা জলাবদ্ধতা ও স্বাস্থ্যঝুঁকির কারণে ছুটি বাড়ল জামেয়া দারুল মাআরিফের ডেঙ্গুতে আরও ২ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৩২৭

ভারতে প্রকাশ্যে হিন্দুত্ববাদীদের হেনস্থার শিকার মাদরাসার ছাত্ররা


নিউজ ডেস্ক

নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহিত

ভারতের উত্তরাখণ্ডের দেরাদুনে বিহার থেকে আসা মাদরাসার কয়েকজন ছাত্রকে হেনস্থা ও মারধরের অভিযোগ উঠেছে হিন্দুত্ববাদী গোষ্ঠীর (বজরং দল) বিরুদ্ধে।

রোববার (২৬ এপ্রিল) দেশটির একটি সংবাদমাধ্যমে এই খবর প্রকাশিত হয়েছে।

সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, ঘটনার পর, বজরং দল অভিযোগ করে যে, বিহার থেকে নিয়ম মেনে শিশুদের মাদরাসায় আনা হচ্ছে না। এজন্যই তাদেরকে মারধর করেছেন তারা। ঘটনাটির ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর সরকার রাজ্যের ৪টি জেলার মাদরাসায় তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে।

দেরাদুন-ভিত্তিক মুসলিম সংগঠন ‘মুসলিম সেবা সংগঠন’ স্থানীয় পুলিশের কাছে এ বিষয়ে অভিযোগ জানিয়েছে। সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম কুরেশি বলেন, গত ১৭ এপ্রিল প্রায় ১০-১২ জন শিশু একটি মাদরাসায় পড়তে দেরাদুনে আসছিল, তখন বজরং দলের কিছু লোক তাদের পথ আটকে কয়েকজনকে মারধর করে।

কুরেশি আরো বলেন, বজরং দলের লোকেরা তাদের এটা-সেটা বলছিল এবং বলছিল যে তারা কিভাবে বিহার থেকে এখানে আসে। বিহার কি ভারতের অংশ নয়? এটি কোন আলাদা দেশ নয়। দেরাদুন একটি শিক্ষাকেন্দ্র। এখানে অনেক কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় আছে। বিভিন্ন জায়গা ও এলাকা থেকে ছাত্রছাত্রীরা এখানে পড়তে আসে। তাদের এই অধিকার আছে।

মুসলিম আন্দোলনকারীরা প্রশ্ন তুলেছেন, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা এখানে পড়তে এলে মাদরাসার ছাত্রছাত্রীদের নিয়ে সমস্যাটা কী?

দাবি করা হচ্ছে যে, মাদরাসার ছাত্রছাত্রীদের উত্তরাখণ্ডে আসা ঠেকাতে রাজ্যে মাদরাসা বোর্ড বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

কুরেশি বলেন, যদি মাদরাসা বোর্ড বন্ধ করে দেয়া হয়ে থাকে, তাহলে কী করতে হবে তা মাদরাসাবোর্ড এবং প্রশাসনের ব্যাপার। তবে এই লোকেরা কেন গুন্ডামিতে লিপ্ত?

কুরেশির মতে, বিষয়টি নিয়ে আলোচনার জন্য এসএসপি ও প্রশাসনের সাথে তাদের একটি বৈঠক হওয়ার কথা ছিল, কিন্তু কোনো কারণে তা অনুষ্ঠিত হতে পারেনি।

জেডএম/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ