বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ২০ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
ছয় কওমি বোর্ডের সনদে সরকারি-বেসরকারি মাদরাসায় চাকরির সুযোগ কওমি শিক্ষার্থীদের জন্য বাউবিতে এসএসসি-এইচএসসি প্রোগ্রাম চালুর উদ্যোগ জবিতে তিন মাসব্যাপী কুরআন শিক্ষার আসর শুরু ‘বিদ্যুৎ, গ্যাস ও জ্বালানি সংকট সমাধানে সরকার ব্যর্থ’ ‘জ্বালানি সংকট মোকাবেলায় সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে সরকার’  ‘দুর্নীতিবাজ-চাঁদাবাজদের ঠেকাতে ইসিকে কার্যকর কৌশল নিতে হবে’ দাখিল ২০২৭ সালের নির্বাচনী পরীক্ষা ও ফরম পূরণে বোর্ডের নির্দেশনা ছাত্র জমিয়তের কেন্দ্রীয় দায়িত্বশীলদের জরুরি সভা অনুষ্ঠিত ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের দুই সার্ভিস সেতু চালু নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পুকুরে পড়ল যাত্রীবাহী বাস, আহত ১৫

‘জ্বালানি সংকট মোকাবেলায় সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে সরকার’ 

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহিত

জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জানিয়েছেন, দেশের জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় গ্যাস উৎপাদন বাড়ানো, নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধান এবং এলএনজি আমদানি ও অবকাঠামো সম্প্রসারণসহ সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা সরকার বাস্তবায়ন করছে। 

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) বিকেলে জাতীয় সংসদের অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য সেলিনা সুলতানার এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব তথ্য জানান। এ সময় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীরবিক্রম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘদিনের অপর্যাপ্ত গ্যাস অনুসন্ধান ও আমদানিনির্ভরতার কারণে সৃষ্ট বর্তমান জ্বালানি সংকট থেকে দেশকে বের করে আনতে সরকার সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে।

তিনি জানান, দেশীয় গ্যাস উৎপাদন বাড়ানোর অংশ হিসেবে ১৫০টি কূপ খনন ও ওয়ার্কওভারের কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ইতোমধ্যে ৩০টি কূপ খনন সম্পন্ন হয়েছে। এসব কূপের মাধ্যমে জাতীয় গ্রিডে দৈনিক ১৪০ মিলিয়ন ঘনফুট (এমএমসিএফডি) গ্যাস যুক্ত হয়েছে। বর্তমানে চলমান সাতটি কূপের খনন শেষ হলে আরও ৮৫ এমএমসিএফডি গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে। অবশিষ্ট কূপগুলো খননের জন্য পর্যায়ক্রমে প্রকল্প নেওয়া হচ্ছে।

দেশীয় গ্যাসের নতুন উৎস অনুসন্ধানে ৪ হাজার ৫০০ কিলোমিটার ২ডি সাইসমিক সার্ভে এবং ৪ হাজার ২০০ বর্গকিলোমিটার ৩ডি সাইসমিক সার্ভে পরিচালনার কর্মপরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী।

বাপেক্সকে শক্তিশালী করতে আরও দুটি নতুন রিগ কেনার প্রক্রিয়া চলছে। একই সঙ্গে অফশোর মডেল পিএসসি ২০২৬ অনুমোদনের পর বিড রাউন্ড আহ্বান করা হয়েছে। অনশোর মডেল পিএসসিও অনুমোদনের প্রক্রিয়ায় রয়েছে। অফশোর ও অনশোরে গ্যাস অনুসন্ধানের মাধ্যমে নতুন মজুত পাওয়া গেলে তা দেশের জ্বালানি নিরাপত্তায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে জানান তিনি।

এছাড়া এলএনজি অবকাঠামো সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কক্সবাজারের মহেশখালীর গভীর সমুদ্রে কুতুবজোমে ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের লক্ষ্যে আগ্রহী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আলোচনা চলছে। ২০২৮ সালের ডিসেম্বর থেকে ওই টার্মিনাল থেকে রিগ্যাসিফাইড এলএনজি জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা সম্ভব হবে বলে আশা করছে সরকার।

প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, নতুন এই টার্মিনালের মাধ্যমে আগামী দুই বছরের মধ্যে এলএনজি আমদানি দৈনিক আরও ৬০০ এমএমসিএফডি বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি পায়রা বা মোংলা বন্দর এলাকা অথবা দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সমুদ্র উপকূলে জরুরি ভিত্তিতে আরও এক বা দুটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সরকারের এসব উদ্যোগ বাস্তবায়ন হলে দেশে গ্যাসের সরবরাহ বাড়ার পাশাপাশি সামগ্রিক জ্বালানি নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী হবে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।

আইও/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ