শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬ ।। ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ১৯ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
ট্রান্সজেন্ডার নিয়ে শিক্ষামন্ত্রীর বক্তব্যের প্রতিবাদে বায়তুল মোকাররমে বিক্ষোভ বেফাকের ৫০তম কেন্দ্রীয় পরীক্ষায় নিবন্ধনের বিশেষ সুযোগ মসজিদে নববীতে নারীদের ইসলামি আলোচনার স্থান নির্ধারিত আদর্শ বিসর্জন দিয়ে ক্ষমতায় যেতে চাই না: শায়খে চরমোনাই ‘ট্রান্সজেন্ডার’ নিয়ে বক্তব্যে তোপের মুখে শিক্ষামন্ত্রী, দিলেন ব্যাখ্যা আওয়ার ইসলামের জাতীয় সিরাত প্রতিযোগিতায় অংশ নিলেন দুই সহস্রাধিক প্রতিযোগী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও আইজিপির পাল্টাপাল্টি বক্তব্যে সমন্বয়হীনতা স্পষ্ট: ইসলামী আন্দোলন আত্মশুদ্ধি ও নৈতিক পুনর্জাগরণে গড়ে উঠতে পারে বৈষম্যহীন রাষ্ট্র: ড. খালিদ হোসেন রূপপুরে দ্বিতীয় ইউনিটে পারমাণবিক জ্বালানি সরবরাহ শুরু মক্কায় ড্রোন ধ্বংসের দাবি, সৌদিকে মিথ্যাচারের অভিযোগ হুথিদের 

‘ট্রান্সজেন্ডার’ নিয়ে বক্তব্যে তোপের মুখে শিক্ষামন্ত্রী, দিলেন ব্যাখ্যা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাউবি) ৩৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনা সভায় দেওয়া বক্তব্যে ট্রান্সজেন্ডারের পক্ষে বক্তব্য দিয়ে তোপের মুখে পড়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের পাশাপাশি রাজপথে প্রতিবাদের মুখে অবশেষে তিনি সেই বক্তব্যের একটি ব্যাখ্যা দিয়েছেন। 

শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি জানান, ওই বক্তব্যে তার মূল উদ্দেশ্য ছিল পিছিয়ে পড়া তৃতীয় লিঙ্গের মানুষের শিক্ষায় অংশগ্রহণ ও শিক্ষাগত অর্জনকে উৎসাহিত করা।

বিবৃতিতে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘সম্প্রতি একটি অনুষ্ঠানে দেওয়া আমার বক্তব্যে ব্যবহৃত একটি শব্দের সংশোধন ও বক্তব্যের প্রেক্ষাপট স্পষ্ট করতে চাই। সেদিনের অনুষ্ঠানে তৃতীয় লিঙ্গের একজন শিক্ষার্থী ডিগ্রি অর্জন করেন। তাঁর এই অর্জনকে স্বাগত জানিয়ে তৃতীয় লিঙ্গের মানুষের শিক্ষায় অংশগ্রহণকে উৎসাহিত করার প্রসঙ্গে আমি কথা বলেছিলাম।’

তৃতীয় লিঙ্গের মানুষের সামাজিক প্রতিকূলতার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, সমাজে এই জনগোষ্ঠীর অনেকেই অবহেলা, বঞ্চনা ও নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গির মুখোমুখি হন। এসব বাধা পেরিয়ে তাদের শিক্ষায় এগিয়ে আসার বিষয়টিই ছিল তার বক্তব্যের মূল কথা।

শব্দচয়নজনিত ভুলের ব্যাখ্যা দিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘বক্তব্যের সময় ‘তৃতীয় লিঙ্গ’ বলতে গিয়ে অনিচ্ছাকৃতভাবে ‘ট্রান্সজেন্ডার’ শব্দটি ব্যবহার করেছি। এখানে আমার অভিপ্রেত শব্দ ছিল ‘তৃতীয় লিঙ্গ’।’

দেশের মানুষের ধর্মীয় ও সামাজিক অনুভূতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তিনি আরও বলেন, দেশের মানুষের ধর্মীয় মূল্যবোধ ও অনুভূতির প্রতি তার গভীর শ্রদ্ধা রয়েছে। সেদিনের বক্তব্যের উদ্দেশ্য ছিল কেবল তৃতীয় লিঙ্গের মানুষের শিক্ষার সুযোগ ও তাদের শিক্ষাগত অর্জনকে উৎসাহিত করা।

গত ২৮ অক্টোবর বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। ওই বক্তব্যে তিনি বলেন, ট্রান্সজেন্ডার নিয়ে আরও ক্যাম্পেইন করতে হবে। আমরা কোনে ট্যাবুতে থাকতে চাই না। তার এই বক্তব্যে প্রতিবাদের ঝড় উঠে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। অবশেষে তিনি বাধ্য হন নিজের বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিতে।

 এমএম/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ