বুধবার, ২৭ মে ২০২৬ ।। ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ১০ জিলহজ ১৪৪৭


সময় নষ্ট না করে মহিলা মাদরাসার দিকে মনোযোগটা দিন

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহিত

|| মাওলানা শরীফ মুহাম্মদ ||

ষড়যন্ত্র বিভিন্ন পক্ষের পক্ষ থেকেই হতে পারে, চলতে পারে; কিন্তু ইসলামি শিক্ষাদানের প্রতিষ্ঠান-মাদরাসা ও মহিলা মাদরাসাকে নিজের গরজে শুদ্ধ ও পরিষ্কার থাকতে হবে।

বিষয়টা তো এমন না যে, ষড়যন্ত্রকারীদের মুখ বন্ধ হয়ে গেলেই যৌন-নিরাপত্তা বিষয়ে মাদরাসাগুলোর মনোযোগ থাকার আর দরকার নাই। অন্য যেকোনো ধারার প্রতিষ্ঠানের চেয়ে মর্মগত ও বাস্তব কারণেই মাদরাসাগুলোর আরও বেশি পরিষ্কার থাকা জরুরি। সব অভিযোগ সত্য নয়, সব অভিযোগ তো মিথ্যাও নয়।

গণমাধ্যম ও পাবলিক পরিসরের আওয়াজ সব সময় নিয়ন্ত্রণযোগ্য থাকবে না। শুদ্ধতা, জবাবদিহিতা, স্পষ্টতা তৈরি হতে যত দেরি হবে, তত সংকট বাড়বে। কেউ কেউ মনে করতে পারেন অতীতেও এ ধরনের আওয়াজ উঠেছে, কয়েক দিন পর আবার থেমে গেছে, এবারও তাই হবে। এই মনে করাটা ঠিক না।

এবারের আওয়াজটা ভেতরে-বাইরে সবদিক থেকে উঠছে। কোনো কারণে আওয়াজের মাত্রা তাৎক্ষণিকভাবে কমে গেলেও এই আওয়াজ সম্ভবত থামবে না। বরং এর ধ্বংসশীলতা দিন দিন বাড়বে। ক্ষতিকারকতার মাত্রা বাড়বে।

আশঙ্কা হয়, অনেক নির্দোষ ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান আওয়াজ ও প্রতিবাদের অনিয়ন্ত্রিত স্রোতে পরবর্তী সময়ে অহেতুক আক্রান্ত হতে থাকবেন। এজন্য সময়ক্ষেপণ ও এড়িয়ে যাওয়াটা ঠিক না। দায়িত্বশীলরা নিঃসন্দেহে গুরুত্বপূর্ণ নানান দায়িত্বে ও কাজে ব্যস্তই আছেন। চলমান দায়িত্ব, ইস্যু, জটিলতার শেষ নেই। এসবের মধ্যে ঘরের ভেতরের কোনো একটি জটিল সমস্যা নিয়ে কোমর বেঁধে নামা এবং দীর্ঘ সময় ও প্রস্তুতি ব্যয় করাটা কঠিন। তবু বলবো, মনোযোগটা দিন।

এই সমস্যাটা, অভিযোগটা ও নৈরাজ্যটা নদীর পাড় ভাঙার মতো অগ্রসর হচ্ছে। নদী থামাবেন নাকি বাড়িঘর সরাবেন? না নিজেরা সরবেন? সময় নষ্ট না করে ঠিক করুন। তা না হলে ক্ষতি হবে।

আল্লাহ তাআলা হেফাজত করুন।

লেখক: জ্যেষ্ঠ আলেম লেখক, সাংবাদিক ও বিশ্লেষক

জেডএম/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ