|| খন্দকার মুহাম্মদ হাবিবুল্লাহ ||
গত রবিবার উস্তাযে মুহতারাম শায়খুল হাদিস আল্লামা হাফেজ নুরুল হক সাহেব হাফিযাহুল্লাহর সাথে সাক্ষাৎ করতে গিয়েছিলাম। হযরতের ইমামতিতে এশার নামাজ আদায়ের সৌভাগ্য হলো। নামাজে তাঁর সুমধুর ক্বেরাত শুনে অন্তর বিগলিত হয়ে এল। মনে হচ্ছিল প্রতিটি আয়াতের অর্থ যেন আমার হৃদয়ে কড়া নাড়ছে আর আমাকে সতর্ক করছে।
প্রথম রাকাতে তিনি সূরা ফুরকানের সেই আয়াতগুলো তেলাওয়াত করলেন, যেখানে কিয়ামতের দিন জালেমের আক্ষেপের কথা বলা হয়েছে:
وَيَوْمَ يَعَضُّ الظَّالِمُ عَلَىٰ يَدَيْهِ يَقُولُ يَا لَيْتَنِي اتَّخَذْتُ مَعَ الرَّسُولِ سَبِيلًا (২৭) يَا وَيْلَتَىٰ لَيْتَنِي لَمْ أَتَّخِذْ فُلَانًا خَلِيلًا (২৮) لَّقَدْ أَضَلَّنِي عَنِ الذِّكْرِ بَعْدَ إِذْ جَاءَنِي ۗ وَكَانَ الشَّيْطَانُ لِلْإِنسَانِ خَذُولًا (২৯)
অনুবাদ: আর সেদিন জালেম ব্যক্তি (অনুতাপে) নিজের হাত দুটি দংশন করবে এবং বলবে, ‘হায়, আমি যদি রাসূলের সাথে সৎপথ অবলম্বন করতাম! হায় দুর্ভোগ আমার! আমি যদি অমুককে বন্ধুরূপে গ্রহণ না করতাম! অবশ্যই সে আমাকে বিভ্রান্ত করেছিল আমার কাছে উপদেশ (কুরআন) পৌঁছার পর। আর শয়তান তো মানুষের জ