বুধবার, ০৭ জানুয়ারি ২০২৬ ।। ২৩ পৌষ ১৪৩২ ।। ১৮ রজব ১৪৪৭

শিরোনাম :
উত্তরের ৯ জেলায় সফরে যাচ্ছেন তারেক রহমান পাক সেনাবাহিনীকে দায়িত্বশীল ও পরিমিত ভাষা ব্যবহারের আহ্বান জানাল আফগানিস্তান ইত্তিহাদুল উলামা বাড্ডার উদ্যোগে ঐতিহাসিক সীরাত মাহফিল ৯ জানুয়ারি আফগানিস্তানের সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পে বিনিয়োগে আগ্রহ তুর্কি কোম্পানিগুলোর  শাইখ যাকারিয়া ইসলামিক রিসার্চ সেন্টারের খতমে বুখারী ও দোয়া মাহফিল ১২ জানুয়ারি শীতে কেন উপকারী খেজুর গুড় জকসু নির্বাচনে চার কেন্দ্রের শীর্ষ তিন পদে এগিয়ে শিবির জেলা দায়িত্বশীলদের প্রতি জমিয়তের একগুচ্ছ নির্দেশনা ‘জামায়াত আমিরের বক্তব্য অজ্ঞতার শামিল, তওবা করা উচিত’ গণভোটের প্রচারে যুক্ত করা হচ্ছে ইমামসহ অন্যান্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানকে 

আবরারের মৃত্যুর ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে রাজনীতির ধারা বদলাতে হবে: পীর সাহেব চরমোনাই

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির ও পীর সাহেব চরমোনাই মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম বলেছেন, আবরার ফাহাদের হত্যাকাণ্ড আমাদের ভয়ংকর রাজনীতির এক কালো অধ্যায়। ভারতীয় আধিপত্যবাদ কত নগ্ন ও নির্মমভাবে আমাদের ওপরে চেপে বসেছিল তার নৃশংস দৃষ্টান্ত এটা। একই সাথে দেশে রাজনীতির নামে যে নীতিহীন স্বার্থবাদের প্যারাডাইম তৈরি হয়েছিল তারও একটি উদাহারণ।

মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) বুয়েটের আবরার ফাহাদের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, এই ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধকল্পে বিদ্যমান রাজনৈতিক প্যারাডাইম বদলাতে হবে। নতুন বন্দোবস্তের রাজনীতি গড়ে তুলতে হবে।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির বলেন, ‘জান্নাতে আবরার ফাহাদের মর্যাদা আরো উন্নত হোক এই দোয়া করি। তার বাবা-মা, পরিবার ও বন্ধুদের প্রতি সমবেদনা জানাই। একই সাথে আবরারের রক্তের দায় শোধ করার জন্য বাংলাদেশপন্থী ইতিবাচক রাজনীতি ও সংস্কৃতি গড়ে তোলার প্রতিজ্ঞা করছি।’

পীর সাহেব চরমোনাই বলেন, এই হত্যাকাণ্ডের বহুমুখী মাত্রা আছে। আবরারের মৃত্যু তার একটি দিক। তাকে যারা হত্যা করেছে তারাও বুয়েটের ছাত্র। তারাও মেধার পরীক্ষায় উত্তীর্ণ। মেধাবী সেই ছেলেগুলোকে খুনিতে রুপান্তরের দায় পুরোনো বন্দোবস্তের রাজনীতিকে এবং আওয়ামী লীগকে নিতেই হবে। অশুভ সেই রাজনীতি আমাদের হাজারো সন্তানকে অনকাঙ্ক্ষিত মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিয়েছে। হাজারো সন্তানকে খুনিতে রুপান্তরিত করেছে।

তিনি বলেন, আমরা আওয়ামী লীগের বিচার দাবী করে আসছি। আবরার হত্যাকাণ্ডে তাদের ভুমিকার বিচার করলেই দল হিসেবে আওয়ামী লীগের নিষিদ্ধ হওয়া উচিৎ। কারণ, যেদল তরুণ মেধাবী শিক্ষার্থীদের নির্মম খুনিতে পরিণত করে, যেদল ভারতের আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে বলার কারণে দেশের নাগরিককে হত্যার উস্কানি দেয় তারা সকল বিবেচনাতেই দেশদ্রোহী ও সন্ত্রাসবাদী দল হিসেবে সাব্যস্ত হবে।

পীর সাহেব চরমোনাই বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পরে পুরোনো বন্দোবস্তকে আর সুযোগ দেয়া যায় না। সুযোগ দেয়া হবে না। আজকের দিনে এটাই হোক আমাদের সম্মিলিত প্রতিজ্ঞা।

আরএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ