শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬ ।। ২৭ চৈত্র ১৪৩২ ।। ২২ শাওয়াল ১৪৪৭

শিরোনাম :
স্থানীয় সরকার নির্বাচনে থাকছে না দলীয় প্রতীক, সংসদে বিল পাস এলএনজি-এলপিজি নিয়ে দেশের পথে ৫টি জাহাজ হরমুজ প্রণালিতে ফি-গ্রহণ বন্ধের তাগাদা ট্রাম্পের ‘কওমিতে একাধিক কিতাব দরসভুক্ত করা ছাড়া সিরাতের ঘাটতি পূরণ সম্ভব নয়’ হরমুজ প্রণালি হয়ে জাহাজ চলাচলের সংখ্যা নির্ধারণ করল ইরান ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত: ঝুঁকির মুখে যুদ্ধবিরতি, বিশ্বের দৃষ্টি এখন ইসলামাবাদে আলিমে বাদ পড়া শিক্ষার্থীদের রেজিস্ট্রেশনের সময় বাড়ল ‘মাদরাসা শিক্ষার মূল উদ্দেশ্য আল্লাহ ও রাসুলকে খুশি করা’ হজ ব্যবস্থাপনায় কোনো গাফিলতি সহজভাবে নেওয়া হবে না: ধর্মমন্ত্রী লেবাননে ইসরায়েলি হামলার নিন্দা জানাল যুক্তরাজ্য-স্পেন

অন্তর্বর্তী সরকার অন্দরে, নির্বাচিত সরকার দায়িত্বে, কী পেলাম কী পাব?

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহিত

|| মাওলানা আব্দুর রব ইউসুফী ||

গত আওয়ামী সরকার দেশকে ভারতের কাছে সমর্পণ করে গিয়েছিল। হাঁটু গেড়ে কুর্নিশ করা শিখিয়েছিল। দেশের রন্ধ্রে রন্ধ্রে সরাসরি র' এর অনুপ্রবেশ ছিল। দেশের অর্থ-শিক্ষা-স্বাস্থ্য-প্রতিরক্ষা সবই ভারতের হাতে চলে গিয়েছিল। এমতাবস্থায় ছাত্র জনতার রক্তাক্ত আন্দোলনে দালাল সরকারের পালিয়ে যাওয়ার পর অনেকটা বাধ্য হয়েই জাতির পক্ষে ড. ইউনূস সরকারকে গলদ্গরন করতে হয়েছিল।

তিনি এসে কী করলেন, প্রশংসিত কাজ করলেন যে, ভারতকে গুডবাই জানিয়ে দিলেন। দেশের প্রতিরক্ষা বিভাগকে শক্তিশালী করার চেষ্টা করলেন। সেনাবাহিনীকে মাজা সোজা করে দাঁড়াবার মানসিকতায় নিয়ে আসলেন। চেষ্টা করলেন প্রশাসনকে ঢেলে সাজাতে। কিন্তু পুরোটা সম্ভব হয়ে ওঠনি। অর্থ ও আইনশৃঙ্খলায় অনেকটাই ব্যর্থ হয়েছেন।

তবে দেশের দ্বীনি সংস্কৃতিকে ধ্বংস করার চেষ্টা করেছেন, ওয়েস্টার্ন কালচার আমদানির দীর্ঘ মেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করেছিলেন। চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রামকে প্রত্যক্ষ ও সারাদেশকে পরোক্ষভাবে আমেরিকার হাতে তুলে দেয়ার কাজ সম্পন্ন করতে না পারলেও পাইপলাইনে তুলে দিয়ে গেছেন।

তাঁর আমদানিকৃত প্রতিরক্ষা মাল ড. খলিলুর রহমান আজ নবনির্বাচিত সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। যাঁর বিরুদ্ধে তখন বিএনপি নেতৃবৃন্দ শক্ত প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন। কি কাজ যে ইউনুস সাহেব করে গিয়েছেন তা স্পষ্ট।

এবার আসুন কী পাব নিয়ে আলোচনা করি। ড. খলিলকে হজম করতে নতুন সরকারকে বাধ্য করা হয়েছে, নাকি সরকার ইচ্ছে করেই তাকে গ্রহণ করেছে তা সরকারই বলতে পারবে।

বলা যায়, জাতি শুরুতেই একটা ধাক্কা খেল। এমন আরও কিছু আছে যা এই মুহূর্তেই বলতে চাই না। ভবিষ্যৎ বলে দেবে। কারণ দেশের কঠিন পরিস্থিতি সামনে রেখই আমরা মানে জমিয়ত বিএনপির সাথে নির্বাচনি সমঝোতা করেছিলাম। আর এখন অনেকটা বাধ্য হয়েই একটা 'জরুরি বোমা ফাটাতে হলো' যা কি না এই মুহূর্তের জন্য অনাকাঙ্ক্ষিত। তারপরও আশা করব বিএনপি ভালো করুক, দেশকে কাঙ্ক্ষিত মানে অগ্রসর করুক।

লেখক: সিনিয়র সহসভাপতি, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম।

আই.এইচ./


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ