সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
দেশে ফিরেছেন মালয়েশিয়ায় কুরআন প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হাফেজ হিরা ইউপি নির্বাচনের দিনক্ষণ চূড়ান্ত করতে ইসির বৈঠক ‘নারী-শিশুর সহিংসতা ও যৌন হয়রানিতে 'জিরো টলারেন্স' কঠোরভাবে বাস্তবায়নের বিকল্প নেই’ আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংক যা চাচ্ছে, নতুন সরকারও তাই চাচ্ছে: অর্থমন্ত্রী সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারে ইউনিট প্রতি সাশ্রয় হবে ৫-৬ টাকা ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ শুরু আজ, প্রচারণার নির্দেশ আজও রিয়াদগামী ২ ফ্লাইট বাতিল, ৩ দিনে মোট ৯টি সৌদি আরবের রিয়াদ বিমানবন্দরে ফের হামলা: নিহত ১, আহত ১১ স্ত্রীর মৃত্যুর সাড়ে ৩ ঘণ্টা পর নামাজরত অবস্থায় প্রাণ হারালেন স্বামী সৌদি বিমানবন্দরে হামলায় আহত ২৪ বাংলাদেশির ১৩ জনই ওমরাহযাত্রী

একক না যৌথ পরিবার; সন্তানের জন্য কোনটা ভালো?

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

Happy family with several members in education process

তামিমা তানজিন : নানা কারণে যৌথ পরিবার অনেক কমে গেছে। গ্রামাঞ্চলে এখনো এর অস্তিত্ব টিকে আছে। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে সন্তানের সঠিক বেড়ে ওঠার ক্ষেত্রে কোনটি বেশি প্রয়োজন? দেখা যাক বিচার-বিশ্লেষণে কী পাওয়া যায়।
যৌথ পরিবার
যৌথ পরিবারের বেশ কিছু ইতিবাচক দিক আছে, যেমন- একই সঙ্গে বেড়ে ওঠা চাচাতো, মামাতো, খালাতো, ফুফাতো ভাইবোনদের মধ্যে খুব ভালো বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে। সন্তানরা আদান-প্রদানের মনোভাব নিয়ে বেড়ে উঠতে থাকে। ফলে মনের প্রসারতা ও উদারতা তৈরি হয়। খুব খারাপ সময়গুলোও সম্মিলিতভাবে আনন্দের সঙ্গে পার করতে শেখে বাচ্চারা। এ ছাড়া যৌথ পরিবারের সন্তানরা মানুষের প্রতি সহযোগিতা ও সহমর্মিতা দেখে বড় হয়। সবচেয়ে বড় যে বিষয়টি যৌথ পরিবারের সন্তানদের মধ্যে তৈরি হয় তা হচ্ছে ‘সহনশীলতা’। উল্লিখিত ভালো দিকগুলোর পাশাপাশি কিছু নেতিবাচক দিকও আছে। হয়তো এই নেতিবাচক দিকগুলো আছে বলেই যৌথ পরিবার দিনকে দিন নিশ্চিহ্ন হয়ে পড়ছে।
প্রথমত, একসঙ্গে থাকা পরিবারগুলোর কর্তাদের অর্থনৈতিক উপার্জন একই রকম হয় না। ফলে পরিবারের মধ্যে উঁচু-নিচু ভেদাভেদ তৈরি হয়। যেসব যৌথ পরিবারে আয়ের উৎস এক, সেখানেও দেখা যায় কে কতটুকু শ্রম দিচ্ছে তার ওপর দৃষ্টিভঙ্গির ভেদাভেদ। এখানে দেখা যায় প্রাধান্য বিস্তারকারী পরিবারের ছেলেমেয়েরা এক ধরনের অহংকার এবং সুবিধাবঞ্চিত পরিবারের সন্তানরা এক ধরনের হীনমন্যতা নিয়ে বেড়ে উঠতে থাকে। এ ক্ষেত্রে আলাদা হওয়াই মঙ্গল।
দ্বিতীয়ত, একই সঙ্গে থাকা মানুষের মধ্যে যদি অতিমাত্রায় নেতিবাচক মনোভাব যেমন- হিংসা, প্রতিযোগিতা, কুটনামি, পিছু লেগে থাকা, সন্দেহ, ঝগড়াঝাটি ইত্যাদি দেখা যায়, তবে বুঝতে হবে আলাদা হওয়ার সময় হয়েছে। তৃতীয়ত, যৌথ পরিবারে অনেক সময় বড়দের দ্বারা (বয়সে বড়, অর্থনৈতিকভাবে বড়, প্রাধান্যের দিক দিয়ে বড়) ছোটরা বিভিন্ন ধরনের লাঞ্চনা-বঞ্চনার শিকার হয়। তা হতে পারে মানসিক কিংবা শারীরিক। বিশেষ করে মেয়েসন্তানরা যৌন অপব্যবহারের শিকার হয়ে থাকে।
একক পরিবার
একক পরিবারে মা-বাবা ও সন্তানের মধ্যেই আবেগের গণ্ডি তৈরি হয় ও সীমাবদ্ধ থাকে। পরিবারের যতটুকু সুযোগ-সুবিধা, পুরোটাই সন্তান পায় আবার যতটুকু অসুবিধা বা সমস্যা পুরোটাই সন্তানকে মেনে নিয়ে বড় হতে হয়।
১. একক পরিবারের সন্তানদের ছোটবেলা থেকেই এক ধরনের একাকিত্বে ভুগতে দেখা যায়। যেমন- বাচ্চাটি দিনের বেশির ভাগ সময় কাটায় বাড়ির বুয়ার সঙ্গে; এ ছাড়া থাকে ড্রাইভার, দারোয়ান ও বাড়ির কেয়ারটেকারের সঙ্গে।
২. পরিবার বলতে আমাদের সন্তানরা যা বুঝবে, বড় হয়েও সে তাই পরিচর্যা করবে। ‘বাবা তাঁর মা-বাবা-ভাইবোনদের à