সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতে সৌদি আরব ও কাতারের সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ বিশ্বজয়ী হাফেজ ইহতেশামুল হক হিরাকে সংবর্ধনা দিল ধর্ম মন্ত্রণালয় লক্ষ্মীপুরে ড্রাম ট্রাকচাপায় বৃদ্ধ ভ্যানচালকের মৃত্যু দেশে ফিরেছেন মালয়েশিয়ায় কুরআন প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হাফেজ হিরা ইউপি নির্বাচনের দিনক্ষণ চূড়ান্ত করতে ইসির বৈঠক ‘নারী-শিশুর সহিংসতা ও যৌন হয়রানিতে 'জিরো টলারেন্স' কঠোরভাবে বাস্তবায়নের বিকল্প নেই’ আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংক যা চাচ্ছে, নতুন সরকারও তাই চাচ্ছে: অর্থমন্ত্রী সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারে ইউনিট প্রতি সাশ্রয় হবে ৫-৬ টাকা ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ শুরু আজ, প্রচারণার নির্দেশ আজও রিয়াদগামী ২ ফ্লাইট বাতিল, ৩ দিনে মোট ৯টি

কলার নাম অগ্নিসাগর

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

18180_itm2ডেস্ক নিউজ : অগ্নিসাগর কলার বাণিজ্যিক চাষের দিকে ঝুঁকছেন পিরোজপুর কাউখালীর কৃষকরা। এরই মধ্যে অর্থকরী ফসলের তালিকায় স্থান করে নিয়েছে অগ্নিসাগর কলা।

বছর দশেক আগে এ উপজেলায় হাতেগোনা দু-তিনটি অগ্নিসাগর কলার বাগান থাকলেও সম্প্রতি বহু বাগান হয়েছে। স্থানীয় চাষিদের দেখে বেকার যুবকরাও উদ্বুদ্ধ হচ্ছে এ কলা চাষে। স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে দেশের বিভিন্ন জেলায় যাচ্ছে কাউখালীর লাল কলা। অগ্নিসাগর কলার খোসার রং হলুদাভ কমলা, গাঢ় কমলা, লাল এবং লালচে বেগুনি হয়ে থাকে। এশিয়া ও দক্ষিণ আমেরিকার অনেক দেশে জন্মে এ কলা। ভেতরটা প্রচলিত জাতের কলার মতোই হালকা ঘিয়া রঙের, তবে কখনও কখনও গোলাপি আভাও থাকে। এ জাতের কলায় ক্যারোটিন ও ভিটামিন সি-এর পরিমাণ বেশি থাকে। কাউখালীর কৃষকরা সাধারণত কাঁঠালি কলা, সাগর কলা, সবরি কলার চাষ করেন। তবে এখন অগ্নিসাগরের প্রতি ঝুঁকেছেন তারা।

কারণ এ কলার দাম ও চাহিদা দুটোই বেশি। এখানে প্রতি একর জমিতে ৮শ’ থেকে ১ হাজার কলার চারা রোপণ করা হয়। আর ১১ থেকে ১২ মাসের মধ্যে রোপণকৃত গাছ থেকে কলা পাওয়া যায়। কৃষকরা জানান, কলা বিক্রি করার জন্য দূরে কোথাও যেতে হয় না। বিভিন্ন এলাকা থেকে ব্যবসায়ী ও পাইকার এসে বাগান থেকেই কলা কিনে নিয়ে যায়। কাউখালী উপজেলার শিয়ালকাঠি ইউনিয়নের ফলইবুনিয়া গ্রামের কলা বাগান চাষি কয়েস তালুকদার জানান, এই কলাটি একটি ব্যতিক্রমী কলা। এর পরিচর্যা এবং সার ও অন্যান্য উপকরণাদি বেশ যত্নের সঙ্গেই করতে হয়। তিনি আরো জানালেন, নিজের বাগানে বসেই পাইকারদের কাছে প্রতিটি অগ্নিসাগর কলার চারা ৪০ টাকা করে বিক্রয় করেন। জেলার বিভিন্ন হাট বাজারে প্রতি হালি (৪টি) অগ্নি সাগরকলা ৬০ থেকে ৬৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ মো. আবুল হোসেন তালুকদার কয়েস তালুকদারের বাগান সরজমিনে ঘুরে বলেছেন, অগ্নিসাগর কলার যথেষ্ট বাণিজ্যিক সম্ভাবনা রয়েছে জেলা ও জেলার বাইরেও। সম্পূর্ণ কীটনাশকমুক্ত হওয়ায় এই কলাটি বিদেশেও রপ্তানি করা সম্ভব। ওই কর্মকর্তা আরো জানান, অন্যান্য উপজেলাসহ কাউখালীর শিয়ালকাঠী, বিড়ালজুরি, জোলাগাতী ও চিরপাড়া গ্রামে অগ্নিসাগর কলার ব্যাপক চাষাবাদ রয়েছে। উপজেলার প্রায় ২৫ হেক্টর জমিতে এই কলার চাষ রয়েছে।


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ