সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
১৩ মাসে হাফেজ হলো ১০ বছরের নাঈম নিকাব নিয়ে কটূক্তি: ঢাবির সেই শিক্ষিকাকে ‘লাল কার্ড’ দেখালেন শিক্ষার্থীরা আলোর পথের যাত্রী  সিলেট সিটিতে মেয়র প্রার্থী ঘোষণা করল বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস বিএনপি-জামায়াত আমলে আলিয়া মাদরাসা বাড়ে ১৫৪১টি, আ.লীগ আমলে কমেছে ১৭৯টি আলী মিয়াঁ নদভীকে নিয়ে বই লিখে দিল্লি উর্দু একাডেমির পুরস্কার লাভ রিয়াদ বিমানবন্দরে হামলায় হেফাজতের শোক, ক্ষতিপূরণ ও বিনামূল্যে চিকিৎসার দাবি রিয়াদ বিমানবন্দরে হুতি হামলার নিন্দা পাকিস্তানসহ ৪ দেশের  বিশ্বজয়ী হাফেজ হিরাকে শুভেচ্ছা জানালেন মাওলানা খালেদ সাইফুল্লাহ আইয়ুবী ২০২৭ সালে পাঁচ ধাপে ইউপি নির্বাচন, তারিখ চূড়ান্ত

মিশরে শত শত মানুষ গুম: অ্যামনেস্টি

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

mishorঢাকা : আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশানাল বলছে মিশরের নিরাপত্তা বাহিনী ভিন্নমত দমনের চেষ্টায় গত এক বছরে কয়েকশ মানুষকে গুম করে তাদের ওপর নির্যাতন চালিয়েছে।

অ্যামনেস্টির নতুন প্রকাশিত রিপোর্টে বলা হয়েছে গুম হওয়াদের মধ্যে রয়েছে শিক্ষার্থী, রাজনৈতিক কর্মী এবং বিক্ষোভকারীরা, যাদের মধ্যে ১৪ বছরের কিশোরও রয়েছে।

তারা অভিযোগ করছে আটক ব্যক্তিদের অনেককে চোখ বেঁধে, এবং হাতকড়া পরিয়ে মাসের পর মাস আটকে রাখা হয়েছিল।

মিশরের সরকার গুম এবং নির্যাতনের কৌশল ব্যবহারের অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মাগদি আব্দুল গফর জোর দিয়ে বলেছেন মিশরের নিরাপত্তা বাহিনীকে দেশটির আইন মেনে তাদের তৎপরতা চালাতে হয়।

প্রেসিডেন্ট আব্দুল ফাতাহ আল সিসির নেতৃত্বাধীন সামরিক অভ্যুত্থানে মোহাম্মদ মোরসি ক্ষমতাচ্যুত হবার পর থেকে মিশরে এক হাজারের বেশি মানুষকে হত্যা করা হয়েছে এবং ৪০ হাজারের বেশি লোককে কারারুদ্ধ করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

২০১৩ সালে মিঃ মোরসি মিশরের প্রথম গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত রাষ্ট্রপ্রধান হিসাবে ক্ষমতায় আসেন।

অ্যামনেস্টির মধ্যপ্রাচ্য এবং উত্তর আফ্রিকা বিষয়ক সংবাদদাতা ফিলিপ লুথার বলছেন মার্চ ২০১৫-য় মিঃ সিসি এবং মিঃ আব্দুল গফর ক্ষমতায় আসার পর থেকে মিশরে গুম ''রাষ্ট্রীয নীতির প্রধান হাতিয়ার'' হয়ে উঠেছে।

দেশটিতে স্থানীয় বেসরকারি সংস্থাগুলোর বরাত দিয়ে অ্যামনেস্টি বলছে সেখানে প্রতিদিন গড়ে ৩ থেকে ৪ জনকে আটক করা হচ্ছে। জাতীয় নিরাপত্তা সংস্থা (এনএসএ)-র নেতৃত্বে সশস্ত্র নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা তাদের বাড়িতে হানা দিয়ে তাদের উঠিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।

কায়রোয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সদর দপ্তরের ভেতর এনএসএ-র কার্যালয়ে শত শত লোককে আটকে রাখা হয়েছে বলে ধারণা করা হয়।

মিঃ লুথার বলেছেন এই রিপোর্টে নিরাপত্তা বাহিনী ও বিচার বিভাগের যোগসাজসের অভিযোগও তুলে ধরা হয়েছে। তিনি বলছেন "বিচার বিভাগীয় কর্তৃপক্ষ সেনাবাহিনীর দোষ ঢাকতে মিথ্যা বলতেও প্রস্তুত এবং নির্যাতনের অভিযোগ তদন্ত করতে ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে।''

অ্যামনেস্টির রিপোর্টে মাজেন মোহামেদ আবদাল্লাহ নামে ১৪ বছরের এক কিশোরের ঘটনা তুলে ধরা হয়েছে, যাকে কায়রোর নাসের সিটিতে তার বাড়ি থেকে এনএসএ-র লোকেরা তুলে নিয়ে যায় ৩০শে সেপ্টেম্বর। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল সে নিষিদ্ধঘোষিত মুসলিম ব্রাদারহুডের সদস্য এবং অননুমà§