সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
সিলেট সিটিতে মেয়র প্রার্থী ঘোষণা করল বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস বিএনপি-জামায়াত আমলে আলিয়া মাদরাসা বাড়ে ১৫৪১টি, আ.লীগ আমলে কমেছে ১৭৯টি আলী মিয়াঁ নদভীকে নিয়ে বই লিখে দিল্লি উর্দু একাডেমির পুরস্কার লাভ রিয়াদ বিমানবন্দরে হামলায় হেফাজতের শোক, ক্ষতিপূরণ ও বিনামূল্যে চিকিৎসার দাবি রিয়াদ বিমানবন্দরে হুতি হামলার নিন্দা পাকিস্তানসহ ৪ দেশের  বিশ্বজয়ী হাফেজ হিরাকে শুভেচ্ছা জানালেন মাওলানা খালেদ সাইফুল্লাহ আইয়ুবী ২০২৭ সালে পাঁচ ধাপে ইউপি নির্বাচন, তারিখ চূড়ান্ত জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতে সৌদি আরব ও কাতারের সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ বিশ্বজয়ী হাফেজ ইহতেশামুল হক হিরাকে সংবর্ধনা দিল ধর্ম মন্ত্রণালয় লক্ষ্মীপুরে ড্রাম ট্রাকচাপায় বৃদ্ধ ভ্যানচালকের মৃত্যু

প্রাকৃতিক বিপর্যয় সম্পর্কে রাসূল সা. এর ভবিষ্যদ্বাণী

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

prakitikড. এ এইচ এম সোলায়মান : আমাদের এ পৃথিবী মহাশূন্যে ভাসমান অন্যান্য গ্রহের মতো একটি গ্রহ। দৃষ্টিতে পড়ার মতো এর কোনো খুঁটি বা পিলার নেই। এর চার দিকেই বিশাল শূন্যতা বিরাজ করছে। এ পৃথিবীর পরিধি হচ্ছে ২৫ হাজার মাইল এবং আয়তন ২০ কোটি ১৯ লাখ বর্গমাইল। এটি দেখতে অনেকটা কমলা লেবুর মতো চ্যাপ্টা গোলাকার। এর চেয়ে বহু বড় গ্রহ-নক্ষত্র মহাশূন্যে ভাসমান রয়েছে।

মানুষের এ সুন্দর পৃথিবীতে প্রলয়ঙ্করী ধ্বংসলীলার কারণেই সাধিত হয় ঝড়, জলোচ্ছ্বাস, বন্যা, প্লাবন, মহামারী, ভূমিকম্প ইত্যাদি। একে আমরা প্রাকৃতিক দুর্যোগ বলে থাকি। এসব বিপর্যয় কেন সংঘটিত হয়? এসব ভয়াবহ বিপদের কারণ কী? মহানবী সা: কর্তৃক প্রদত্ত ভবিষ্যদ্বাণীতেই এর জবাব পরিলক্ষিত হয়। 

আল্লাহ তায়ালা মানুষকে বিবেক-বুদ্ধি ও ইচ্ছাশক্তি দান করেছেন এবং পাপ-পুণ্যের পথ সুস্পষ্টভাবে বর্ণনা করেছেন। কেউ যদি স্বেচ্ছায় পাপের পথে পা বাড়ায়, তাহলে আল্লাহর রীতি এই যে, তিনি তাকে সেই উপায়-উপকরণ ব্যবহার করার সুযোগ করে দেন। কাজেই মানুষের অবাধ্যতা ও গুনাহের কারণেই যে প্রাকৃতিক বিপর্যয় নেমে আসে, সে সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ সা: থেকে একটি হাদিস বর্ণিত হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘যখন আমার উম্মতের মধ্যে নিন্মে উল্লেখিত বৈশিষ্ট্য পরিলক্ষিত হবে তখন তাদের ওপর প্রাকৃতিক বিপর্যয় নাজিল হবে। রাসূল সা:কে জিজ্ঞেস করা হলো, হে আল্লাহর রাসূল। এ বৈশিষ্ট্যগুলো কী? তিনি বলেন-

১. যখন গনিমতের সম্পদ রাষ্ট্রীয়করণ করা হবে।

২. রাষ্ট্রীয় আমানতকে গনিমত মনে করা হবে।

৩. জাকাতকে জরিমানা মনে করা হবে।

৪. পুরুষেরা তাদের স্ত্রীদের আনুগত্য করতে শুরু করবে।

৫. ব্যক্তি তার মায়ের অবাধ্য হবে।

৬. বন্ধুর সাথে সদাচরণ করবে অথচ পিতামাতার সাথে অসদাচরণ করবে।

৭. মসজিদে উচ্চঃস্বরে কথা বলা হবে।

৮. সম্প্রদায়ের মধ্যে সবচেয়ে নিকৃষ্ট লোকেরা নেতা হবে।

৯. কোনো ব্যক্তিকে তার অপকর্মের ভয়ে সম্মান করা হবে।

১০. মদপান করা হবে। রেশমি পোশাক পরিধান করা হবে।

১১. গায়িকা ও বাদ্যযন্ত্র বৃদ্ধি পাবে।

১২. শেষের লোকেরা প্রথম যুগের লোকদেরকে অভিসম্পাত করবে; তখন তারা যেন গরম বাতাস প্রবাহিত হওয়া বা ভূমিধস সংঘটিত হওয়া বা চেহারা বিকৃতি হওয়ার অপেক্ষা করে’ (তিরমিজি-৪/৯৪)।

মূলত মানবজাতির অকর্মই সব à¦