সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
রিয়াদ বিমানবন্দরে হুতি হামলার নিন্দা পাকিস্তানসহ ৪ দেশের  বিশ্বজয়ী হাফেজ হিরাকে শুভেচ্ছা জানালেন মাওলানা খালেদ সাইফুল্লাহ আইয়ুবী ২০২৭ সালে পাঁচ ধাপে ইউপি নির্বাচন, তারিখ চূড়ান্ত জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতে সৌদি আরব ও কাতারের সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ বিশ্বজয়ী হাফেজ ইহতেশামুল হক হিরাকে সংবর্ধনা দিল ধর্ম মন্ত্রণালয় লক্ষ্মীপুরে ড্রাম ট্রাকচাপায় বৃদ্ধ ভ্যানচালকের মৃত্যু দেশে ফিরেছেন মালয়েশিয়ায় কুরআন প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হাফেজ হিরা ইউপি নির্বাচনের দিনক্ষণ চূড়ান্ত করতে ইসির বৈঠক ‘নারী-শিশুর সহিংসতা ও যৌন হয়রানিতে 'জিরো টলারেন্স' কঠোরভাবে বাস্তবায়নের বিকল্প নেই’ আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংক যা চাচ্ছে, নতুন সরকারও তাই চাচ্ছে: অর্থমন্ত্রী

নামাজে মনযোগ ধরে রাখার সহজ উপায়

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

Muslim-praying2

মাওলানা ইমরান আনোয়ার; আওয়ার ইসলাম

প্রতিটি মানুষের অবস্থান ও পদমর্যাদা অনুসারে আমরা তাদের সম্মান প্রদর্শন করে থাকি। কোন অফিসিয়াল কাজে অংশগ্রহণের জন্য আমাদের যেমন প্রস্তুতির প্রয়োজন হয়, তারচেয়ে একেবারেই ভিন্ন হয় বন্ধুদের সাথে দেখা করার বেলায়। এ ব্যপারটি ভেবে নিয়ে বলা যায়, প্রতিদিন অন্তত পাঁচবার বিশ্ব ব্রহ্মাণ্ডের রাজাধিরাজ মহান স্রষ্টার সাথে আমাদের মুলাকাত হয়। আমরা কি আমাদের শরীর ও আত্মাকে সেজন্য ভালভাবে প্রস্তুত করি? সত্যিই কি আমরা উপলব্ধি করতে পারি আসলে কার সাথে আমরা কথা বলতে যাচ্ছি? এবং কত মহান ও ক্ষমতাসম্পন্ন সেই স্রষ্টা- তা কি আমাদের ধারণা আছে?

আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা কুরআনে বলেছেন, "তারা আল্লাহকে যথার্থরূপে বোঝেনি। কেয়ামতের দিন গোটা পৃথিবী থাকবে তাঁর হাতের মুঠোতে এবং আসমান সমূহ ভাঁজ করা অবস্থায় থাকবে তাঁর ডান হাতে। তিনি পবিত্র। আর এরা যাকে শরীক করে, তা থেকে তিনি অনেক উর্ধ্বে।"
একবার এক ইহুদি আলেম নবীজির কাছে আসলেন। এসে তাঁকে বললেন, "হে মুহাম্মাদ! নিশ্চয় আল্লাহ তায়ালা, যিনি আপন মহিমায় উজ্জ্বল এবং সুমহান মর্যাদার অধিকারী, কেয়ামতের দিন পুরো জান্নাতকে তাঁর আঙ্গুলের ডগায় নিয়ে আসবেন। অন্য আঙ্গুলে পুরো পৃথিবীকে, গাছপালা এবং পাহাড় পর্বতকে আরেকটি ভিন্ন আঙ্গুলে এবং সাগর-নদী ও বৃষ্টিকে তাঁর অপর আঙ্গুলে বহন করবেন। আসলে পুরো সৃষ্টিজগতকেই তিনি তাঁর এক আঙ্গুলে জড়ো করে ফেলবেন। তারপর সেগুলোকে তিনি ঝাঁকুনি দিবেন এবং বলবেন, "আমি তোমাদের প্রভু, আমি তোমাদের প্রভু"!

এ কথা শুনে আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) হাসলেন। ইহুদি আলেমের কথাকে স্বীকৃতি দিলেন তিনি। তারপর উপরোল্লিখিত আয়াতটি পাঠ করলেন রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)।

প্রতিটি অজুর আগে আপনি গভীর মনোযোগে ভাবুন, আপনি কার দেখা পেতে যাচ্ছেন এবং কার সাথে আপনার কথা হবে! তিনি সাধারণ কেউ নন, তিনি আল্লাহ, মহা পরাক্রমশালী, সুউচ্চ মর্যাদার অধিকারী। এতে করে আমাদের নামাজে মনোযোগ ধরে রাখা সহজ হবে; নামাজ সুন্দরও হবে। আসলে কী, নামাজের জন্য মানসিক-আধ্যাত্মিক এবং শারীরিক প্রস্তুতিই হল অজু। নামাজ শুদ্ধ হওয়ার জন্য অজু হল অবশ্যকরণীয় আমল। রাসুল (সা) বলেছেন, "যে ব্যক্তি অজু ব্যতিত নামাজ পড়বে, তার নামাজ কবুল হবেনা"।

আচ্ছা, আমি যদি অজু না করি কেউ কি সেটা জানবে? নাকি কেউ আমাকে জিà