সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
২০২৭ সালে পাঁচ ধাপে ইউপি নির্বাচন, তারিখ চূড়ান্ত জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতে সৌদি আরব ও কাতারের সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ বিশ্বজয়ী হাফেজ ইহতেশামুল হক হিরাকে সংবর্ধনা দিল ধর্ম মন্ত্রণালয় লক্ষ্মীপুরে ড্রাম ট্রাকচাপায় বৃদ্ধ ভ্যানচালকের মৃত্যু দেশে ফিরেছেন মালয়েশিয়ায় কুরআন প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হাফেজ হিরা ইউপি নির্বাচনের দিনক্ষণ চূড়ান্ত করতে ইসির বৈঠক ‘নারী-শিশুর সহিংসতা ও যৌন হয়রানিতে 'জিরো টলারেন্স' কঠোরভাবে বাস্তবায়নের বিকল্প নেই’ আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংক যা চাচ্ছে, নতুন সরকারও তাই চাচ্ছে: অর্থমন্ত্রী সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারে ইউনিট প্রতি সাশ্রয় হবে ৫-৬ টাকা ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ শুরু আজ, প্রচারণার নির্দেশ

ম্যান্ডেলাকে লেখা আরব শীর্ষ আলেমের চিঠি!

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

onstage during the 46664 Concert In Celebration Of Nelson Mandela's Life held at Hyde Park on June 27, 2008 in London, England.আওয়ার ইসলাম: মৃত্যুর মাসখানেক আগে নোবেলজয়ী শান্তিবাদী আফ্রিকান নেতা নেলসন ম্যান্ডেলাকে একটি চিঠি লেখেন সৌদি আরবের প্রখ্যাত আলেম, ইসলাম প্রচারক, সুবক্তা ও জনপ্রিয় লেখক ড. আয়েজ আল কারনি। চিঠির সঙ্গে ম্যান্ডেলার জন্য তিনি নিজের লেখা বহুল প্রচারিত ও বহু ভাষায় অনূদিত বই লা তাহজান এর একটি কপিও উপহার পাঠান।সম্প্রতি টুইটারে তিনি নিজেই তার মাতৃভাষায় নেতা নেলসন ম্যান্ডেলার কাছে পাঠানো আমার পুরনো চিঠি শিরোনামে ওই চিঠির লিংক তুলে ধরে এটি তার জন্য দুনিয়া ও আখেরাতের সাফল্য ও কল্যাণের সুযোগ নিশ্চিত করত বলে মন্তব্য করেছেন।সিএনএন অনলাইন আরবি ভার্সন চিঠিটি প্রকাশ করে।সেখান থেকে মিসরের গেট আল আহরাম পত্রিকাসহ আরব বিশ্বের অনেক সংবাদ মাধ্যমে চিঠিটি প্রকাশ করা হয়।চিঠিতে তিনি লিখেছেন—

 
হে মহান নেতা!

আপনাকে অভিবাদন।আমি পৃথিবীর পূর্ব-পশ্চিমের সেই কোটি কোটি মানুষের একজন, যারা আপনার লড়াই সম্পর্কে জেনেছেন; আপনার বীরত্বে অভিভূত হয়েছেন এবং নিজের মানবাধিকার, স্বজাতির স্বাধীনতা ও লক্ষ্য অর্জনের পথে আপনার আত্মোৎসর্গ ও কর্তব্য নিষ্ঠায় বিস্মিত।আপনি হয়ে উঠেছেন স্বাধীনতার আকাশের উজ্জ্বল তারকা, লড়াইয়ের অঙ্গনে বিশ্বজনীন নেতা ও মানবাধিকার সনদের মহান রূপকার।হে মহান নেতা, সন্দেহ নেই আল্লাহ প্রদত্ত সত্য ধর্ম ইসলাম একটি মহান ধর্ম, যা সম্মানিতদের শ্রদ্ধা করে, সৃষ্টিশীলদের সম্মানিত করে, ভদ্রদের স্বাগত জানায়।আর আপনি তাদেরই একজন।ইসলাম সাম্যের ধর্ম।এ ধর্ম আরব দেশের শ্বেতাঙ্গ ওমর আর হাবশার কৃষ্ণাঙ্গ বেলালের মধ্যে এবং পারস্যের সালমান আর রোমের সোহাইবের মধ্যে সমতা ও ভ্রাতৃত্ব প্রতিষ্ঠা করেছে।এ ধর্ম সর্বপ্রকার জুলুমকে প্রত্যাখ্যান করে, স্বৈরাচারিতাকে নিষিদ্ধ করে এবং বর্ণ, গোত্র ও ভাষার পার্থক্য ঘুচিয়ে দেয়।