দেশের বিশিষ্ট আলেমে দ্বীন, ইসলামী চিন্তাবিদ, শিক্ষাবিদ, লেখক ও গবেষক মাওলানা শাহ নজরুল ইসলাম। পবিত্রভূমি বৃহত্তর সিলেটের কৃতি সন্তান। আওয়ার ইসলাম টোয়েন্টি ফোরের পক্ষ থেকে তার সাক্ষাৎকার গ্রহণ করেছেন অনুবাদক ও কলামিস্ট মাওলানা আবদুল আজীজ আল হেলাল। সম্পাদনা : জাকির মাহদিন
আবদুল আজীজ আল হেলাল : আধুনিক প্রযুক্তি ও জ্ঞান-বিজ্ঞান এখন অনেকদূর এগিয়েছে। মুসলমানগণ এক্ষেত্রে যথেষ্ট পিছিয়ে। অথচ একসময় জ্ঞান-বিজ্ঞানে মুসলমানরাই পৃথিবীর শীর্ষে ছিল। সেই হারানো ঐতিহ্য পুনরুদ্ধারের উপায় কী?
শাহ নজরুল ইসলাম : উপায় হচ্ছে বিজ্ঞান চর্চায় মনোনিবেশ করা। উদ্ভাবন, গবেষণা, আবিষ্কারে আত্মনিয়োগ করা। তথ্য প্রযুক্তিতে সম্মানজনক অংশীদারিত্ব প্রতিষ্ঠা করা। বিজ্ঞান চর্চার প্রতি আমাদের যে অনিহা অবহেলা তা থেকে বেরিয়ে আসা। বিজ্ঞানমনস্ক জাতি গড়ে তোলা।
আবদুল আজীজ আল হেলাল : ইসলামী শরীয়াহর আলোকে স্যাটেলাইট টিভি চ্যানেল, ভিডিও রেকর্ডিং ও অন্যান্য প্রচার মাধ্যমে ইসলামী ব্যক্তিত্ব বিশেষত আলেমগণের অংশগ্রহণ আপনি কিভাবে দেখেন?
শাহ নজরুল ইসলাম : আমাদের উপমহাদেশে বিষয়টি নিয়ে একধরনের ধুম্রজাল ও অস্পষ্টতা ছিল যা পৃথিবীর অন্যান্য দেশে ছিল না। বর্তমানে বেতার ও টেলিভিশনে আলেমদের অংশগ্রহণ দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। নানা বিষয়ে ইসলামের আলোকে তারা গণমাধ্যমে কথা বলছেন। এতে সাধারণ মানুষ উপকৃত হচ্ছে। টেলিভিশন পৃথিবীর শক্তিশালী গণমাধ্যম। এটি মানুষকে দারুণভাবে প্রভাবিক করে। গত ক’বছর আগে দারুল উলুম করাচী পাকিস্তান থেকে এ বিষয়ে একটি ফতোয়া জারি হয়েছে যাতে এর প্রতি ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি প্রকাশিত। এটি উপমহাদেশের রক্ষণশীল আলেমদের দৃষ্টিভঙ্গির ইতিবাচক পরিবর্তনে ভূমিকা রাখবে বলে আশা করি। আমি গণমাধ্যমে আলেমদের অংশগ্রহণকে স্বাগত জানাই।
বড় বড় মাদরাসাগুলোতে গণমাধ্যম ও সাংবাদিকতা বিভাগ খোলা যেতে পারে। এক্ষেত্রে দারুর-রশিদ-মীরপুর পথিকৃতের ভূমিকা পালন à