সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
২০২৭ সালে পাঁচ ধাপে ইউপি নির্বাচন, তারিখ চূড়ান্ত জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতে সৌদি আরব ও কাতারের সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ বিশ্বজয়ী হাফেজ ইহতেশামুল হক হিরাকে সংবর্ধনা দিল ধর্ম মন্ত্রণালয় লক্ষ্মীপুরে ড্রাম ট্রাকচাপায় বৃদ্ধ ভ্যানচালকের মৃত্যু দেশে ফিরেছেন মালয়েশিয়ায় কুরআন প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হাফেজ হিরা ইউপি নির্বাচনের দিনক্ষণ চূড়ান্ত করতে ইসির বৈঠক ‘নারী-শিশুর সহিংসতা ও যৌন হয়রানিতে 'জিরো টলারেন্স' কঠোরভাবে বাস্তবায়নের বিকল্প নেই’ আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংক যা চাচ্ছে, নতুন সরকারও তাই চাচ্ছে: অর্থমন্ত্রী সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারে ইউনিট প্রতি সাশ্রয় হবে ৫-৬ টাকা ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ শুরু আজ, প্রচারণার নির্দেশ

উসূলে হাশতেগানা মানলে সরকারি সনদের প্রশ্ন আসে কেন? -দেওবন্দের মুফতিয়ে আজম হাবিবুর রহমান খায়রাবাদি

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

mufti-khairabadiআওয়ার ইসলাম: মুফতিয়ে আজম হাবিবুর রহমান খায়রাবাদি দারুল উলুম দেওবন্দের প্রধান মুফতি৷ হযরত প্রায় ৩০ বছর ধরে বারবার বাংলাদেশ সফর করেছেন৷ বাংলাদেশের সরকার, শিক্ষাব্যবস্থা, কওমি মাদরাসা, উলামায়ে কেরাম সব বিষয়েই হযরতের যথেষ্ট ধারণা্ রয়েছে৷ তার সাথে আওয়ার ইসলামের পক্ষ থেকে প্রায় ঘণ্টাব্যাপী বাংলাদেশে কওমি সনদের স্বীকৃতির বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়৷ স্বীকৃতি প্রশ্নে আমাদের শ্রদ্ধাভাজন উলামাদের মধ্যকার এখতেলাফের বিষয়টিও উঠে আসে৷

লিখেছেন ভারতের দেওবন্দ থেকে হাওলাদার জহিরুল ইসলাম। পরিকল্পনা ও সম্পাদনা, সাইফুল ইসলাম রিয়াদ

হযরত বলেন, তোমাদের দেশের উলামাদের মাঝে তুলনামূলক এখতেলাফ বেশি৷ দ্বীনি এখতেলাফের চেয়ে রাজনৈতিক এখতেলাফ বেশি৷ যা আমাদের হিন্দুস্তানে নেই৷ আমাদের এখানে শিয়া-সুন্নি, মাযহাবি-লা মাযহাবি, দেওবন্দী-বেরেলভী-মওদূদিয়াত এদের মাঝে স্পষ্ট এখতেলাফ রয়েছে এবং এটা দ্বীনি এখতেলাফ৷ কিন্তু ইসলাম ও মুসলমানের যে কোনো বিপদে সবাই এক কাতারে দাঁড়াতে পারে৷’

হজরত উদাহরণ হিসেবে ভারতের সুপ্রিম কোর্টে চলামান 'তিন তালাক বাতিল' সংক্রান্ত মামলাটির কথা উল্লেখ করে বলেন, ‘এ মামলাটির রায় যাতে মুসলমানদের পক্ষে হয় সে জন্য এ দেশের সব দলের মুসলিম নেতারা আজ ঐক্যবদ্ধ৷ তোমাদের দেশের অবস্থা কিছুটা ভিন্ন৷’

হাবিবুর রহমান খায়রাবাদি বলেন, বাংলাদেশের কওমি উলামা ও মাদারেসের প্রতি খুব একটা আন্তরিক বলে মনে হয় না ৷ তবে সরকারের মনোভাব যদি পরিবর্তন হয়ে থাকে তাহলে ভিন্ন কথা৷ সবচে' বড় কথা হলো তোমাদের আম-খাস সবার মাঝেই দারুল উলুম ও উলামায়ে দেওবন্দকে অনুসরণ করার জজবা আছে৷ তাই দারুল উলুম যে নীতি ও আদর্শের ওপর চলছে বাংলাদেশের কওমি মাদরাসাগুলোকেও সে নীতি আদর্শ মেনে চলা উচিত৷ 'উসূলে হাশতেগানা' মানলে তো সরকারি সনদের প্রশ্নই আসে না৷ উলামাদের উচিত উসূলে হাশতেগানা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা করা৷

তিনি বলেন, সরকার যদি স্বীকৃতি দিতে চায় আর কওমি আলেমগণ তা গ্রহণ করতে চান তাহলে সর্বপ্রথম উলামাদের মাঝে এত্তেহাদ(ঐক্য) হওয়া জরুরী৷ এর পর সনদের বিষয়ে উলামাদের মাঝে বà¦