আওয়ার ইসলাম: কাশ্মীরের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হুররিয়ত কনফারেন্সের নেতা সৈয়দ আলী শাহ গিলানী ইন্ডিয়া টুডে পত্রিকাকে এই সাক্ষাতকারটি দিয়েছিলেন আরও বছরখানেক আগে। সাম্প্রতিক সময়ে আবার রক্তে ভাসছে কাশ্মীর। গত দুই মাসে কাশ্মীরে নিহত হয়েছে শত শত মানুষ। অন্ধ ও পঙ্গু হয়েছে কয়েক হাজার। আর সৈয়দ গিলানীকে গৃহবন্দী করে রাখা হয়েছে। তাই সাক্ষাতকারটি এখনও খুবই প্রাসঙ্গিক।
[তিনি একটি রুটি ছিড়ছিলেন; গরম পানি খেয়ে নিলেন। এরপর চুমুক দিলেন চায়ে। প্রতিদিন বিকাল ৪টায় এটাই তার নাশতা। সৈয়দ আলী শাহ গিলানি ঘড়ির কাঁটা ধরে রুটিন মেনে চলেন।
(শেষ রাতের) তাহাজ্জুদ নামাজ, পত্রিকা পড়া, ভয়েস অব আমেরিকা এবং বিবিসি’র হিন্দি ও উর্দু সার্ভিসের খবর দিনে দু’বার শোনা, এক ঘণ্টা ব্যায়াম এবং ডায়েরির এক পৃষ্ঠা লেখা। বাড়িতে নেই কোনো টিভি।
কারণ, তিনি বিজ্ঞাপনগুলো পছন্দ করেন না। আর হ্যাঁ, কোনো আলোচনা নয় ভারতের সাথে, যে পর্যন্ত না তারা কাশ্মীরে জাতিসঙ্ঘের অধীনে গণভোট অনুষ্ঠানের ওয়াদা করার কথা স্বীকার করে নেয়। ‘ইন্ডিয়া টুডে’ সাময়িকীর ব্যবস্থাপনা সম্পাদক কাবেরি বামজাইকে গিলানি এটাই বললেন।]
প্রশ্ন : আপনার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতার যে অভিযোগ, সে সম্পর্কে কী ভাবছেন?
উত্তর : আমার বিরুদ্ধে ৯০টি এফআইআর দায়ের করা হয়েছে এ পর্যন্ত। তাই ৯১ নম্বর এফআইআর কোনো ব্যাপারই না আমার জন্য। যা শ্রীনগরে বলে থাকি, সেটাই ২১ অক্টোবর বলেছি দিল্লিতে। এটা কঠিন বাস্তবতা। এর মানে, জম্মু ও কাশ্মীর বিতর্কিত ভূখণ্ড। এটা ভারতের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ নয়।
১৯৪৭-এর ২৭ অক্টোবর ভারত এটাকে বলপ্রয়োগে জবরদখল করে নিয়েছে। কাশ্মীরের ভারতে সংযুক্তির দলিল নিয়ে অনেক প্রশ্ন। মহারাজা হরি সিং এতে স্বাক্ষর দেয়ার কথা। কিন্তু সইটা কি ছিল? পয়লা কথা হলো, তা ছিল না। দ্বিতীয় কথা, যে দিন এতে তার সই দেয়ার কথা ছিল, সে দিনটিতে তিনি শ্রীনগর থেকে সড়ক পথে যাচ্ছিলেন জম্মু। তা হলে কিভাবে তিনি সই দিতে সক্ষম হলেন? এদিকে, (ভারতের সে সময়ের প্রধানমন্ত্রী) পণ্ডিত জওয়াহের লাল নেহরু লাল চকে বললেন, ‘আমাদের সেনাবাহিনী কাশ্মীরে চিরদিন থাকবে না। আর আপনারা, কাশ্মীরবাসীরা, নিজেদের মুস্তাকবিল (ভবিষ্যৎ) নির্ধারণের সুযোà¦