আওয়ার ইসলাম: বুধবার সন্ধ্যায় আল্লামা আহমদ শফীর চিঠি নিয়ে প্রধামন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশ কওমি মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড- বেফাকের প্রতিনিধিরা। আল্লামা আশরাফ আলীর নেতৃত্বে ৯ সদস্যে এই প্রতিনিধি দলে ছিলেন, ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মাওলানা আবদুল কুদ্দুস, সহসভাপতি মাওলানা সাজিদুর রহমান, মাওলানা নূরুল ইসলাম, যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মাহফুজুল হক, মুফতি নুরুল আমিন, মাওলানা আনাস মাদানী, মাওলানা মুনির আহমদ ও মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম।
সভায় আল্লামা আহমদ শফীর পুত্র চট্রগ্রাম হাটহাজারি মাদরাসার শিক্ষক মাওলানা আনাস মাদানী পত্রটি পাঠ করেন। পত্রে কওমী মাদরাসা শিক্ষানীতি ও কর্তৃপক্ষ আইন বাতিলসহ আল্লামা শফীর ৫টি দাবি বেশ গুরুত্ব পেয়েছে। পত্রে বলা হয়েছে, বৃটিশ ও পাকিস্তান আমলে যেভাবে দারুল উলূম দেওবন্দের দাওরায়ে হাদীসের সনদকে এম.এ.এর মান দিয়ে মূল্যায়ণ করা হয়েছিল এবং বর্তমানেও ভারতে যেভাবে মূল্যায়ণ করা হয়ে থাকে, ঠিক সেভাবে এবং সে আদলে আপনি যদি অনুগ্রহপূর্বক আমাদের কওমী মাদরাসাসমূহের দাওরায়ে হাদীসের সনদকে ইসলামিয়াত ও আরবী সাহিত্যে এম.এ-এর মর্যাদা দিয়ে মূল্যায়ণ করার পাশাপাশি ধর্মীয় ক্ষেত্রে ওলামায়ে কেরামের কাজের পরিধি অবারিত করতে সম্মত হন, তাহলে আমরা স্বানন্দে তা গ্রহণ করতে আগ্রহী। সেমতে আমাদের প্রস্তাবনা নিম্নরূপ-
১. ভারতে দারুল উলূম দেওবন্দ যেভাবে নিজ স্বাতন্ত্র্য ও স্বকীয়তা নিয়ে স্বাধীনভাবে চলছে, বাংলদেশের কওমী মাদরাসাসমূহও সেভাবে চলবে।
২. বর্তমান নিজস্ব ধারায় কওমী মাদরাসার প্রতিষ্ঠা, পরিচালনা, ব্যবস্থাপনা, শিক্ষা-দীক্ষা ও সিলেবাস ইত্যাদি সম্পূর্ণরূপে বহাল রেখে কওমী সনদের সরকারী মান বা মর্যাদা দেওয়া যেতে পারে। মাদ্রাসার স্বাতন্ত্র বৈশিষ্ট্য, স্বাধীন শিক্ষাক্রম পরিচালনা ও স্বকীয়তা বিনষ্ট করে সনদের সরকারী মর্যাদা কোন অবস্থাতেই কাম্য নয়।
৩. প্রস্তাবিত কওমী মাদ্রাসা শিক্ষানীতি-২০১২ এবং তদালোকে তৈরিকৃত কওমী মাদরাসা কর্তৃপক্ষ আইন-২০১৩ বাতিল করতে হবে। কারণ এ জাতীয় কর্তৃপক্ষ বা আইন কওমী মাদ্রাসার ঐতিহ্যবাহী ধারাপরিপন্থী। এর ফলে দেড়শত বছর থেকে চলে আসা কওমী মাদ্রাসা তার চিরায়ত স্বকীয়তা হারাবে বলে আমি আশংকা করি।
৪. কওমী মাদ্রাসাà¦