সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
১৩ মাসে হাফেজ হলো ১০ বছরের নাঈম নিকাব নিয়ে কটূক্তি: ঢাবির সেই শিক্ষিকাকে ‘লাল কার্ড’ দেখালেন শিক্ষার্থীরা আলোর পথের যাত্রী  সিলেট সিটিতে মেয়র প্রার্থী ঘোষণা করল বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস বিএনপি-জামায়াত আমলে আলিয়া মাদরাসা বাড়ে ১৫৪১টি, আ.লীগ আমলে কমেছে ১৭৯টি আলী মিয়াঁ নদভীকে নিয়ে বই লিখে দিল্লি উর্দু একাডেমির পুরস্কার লাভ রিয়াদ বিমানবন্দরে হামলায় হেফাজতের শোক, ক্ষতিপূরণ ও বিনামূল্যে চিকিৎসার দাবি রিয়াদ বিমানবন্দরে হুতি হামলার নিন্দা পাকিস্তানসহ ৪ দেশের  বিশ্বজয়ী হাফেজ হিরাকে শুভেচ্ছা জানালেন মাওলানা খালেদ সাইফুল্লাহ আইয়ুবী ২০২৭ সালে পাঁচ ধাপে ইউপি নির্বাচন, তারিখ চূড়ান্ত

 রোহিঙ্গাদের অধিকার ফিরিয়ে না দিলে মুসলমানরা বসে থাকবে না

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

isha21আওয়ার ইসলাম: গণহত্যা বন্ধ ও রোহিঙ্গা সমস্যা সমধানের দাবিতে মিয়ানমার অভিমুখী ১৮ ডিসেম্বরের লংমার্চে সরকারি বাধার প্রতিবাদ সমাবেশে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ চট্টগ্রাম মহানগর নেতবৃন্দ বলেছেন, মিয়ানমার দাবি করছে, রোহিঙ্গা মুসলিমরা সে দেশের নাগরিক নয়, তারা বাংলাদেশের অভিবাসী। বার্মিজ মগদস্যুদের এ বক্তব্য একটি স্বাধীন দেশ হিসেবে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতি ওপেন চ্যালেঞ্জের শামিল। যদি রোহিঙ্গারা বাংলাদেশি হয় আরাকানও বাংলাদেশের অংশ। সেনা পাঠিয়ে আরাকান দখল করে নিতে হবে।

আজ (শুক্রবার) বাদ জুমা চট্টগ্রাম আন্দরকিল্লা শাহী জামে মসজিদ উত্তর গেইট চত্বরে এক বিশাল প্রতিবাদ সমাবেশে নেতৃবৃন্দ এসব কথা বলেন।

নগর সিনিয়র সহ-সভাপতি আলহাজ নুরুল ইসলাম বিএসসির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রতিবাদ সভায় নেতৃবৃন্দ বলেন, লংমার্চ সরকার বিরোধী কোনো কর্মসূচি ছিল না। মজলুম, অসহায়, রাষ্ট্রহীন, বন্ধুহীন, মিত্রহীন একটি জনগোষ্ঠীর করুণকাহিনী বিশ্বের মানবতাবাদী জনগণের কাছে তুলে ধরতেই এ কর্মসূচি দিয়েছিল ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। কিন্তু সরকার অত্যান্ত ন্যাক্কারজনকভাবে শান্তিপূর্ণ লংমার্চ কর্মসূচিতে বাধা দিয়ে জালিম মানবতাহীন মিয়ানমারের জান্তা সরকারের পক্ষাবলম্বন করেছে। এই ঘটনায় প্রমাণিত হয়েছে, এ কোনো মানুষত্বের সরকার নয়। এই সরকার রোহিঙ্গা মুসলিমদের গণহত্যায় মিয়ানমারের দস্যুদের সহযোগী।

সমাবেশ থেকে নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর শিক্ষা, কর্ম, ভ‚মিস্বত্ব, ভোটাধিকার ও নাগরিক মর্যাদা ফিরিয়ে দেওয়া, বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে শরণার্থী হিসেবে মানবেতর জীবন যাপনরত সকল রোহিঙ্গাদের স্বদেশে ফিরিয়ে নিয়ে পুনর্বাসনের ব্যবস্থা, রোহিঙ্গাবিরোধী অভিযানগুলোকে গণহত্যা হিসেবে গণ্য করে এসব অভিযানে হত্যা, ধর্ষন, বাড়ি-ঘর জ্বালিয়ে-পুড়িয়ে ধ্বংস, নারী-শিশু-বৃদ্ধদের নির্যাতন ও দেশত্যাগে বাধ্য করাসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের তদন্তে জতিসংঘের অধীনে একটি আন্তর্জাতিক দতন্ত কমিশন গঠন এবং এসব অপরাধের সাথে জড়িত মিয়ানমারের সেনা, বিজিপি, পুলিশ, প্রশাসন ও উগ্র বৌদ্ধ সন্ত্রাসীদের বিচারের জন্য বিশ্বের সকল মানবতাবাদী মানুষকে ঐক্যবদ্ধভাবে সোচ্চার হওয়ার আহবান জানান।

সমাবেশে বক্তব্য রাখেন আলহাজ মুহাম্মদ আবুল কাশেম মাতব্বর, আলহাজ মুহাম্মদ আল-ইকবাল, ডা. ফরিদ খান, অধ্যাপক মাওলানা মুহাম্ম