
পলাশ রহমান। লেখালেখি ও সাংবাদিকতায় যিনি দক্ষতার স্বাক্ষর রেখেছেন। গড়ে তুলেছেন বৃহৎ ইউনিটি। খুলনায় বেড়ে উঠা পলাশ রহমান বর্তমানে থাকেন ইতালিতে। সেখানে কাজের পাশাপাশি বাংলাকে ছড়িয়ে দিতে নিয়েছেন নানান উদ্যোগ। দেশের বাইরে থাকলেও তিনি সর্বদাই ভাবেন দেশকে নিয়ে। নীতি ও নৈতিকতার চরম অবক্ষয়ে তিনি মর্মাহত হন। সমাজের অধপতনগুলো তাকে নতুন কিছু ভাবতে উদ্বুদ্ধ করে।
৩০ জানুয়ারি ইতালি প্রবাসী এ লেখক এসেছিলেন আওয়ার ইসলাম টোয়েন্টিফোর ডটকম কার্যালয়ে। এ সময় তার সঙ্গে কথা বলেন রোকন রাইয়ান ও আতাউর রহমান খসরু।
লেখালেখির শুরু করেন কীভাবে?
পলাশ রহমান : লেখালেখির শুরু হয় স্কুল জীবন থেকেই। ক্লাস সিক্স-এ থাকতেই আমার প্রথম লেখা প্রকাশিত হয়। খুলনার একটি লোকাল পত্রিকায় ছয় লাইনের ছড়া। এরপর আমি বিভিন্ন পত্রিকায় চিঠিপত্র ও পাঠকের কলাম বিভাগে লেখা পাঠাতাম। সে লেখাগুলোর অধিকাংশই ছাপা হতো না। আমি হতাশ হই নি। লেগে ছিলাম। এক সময় দেখা গেলো যারা তাদের চিঠিপত্র বিভাগে আমার লেখা ছাপে নি তারা উপসম্পাদকীয় পাতায় আমার কলাম ছেপেছে।
ছড়া দিয়ে শুরু করে কলামের গেলেন কীভাবে?
পলাশ রহমান : ছড়া দিয়ে শুরু করেছিলাম। ছড়া কবিতা লিখেছি, চর্চা করেছি অনেক দিন। স্কুল জীবনে বন্ধুদের চিঠি লিখে দিয়েছি ছন্দে ছন্দে। তখন ভাবনা ছিলো কবি হওয়ার। পুরান ডায়েরি খুললে অনেক ছড়া-কবিতা পাওয়া যাবে।
এক সময় এসে আমার মনে হলো, কবিতার জগৎটা আমার না। ইচ্ছে হলো সাংবাদিক হওয়ার। মিডিয়ায় কাজ করলাম। রিপোর্ট লিখলাম। কিন্তু সাংবাদিকতাও আমার না। তখন কলাম লেখা শুরু করলাম। এখন আল হামদুলিল্লাহ! বাংলাদেশের যে কোনো জাতীয় দৈনিকে আমার কলাম ছাপে। সেটা পরিচয়ের জন্য হোক বা আমার লেখার মানের জন্য হোক। ইদানিং মনে হচ্ছে, কলামটাও আমার জায়গা না। আমি মনে হয় এখনো স্থির হতে পারলাম না।
কবিতা ছাড়লেন কেনো? কঠিন মনে হয়েছিলো?
পলাশ রহমান : ঠিক কঠিন না। আপন করে নিতে পারি নি। মনে হয়েছে, কবি প্রতিভা নিয়ে আমি জন্মাই নি।
লিখছেন অনেক দিন বই করছেন না কেনো?
পলাশ রহমান : অনেক দিন লিখছি ঠিক। কিন্তু এখনো আমার মনে হয় না মলাটবদ্ধ হওয়ার মতো পরিক্কতা আমার মধ্যে তৈরি হয়েছে। তাই বই