নুরুল ইসলাম খলিফা ১৯৫৪ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি বরিশাল জেলার গৌরনদী উপজেলার দক্ষিণ সাকোকাঠীতে জন্মগ্রহণ করেন। পিতা মরহুম কাসেম খলিফা এবং মাতা রোকেয়া খাতুন এর জৌষ্ঠ সন্তান তিনি। তিনি ১৯৮০ সালে অগ্রণী ব্যাংকে প্রবশনারী অফিসার হিসেবে যোগদান করে কর্মজীবন শুরু করেন। এরপরে তিনি দেশ সেরা ব্যাংকে দীর্ঘদিন কর্মরত থেকে বর্তমানে আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংকের ট্রেনিং ইনস্টিটিউটের প্রিন্সিপ্যাল পদে দায়িত্বরত আছেন। ইসলামী ব্যাংকিং এর নানা বিষয় নিয়ে তার সাথে কথা বলেছেন আমানুল্লাহ নোমান
আওয়ার ইসলাম: বাংলাদেশের বর্তমান ইসলামী ব্যাংকিং সম্পর্কে কিছু বলুন।
নুরুল ইসলাম খলিফা: সিকি শতকের কিছু বেশি আগে প্রতিষ্ঠিত ইসলামী ব্যাংকিং ব্যবস্থা আজ বাংলাদেশের একটি ক্রম বিকাশমান ও শক্তিশালী অর্থনৈতিক ধারা হিসেবে স্বীকৃত।শতাব্দী প্রাচীন প্রচলিত ব্যাংকিং ব্যবস্থার সাথে প্রতিযোগিতায় ইসলামী ব্যাংক ব্যবস্থা তার শ্রেষ্ঠত্ব প্রমান করে চলেছে।বর্তমানে দেশের ব্যাংকিং ব্যবসার প্রায় ২৫ শতাংশ পরিচালিত হচ্ছে ইসলামী ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে। দেশে ০৮ টি পূর্ণাঙ্গ ইসলামী ব্যাংক ০১ হাজারের বেশি শাখার মাধ্যমে ব্যাংকিং সেবা প্রদান করছে। প্রায় ২০ হাজারের মত জনশক্তি এই ব্যাংক ব্যবস্থার সাথে জড়িত। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জনে ইসলামী ব্যাংকগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভ’মিকা পালন করছে। দেশের ব্যবসা-বানিজ্য, কৃষি-শিল্প, আমদানী-রপ্তানী ইত্যাদি সকল খাতেই ইসলামী ব্যাংকগুলোর অবদান উল্লেখযোগ্য। আপনার নিশ্চয়ই জানা আছে রপ্তানী আয়ের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ খাত তৈরী পোষাক শিল্প এবং এর ব্যাকওয়ার্ড লিংকেজ শিল্প হিসেবে টেক্সটাইল, স্পিনিং ইত্যাদি শিল্পের পথিকৃত দেশের শীর্ষস্থানীয় ব্যাংক, ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশলিমিটেড। এ ছাড়া বৈদেশিক রেমিট্যান্স এর প্রায় ৩০ শতাংশ আইবিবিএল একাই আহরণ করছে।অনুরূপভাবে ক্ষুদ্র - মাঝারি বিনিয়োগেও ইসলামী ব্যাংকগুলো যথেষ্ট ভূমিকা রাখছে। এক কথায় উন্নত গ্রাহক সেবা, বহুমুখী ব্যাংকিং প্রোডাক্ট এর মাধ্যমে ইসলামী ব্যাংকিং দেশের গণ মানুষের আস্থা অর্জন করেছে।
আওয়ার ইসলাম: বিশ্বে ইসলামী ব্যাংকিং এর বর্তমান প্রেক্ষাপট কেমন?
নুরুল ইসলাম খলিফা: সারা বিশ্বেই ইসলামী ব্যাংকিং ব্যবস্থা একটি মজবুত ভিত্তি রচনা করে এà