মাওলানা মাহমুদ হাসান সিরাজী
প্রিন্সিপ্যাল; মাদরাসা ওসমান ইবনে আফফান রা.
রাষ্ট্র পরিচালনার তিনটি নির্বাহী প্রতিষ্ঠানের শক্তিশালী একটি হলো রাষ্ট্রের বিচার বিভাগ। বিচার বিভাগ যত শক্তিশালী হবে রাষ্ট্রের অবকাঠামো তত মজবুত হবে। বিচার বিভাগ দূর্বল হলে রাষ্ট্রের ভারসাম্যতা ঠিক থাকবে না।
আমাদের রাষ্ট্র মুসলিমরাষ্ট্র নয়, তবে মুসলিম অধ্যুষিত রাষ্ট্র। এদেশের কত ভাগ জনগন ইসলামের অানুসারী এটা জানার জন্য বছরে বছরে শুমারি করার প্রয়োজন নেই।
সে ৪৭, ৫২, ও ৭১ এর সফলতা বা বিজয়ের মালা মুসলমান সংখ্যাগরিষ্ঠ যোদ্ধাদের হাত দিয়েই এসেছে। রাষ্ট্র পরিচালনার সর্বোচ্ছ আসনে একজন মুসলিম নারীই বসে আছেন। রাষ্ট্রপ্রধানের চেয়ারটিও একজন মুসলমানের দখলে রয়েছে। সংসদ পরিচালক মাননীয় স্পীকার থেকে নিয়ে সংসদের ভিতর ও বাহিরের বিরুধীদলও মুসলমানদের আওতায়।
এখানে অন্য ধর্মালম্বীদেরকে খাটো করে দেখা উদ্দেশ্য নয়, বরং সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে ছোট ও মোটা দাগে একটা বিশ্লেষণ তুলে ধরা।
৪৭, ৫২ ও ৭১ সবই কিন্তু সংখ্যার বিবেচনায় হয়েছে। ৪৭ ছিল জাতিগত,৫২ ছিল ভাষাগত আর ৭১ ছিল ইনসাফগত। অর্থাৎ জালেমের বিপক্ষে মজলুমের লড়াই বা জালেমের অস্ত্রের প্রতিবাদে মজলুমের লড়াই।
এখানে যে বা যারা ক্ষমতার মসনেদে যাচ্ছে তারা কিন্তু ভোটের দোহাই দিয়েই ক্ষমতায় যাচ্ছে। তো ভোটাররা নিজেদের প্রতিনিধিদেরকেই কিন্তু ক্ষমতায় বসাচ্ছে। ফলে ক্ষমতার ভিত্তিটাও গড়ে উঠছে জনসংখ্যার ভিত্তিতে।
এ দেশের জনগণের ভালো মন্দ যে সব প্রতিষ্ঠান দেখবে সে সব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দেশের বিচার বিভাগ অন্যতম। আর বিচার বিভাগ যারা চালান বা বিচার বিভাগের যারা কর্তৃপক্ষ তাদেরকে দেশের মানুষের ভাষা বুঝতে হবে। দেশের মানুষের চিন্তা চেতনা সম্পর্কে অবহিত হতে হবে। দেশের মানুষের ধর্ম ও ধর্মীয় জ্ঞান সম্পর্কে ওয়াকিফহাল থাকতে হবে।
গত কয়েক মাস আগে খতীবদের বয়ান নিয়ন্ত্রণ করতে ইসলামিক ফাউন্ডেশন যা করতে চাচ্ছিল আদালত সেটাই বাস্তবায়নের দিকে এগুচ্ছে কি না?
এ দেশের খতীবদের বয়ানে কী থাকে? তারা কী নিয়ে আলোà