শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬ ।। ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ১৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
কুমিল্লায় সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজপালনকারীদের নিয়ে স্মৃতিচারণ সভা অনুষ্ঠিত নেপালের বন্যায় ধ্বংসস্তূপ থেকে জীবিত উদ্ধার ৯৭ বছরের বৃদ্ধা নিজ উপজেলায় সংবর্ধনা পেলেন বিশ্বজয়ী হাফেজ জাকারিয়া নেত্রকোনার বিরিশিরিতে আঞ্চলিক কনফারেন্স অনুষ্ঠিত বিদ্যুৎমন্ত্রীর নামে ভুয়া ফটোকার্ড ছড়িয়ে অপপ্রচার নেপালে হড়পা বানে ভেসে যায় ব্যাংকের লকার, প্রায় কোটি টাকা লুটপাট বাবুনগর মাদরাসায় ধর্ম প্রতিমন্ত্রী, দোয়া নিলেন হেফাজত আমিরের ‘প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের লক্ষণ নেই, পরিস্থিতি আরও নাজুক হয়েছে’ হাম উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৯৬৩ হাসনাতের দুঃখ প্রকাশে কওমি ছাত্র ঐক্য পরিষদের কর্মসূচি প্রত্যাহার

কাতারে চলমান কূটনৈতিক সংকটের জন্য রাশিয়ান হ্যাকাররা দায়ি!

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

কাতারের চলমান কূটনৈতিক সংকটের নেপথ্যে রুশ হ্যাকাররা জড়িত বলে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা এফবিআইর এক তদন্তে দাবি করা হয়েছে।

এফবিআই দাবি করছে, কাতার সরকারের একটি গোপন নথি রাশিয়ার হ্যাকাররা ফাঁস করার পরই স্মরণকালে ভয়াবহ কূটনৈতিক সংকটের মুখে পড়েছে কাতার। বৃহস্পতিবার ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান এ খবর জানিয়েছে।

এফবিআই-র তদন্ত প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, হ্যাকিংয়ের এই ঘটনায় রাশিয়ার সরকার জড়িত নয়। ফ্রিল্যান্স হ্যাকারদের অর্থের বিনিময়ে অন্য কোনও দেশ বা পক্ষ কাজটি করিয়েছে। অনেক বিশ্লেষক গোপনে ধারণা করছেন, সৌদি আরব বা সংযুক্ত আরব আমিরাত হ্যাকারদের অর্থ দিয়ে কাজটি করিয়ে নিয়েছে।

কাতার দাবি করেছে, দেশটির আমিরকে অপদস্ত করতেই হ্যাকিং অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। এর ফলেই ইরানের সমর্থনে ও ডোনাল্ড ট্রাম্পের সমালোচনামূলক বক্তব্য ফাঁস করা হয়েছে। হ্যাকিংয়ে ফাঁস হওয়া তথ্য নিয়ে ভুয়া খবর প্রকাশের ঘটনাকে ইঙ্গিত করেছে কাতার। তাদের দাবি সৌদি আরব ও আরব আমিরাতের বার্তা সংস্থাগুলোই এসব ভুয়া খবর প্রকাশ করেছে।

সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আদেল আল-জুবের জানিয়েছেন, এফবিআইয়ের তদন্তের ফল নিয়ে তার কোনও ধারণা নেই। রাশিয়ার সরকারও হ্যাকিংয়ে জড়িত থাকার কথা অস্বীকার করেছে।

সোমবার (৫ জুন) সন্ত্রাসবাদকে পৃষ্ঠপোষকতা, বিশেষ করে মুসলিম ব্রাদারহুডকে সহযোগিতার অভিযোগ তুলে কাতারের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করার ঘোষণা দেয় সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের ৬ দেশ। প্রথমে সৌদি আরব, বাহরাইন ও পরে তাদের ধারাবাহিকতায় মিসর, সংযুক্ত আরব আমিরাত, লিবিয়া ও ইয়েমেন কাতারের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করে। ইয়েমেনে কথিত সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধে আরব জোট থেকেও বাদ দেওয়া হয় কাতারকে। সম্পর্ক ছিন্নকারী দেশগুলো ফ্লাইট চলাচল বন্ধ করাসহ বেশ কিছু পদক্ষেপও নেয়। তবে কাতার এ অভিযোগ অস্বীকার করেছে। মুসলিম ব্রাদারহুডও সৌদি আরবের অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

মধ্যপ্রাচ্যে কূটনৈতিক সংকটের মধ্যেই কাতারে সেনা মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে তুরস্ক। ৭ জুন এ সংক্রান্ত একটি প্রস্তাবে অনুমোদন দেয় তুরস্কের পার্লামেন্ট। তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেব এরদোয়ান কাতারের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করায় মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেছেন, নিষেধাজ্ঞা আরোপে সংকটের সমাধান হবে না। এ সংকটে কাতারকে সব ধরনের সহযোগিতা ও সমাধানে সব শক্তি কাজে লাগাবে তুরস্ক।

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান।

এসএস/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ