সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
সিলেট সিটিতে মেয়র প্রার্থী ঘোষণা করল বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস বিএনপি-জামায়াত আমলে আলিয়া মাদরাসা বাড়ে ১৫৪১টি, আ.লীগ আমলে কমেছে ১৭৯টি আলী মিয়াঁ নদভীকে নিয়ে বই লিখে দিল্লি উর্দু একাডেমির পুরস্কার লাভ রিয়াদ বিমানবন্দরে হামলায় হেফাজতের শোক, ক্ষতিপূরণ ও বিনামূল্যে চিকিৎসার দাবি রিয়াদ বিমানবন্দরে হুতি হামলার নিন্দা পাকিস্তানসহ ৪ দেশের  বিশ্বজয়ী হাফেজ হিরাকে শুভেচ্ছা জানালেন মাওলানা খালেদ সাইফুল্লাহ আইয়ুবী ২০২৭ সালে পাঁচ ধাপে ইউপি নির্বাচন, তারিখ চূড়ান্ত জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতে সৌদি আরব ও কাতারের সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ বিশ্বজয়ী হাফেজ ইহতেশামুল হক হিরাকে সংবর্ধনা দিল ধর্ম মন্ত্রণালয় লক্ষ্মীপুরে ড্রাম ট্রাকচাপায় বৃদ্ধ ভ্যানচালকের মৃত্যু

বাবার মৃত্যুর পর কোনো বিরোধ লাগলে তা নিষ্পত্তির জন্য পারিবারিক কমিটি করে গেছেন

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

জাতির আধ্যাত্মিক রাহবার উলামায়ে কেরামকে আমরা শুধু একজন দাঈ হিসেবেই চিনি। তাদের বিস্তৃত জীবনের বাইরের অংশটুকুই আমরা জানি। কিন্তু একজন বাবা হিসেবেও তারা যে ছিলেন অতুলনীয় এবং পরিবার গঠনেও যে তারা আমাদের আদর্শ হতে পারেন তা হয়তো কখনো ভেবে দেখিনি। আমাদের ভাবনার আড়ালে থাকা সেসব শ্রেষ্ঠ বাবাদের পাঠকের সামনে তুলে ধরবে আওয়ার ইসলাম।

ধারাবাহিক স্মৃতিচারণের দ্বিতীয় পর্বে থাকছেন আধ্যাত্বিক আলেম ও বিশিষ্ট রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব মাওলানা সৈয়দ ফজলুল করীম রহ. (পীর সাহেব চরমোনাই)। প্রিয় বাবাকে নিয়ে আওয়ার ইসলামের সঙ্গে কথা বলেছেন তার দ্বিতীয় ছেলে প্রিন্সিপাল মাওলানা সৈয়দ মোসাদ্দেক বিল্লাহ আল মাদানী। তার স্মৃতি, আবেগ ও অনুভূতিগুলো পাঠকের সামনে তুলে ধরেছেন শহনূর শাহীন।

সৈয়দ ফজলুল করীম পীর সাহেব চরমোনাই রহ. বাবা হিসেবে ছিলেন পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ বাবাদের একজন। দীনের জন্য তিনি সারাটা জীবন উৎসর্গ করে দিয়েছিলেন। হাজারো ব্যাস্ততার মাঝে তিনি আমাদের সার্বক্ষণিক খোঁজ খবর নিতেন। দেখা যেতো মাসের প্রায় ২৭-২৮ দিন বাড়ির বাইরে থাকতেন। তখন তো মোবাইল ফোনের অতটা প্রচলন ছিল না তবুও বিভিন্নভাবে তিনি আমাদের খোঁজ রাখতেন। সফরে বের হওয়ার আগে আমাদের সবাইকে ডেকে বিভিন্ন প্রয়োজনীয় দিক নির্দেশান দিতেন। সারা মাসের বাজার সদাই করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা করে যেতেন। আমার বয়স যখন দেড় বছর তখন আমার আম্মা মারা যান। এরপর আত্মীয় স্বজনদের পীড়াপীড়িতে আব্বা আমাদের দ্বিতীয় আম্মাকে আনেন। তাও আম্মা ছিলেন আমার নানুরই ভাইয়ের মেয়ে।

বাবা হিসেবে শায়খ রহ. আমাদের সাথে খুব মিশতেন। বাড়িতে এলে আমাদের সব ভাই বোনকে একসাথে বসে খাবার খেতেন। ফলের মৌসুমে তিনি নিজে গাছ থেকে ফল পেরে এনে আমাদের খাওয়াতেন। বাবা ছিলেন একদম সহজ সরল নিরহংকারী একজন মানুষ। তিনি নিজের কাজ নিজেই করতেন। পুকুরে মাছ ধরতেন, বিল্ডিংয়ের কাজের সময় দেখেছি বাবা রাজমিস্ত্রীদের সাথে কাজ করতেন, এমনকি বাবা নিজ হাতে বাড়ির বাথরুম পরিস্কার করতেন।

বাবা আমাদের আদরও করতেন আবার কঠোর শাসনও করতেন। বিশেষ আমল আখলাখের ব্যাপারে বাবা ছিলেন খুবই কঠোর। আমরা যদি জামাতে নামাজ পড়তে না পারতাম তাহলে বাবা সেদিন আমাদের খেতে দিতেন না।

রমজান মাসে প্রতিদà¦