রকিব মুহাম্মাদ
আওয়ার ইসলাম
স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাঙালির অধিকার আদায়ে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর রোষানলে পড়ে জীবনের বহু বছর কারাগারে অতিবাহিত করেন। ১৯৬৭ থেকে ৬৯ পর্যন্ত কারাকারে থাকার সময় ব্যক্তিগত ডায়রি আকারে লিপিবদ্ধ করেন চারটি খাতা।
২০০৪ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের লেখা চারটি খাতা তাঁর মেয়ে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে পৌঁছে। তাঁর লিখিত এই স্মৃতিকথা ২০১২ সালের ১৮ জুন বাংলায় ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ নামে প্রকাশিত হয়।
বইটিতে বঙ্গবন্ধু তাঁর আত্মজীবনী লেখার প্রেক্ষাপট, তাঁর বংশধর, জন্ম ও বাল্যজীবন, স্কুল ও কলেজ শিক্ষাসহ সামাজিক ও রাজনৈতিক সম্পৃক্ততার উল্লেখ করেন।
এতে এই মহান নেতা কলকাতা ও বিহারে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা, পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় সরকারের বৈষম্যমূলক দৃষ্টিভঙ্গি, আগরতলা ষড়যন্ত্রসহ বিভিন্ন ঐতিহাসিক ঘটনার প্রত্যক্ষ বিবরণ তুলে ধরেছেন।
পাশাপাশি দেশ বিভাগের পরের সময় থেকে ১৯৫৪ সাল পর্যন্ত পূর্ব বাংলার রাজনীতি, কেন্দ্রীয় ও প্রাদেশিক মুসলিম লীগ সরকারের অপশাসন, ভাষা আন্দোলন, ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠা, যুক্তফ্রন্ট গঠন এবং নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে সরকার গঠন এসব বিষয়ে বঙ্গবন্ধুর প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতার বর্ণনা রয়েছে।

ব্যবসার হিসাব নিয়ে জটিলতা আর নয় (কল- 01771 403 470) ক্লিক করুন
২০১২ সালে আত্মজীবনী প্রকাশের পর বেশ কয়েকটি ভাষায় অনূদিত হয় বইটি।
আরবী : ২০১৬ সালের ১২ ডিসেম্বর ফিলিস্তিনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড.রিয়াদ এন.এ.মালকি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে এলে তিনি বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী বইটির আরবি সংস্করণের কপি প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দেন। গ্রন্থটির আরবি অনুবাদ করেন একজন ফিলিস্তিনি নাগরিক।
ইংরেজী: ২০১২ সালের ১৮ জুন ইংরেজি অনুবাদে আন ফিনিসড মেমোরিজ শিরোনামে প্রকাশিত হয়। ভারত ও পাকিস্তান থেকে একযোগে প্রকাশিত হয় দি আনফিনিশড মেময়ারস। বইটির প্রকাশক ইউপিএল। ইউপিএলের সঙ্গে বিশেষ ব্যবস্থায় ভারতে বইটি প্রকাশ করছে পেঙ্গুইন ইন্ডিয়া এবং পাকিস্তানে প্রকাশ করছে অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি প্রেস à¦