সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
১৩ মাসে হাফেজ হলো ১০ বছরের নাঈম নিকাব নিয়ে কটূক্তি: ঢাবির সেই শিক্ষিকাকে ‘লাল কার্ড’ দেখালেন শিক্ষার্থীরা আলোর পথের যাত্রী  সিলেট সিটিতে মেয়র প্রার্থী ঘোষণা করল বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস বিএনপি-জামায়াত আমলে আলিয়া মাদরাসা বাড়ে ১৫৪১টি, আ.লীগ আমলে কমেছে ১৭৯টি আলী মিয়াঁ নদভীকে নিয়ে বই লিখে দিল্লি উর্দু একাডেমির পুরস্কার লাভ রিয়াদ বিমানবন্দরে হামলায় হেফাজতের শোক, ক্ষতিপূরণ ও বিনামূল্যে চিকিৎসার দাবি রিয়াদ বিমানবন্দরে হুতি হামলার নিন্দা পাকিস্তানসহ ৪ দেশের  বিশ্বজয়ী হাফেজ হিরাকে শুভেচ্ছা জানালেন মাওলানা খালেদ সাইফুল্লাহ আইয়ুবী ২০২৭ সালে পাঁচ ধাপে ইউপি নির্বাচন, তারিখ চূড়ান্ত

ঈদের জামায়াতে মাননীয় অর্থমন্ত্রীর খুতবা আমাদেরকে অন্যভাবে অনুপ্রেরণা দিয়েছে: সৈয়দ মবনু

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

সৈয়দ মবনু : আজকে জীবনে প্রথম এমন হলো, মন চাচ্ছিলো না ঈদের জামায়াতে যেতে। প্রথমত এ ক’দিন থেকে দেখছি মায়ানমারে রোহিঙ্গা সংকট এবার যেনো আগের থেকে বেশি মাত্রায় বৃদ্ধি পেয়েছে। মনটা একেবারে খারাপ। মনে করেছিলাম, বলে যখন কোন লাভ নেই তবে আর বলবো না। রাষ্ট্রের নাগরিক হওয়ার পরও রাষ্ট্র আমাদের কথা  শুনতে চায় না, আর অন্য রাষ্ট্র?এত মানুষের লাশ, চিৎকার আর ধর্ষণ দেখলে মানুষের মন ভালো থাকে কীভাবে?

আমি আগেও বলেছি, এখানে বাংলাদেশ সরকারের তেমন কিছু করার নেই, সামান্য আশ্রয় দেওয়া ছাড়া। কিন্তু আশ্রয় তো সমস্যার মূল সমাধান নয়। তা ছাড়া মায়ানমারের সরকার তো চাচ্ছেই রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে চলে আসুক। তা ছাড়া বাংলাদেশ কোন শক্তিশালী দেশ নয়। এখানে আভ্যন্তরিন যুদ্ধ এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ছাড়া কিছুই করা সম্ভব নয়। রোহিঙ্গিারা যদি ভেতরে শুরু করতে পারে তবে সহযোগিতার প্রয়োজন, নতুবা অনুগ্রহ প্রকাশ ছাড়া কিছুই করা সম্ভব নয়।

আজকে সিলেট শাহী ঈদগাহে আমাদের সাথে ঈদের জামায়াতে বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত উপস্থিত ছিলেন। সকাল সাড়ে আটটায় জামায়াত শুরু হয়। জামায়াতের আগে বক্তব্য রাখেন মাওলানা মুস্তাক আহমদ খান। তিনি তাঁর বক্তব্যে ঈদের ফাজায়েল এবং মাসায়েল নিয়ে আলোচনা করেন। তিনি মাননীয় অর্থমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে গত ক’বছর থেকে বাংলাদেশে চামড়ার বিরাট মূল্যহ্রাসের দিকে ইঙ্গিত করে বলেন, যা বিশেষ করে মাদরাসার গরীব ছাত্রদের লেখাপড়ার ক্ষতির কারণ হয়ে যাচ্ছে। মাদরাসা শিক্ষাকে ধ্বংসের জন্য এমন ষড়যন্ত্র কি না তা দেখার জন্য তিনি অর্থমন্ত্রীকে অনুরোধ করেন।

মাননীয় অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত তাঁর বক্তব্যে সবাইকে ঈদ মোবারক জানিয়ে রোহিঙ্গা মুসলমানদের করুণ চিত্র সবার সামনে উপস্থাপন করেন। তিনি সেদেশে মুসলিম নির্যাতনের জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন। তিনি সে দেশের সরকারকে অনুরোধ করেন এই নির্যাতন অতি দ্রুত বন্ধ করতে।

সাথে সাথে তিনি একথাও বলেন, বাংলাদেশ তার সাধ্যানুসারে সেখানের বিপদগ্রস্থ মানুষদেরকে আশ্রয় দিচ্ছে। তবে ব্যাপাকহারে, চাহিদানুসারে দিতে পারছে না। কারণ, বাংলাদেশে প্রতি কিলোমিটারে এক হাজার লোকের বসতি। আর পাশের ধনী দেশে মাত্র ছয়শজন। ভারত সহ বিশ্বের উন্নত দেশগুলোর উচিত বিপদগ্রস্থ রোহিঙ্গাদেরকে আশ্রয় à