রবিবার, ৩০ আগস্ট ২০২৬ ।। ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ১৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
৬ মাসে কোনো গুম বা বিচার বহির্ভূত হত্যা হয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নির্যাতন, তবু অবিচল ঈমান ‘বাতিলের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় যুব জমিয়তকে সঠিকভাবে টিকে থাকতে হবে’ ‘অস্বাভাবিকভাবে’ পানি বাড়ায় খুলে দেওয়া হলো কাপ্তাই বাঁধের ১৬ জলকপাট ‘‎নিজেদের ব্যর্থতার দায় অতীতের উপর চাপানোর সংস্কৃতি থেকে বের হতে হবে’ নারায়ণগঞ্জে সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদারে জমিয়তের মুজাকারা বৈঠক জামিয়া ইউনুছিয়ার শিক্ষকদের সঙ্গে এনসিপি নেতাদের সৌজন্য সাক্ষাৎ ইসলামী আন্দোলন ঢাকা মহানগর উত্তর কমিটিতে রয়েছেন যারা দেশের ৬ অঞ্চলে ঝড়ের আভাস সোনারগাঁওয়ের গণঐক্যই ছিল ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে রক্ষাকবচ: আমিরে মজলিস

`দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব টিকিয়ে রাখতে উলামায়ে কেরামের বিকল্প নেই'

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম : জামিয়া সাঈদিয়া কারীমিয়ার প্রিন্সিপাল হাফেজ মাওলানা শেখ ফজলে বারী মাসউদ বলেন,  বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব, মানবতা ও সমৃদ্ধিকে টিকিয়ে রাখতে হলে উলামায়ে কেরামের বিকল্প নেই। উলামায়ে কেরাম হলেন জাতির অতন্ত্র প্রহরী। তারাই দেশের বিরুদ্ধে, মানবতার বিরুদ্ধে, মানুষের বিরুদ্ধে যখন যে আগ্রাসন এসেছে সর্বাগ্রে নিজেরা মুকাবেলা করেছে এবং সকল জনতাকে জাগ্রত করেছে।

আজ ১৬ ডিসেম্বর দুপুর ৩ টায় রাজধানির ভাটারাস্থ জামিয়া সাঈদিয়া কারীমিয়ার মিলনায়তনে জামিয়ার সাংস্কৃতিক সংঘ ‘আন-নাদী আস-সাক্বাফী আল-ইসলামী’ কর্তৃক আয়োজিত মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে বীর শহীদদের স্মরণে আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

মাওলানা শেখ ফজলে বারী বলেন,  এদেশের স্বাধীনতার গোড়া পত্ত্বন করেছিলেন উলামায়ে কেরাম। উলামায়ে কেরামগণই ভারত উপমহাদেশ থেকে ইংরেজদের তাড়িয়ে ছিলেন। সেই ধারাবাহিকতায় ১৯৫২ সালে এসেছে ভাষা আন্দোলনে বিজয়। ১৯৭১ সালে এসেছে স্বাধীনতা আন্দোলনে বিজয়। বাংলাদেশের মানুষ উলামায়ে কেরামের অবদান ভুলে গেলে চলবে না।

সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, সাংস্কৃতিক সংঘের পরিচালক মাওলানা রাকিবুল ইসলাম, মুফতী মাছউদুর রহমান, মাওলানা আব্দুল কুদ্দুস, মাওলানা উবাইদুল্লাহ বিন আব্দুর রশীদ প্রমুখ।

অনুষ্ঠান শেষে বিভিন্ন বিষয়ে প্রতিযোগীতায় বিজয়ীদের হাতে পুরুস্কার তুলে দেয়া হয়।

আরএম


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ